নিলুকে ডিভোর্স দিলো সৌর্য! অনির্বাণের কীর্তিকলাপে চমকে গেলো রাই! স্রোতের অবস্থার জন্য দায়ী সার্থক!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে অপেক্ষাকৃত নতুন ধারাবাহিক মিঠিঝোড়া (MithiJhora)। শুরু থেকেই নায়িকার চরম আত্মত্যাগ এবং সবার কল্যাণের কথা ভেবে নিজেকে একেবারে বাত্য করে দেওয়ার বিষয়টা মন জয় করে নিয়েছে দর্শকদের। এই ধারাবাহিকের প্রধান নায়িকা হিসেবে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি। সম্প্রতি রাইয়ের জীবনে প্রবেশ করেছে নতুন নায়ক।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, অনির্বাণের কলকাতা ছেড়ে চলে যাওয়ার বিষয়টাকে আটকাতে অনির্বাণের অফিসে চলে যায় রাই। অনির্বাণ শুরুতে নায়িকার সাথে দেখা করতে না চাইলে রাই জোর করে তার ঘরে ঢুকে পড়ে। এরপর অনির্বাণ যখন কিছুতেই রাইয়ের কথা শুনতে চায়না তখন রাই বলে আজ তার জীবনের একটা বিশেষ দিন এই দিনটায় যেন অন্তত তার কথাটা রাখা হয়। অনির্বাণ তখন তাড়াতাড়ি রাইয়ের বায়োডাটা খুলে দেখে আজ তার জন্মদিন।

মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ২৪ মে (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 24 may)

নিজের সিদ্ধান্ত নিলুকে জানিয়ে দিলো সৌর্য

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনেকক্ষণ ধরেই দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে সৌর্যকে ডাকাডাকি করতে থাকে নিলু আর সুচিস্মিতা। বেশ কিছুক্ষণ পর দরজা খুলে তাদের দুজনকে ঘরে আসতে বলে সৌর্য। এরপর সবার সামনেই সৌর্য বলে, “তারমানে তুমি এতদিন রাইয়ের নামে যা যা বলেছিলে সব মিথ্যে তাইতো? আমার আর তোমার সাথে থাকা সম্ভব নয়। এখানেই আমাদের সব শেষ হলো। আমি রাইকে কত ভুল বুঝেছি কত খারাপ খারাপ শুনিয়েছি শুধু মাত্র তোমার জন্য।” ছেলের এই সিদ্ধান্তে খুশি হয় সুচিস্মিতা। কিন্তু নিলু কিছুতেই এটা মেনে নিতে পারে না।

রাইকে চমকে দিলো অনির্বাণ

অন্যদিকে অনির্বাণ রাইকে মেসেজ করে বলে, তার কথা সে মেনে নেবে। কিন্তু এর বদলে রাইকে সন্ধ্যাটা তার সাথে কাটাতে হবে। রাই খুশি হয়ে যায় অনির্বাণের কথায়। এরপর তারা একটা রেস্টুরেন্টে দেখা করে। সেখানেই রাইকে জন্মদিনের শুভকামনা জানিয়ে কেক এনে একেবারে চমকে দেয় অনির্বাণ। রাইয়ের দিক থেকে চোখ ফেরাতে পারে না অনির্বাণ। রাইয়ের হাত ধরে সে নিজের মনের সমস্ত কথা বলতে চায়।

অসুস্থ হয়ে পড়লো স্রোত

অন্যদিকে মেডিকেল ক্যাম্পে গিয়ে বেশ অসুস্থ হয়ে পড়লো স্রোত। সবাই যখন নিজেদের মধ্যে গল্প করতে ব্যস্ত ঠিক তখনই স্রোতের এক বান্ধবী খেয়াল করে স্রোত চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে। তার একটু সন্দেহ হয়। কাছে গিয়ে স্রোতের গায়ে হাত দিতেই সে চমকে যায় কারণ স্রোতের গা জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে। স্রোত বলে একটু বিশ্রাম নিলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু তারা বুঝে যায় স্রোতের শরীর ভীষণই খারাপ হয়ে গিয়েছে শুধু বিশ্রামে স্রোত সুস্থ হবে না তার ওষুধ প্রয়োজন।

Back to top button