পর্ণার কথায় ভয় পেয়ে গেলো মৌমিতা! পুঁটিকে মেরে পর্ণার তার কেটে দিলো সুইটি! রেগে গেলো ধারাবাহিকের নায়িকা!

প্রত্যেকটা পদে পদে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের দত্ত বাড়ির সদস্যদের মনে হচ্ছে এই বোধহয় ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণার স্মৃতি ফিরে এলো। সেই আশায় দিন গুনছে প্রত্যেকে। আর এই দিনগুলো আরো বেশি আকর্ষণীয় করে তুলছে ধারাবাহিকের নায়িকা। যার ফলে চলতি সপ্তাহে ফের বেঙ্গল টপার এর জায়গা দখল করেছে জি বাংলার নিম ফুলের মধু ধারাবাহিক। ধারাবাহিকের নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী পল্লবী শর্মা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা নিজের সমস্ত স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছে। কিন্তু সে আগেও যেমনটা ছিল এখনো ঠিক তেমনটাই রয়েছে। সৎ, সাহসী, স্পষ্ট কথা স্পষ্ট ভাবে বলার প্রবণতা সবই তার মধ্যে বর্তমান। আর একটা জিনিস যেটা না বললেই নয় সেটা হলো অন্যায় দেখলেই তার কেটে যায় ধারাবাহিকের নায়িকার। এর আগের দিন কৃষ্ণার অশোভন মন্তব্যের জন্য তাকে উচিত শিক্ষা দিয়েছিল পর্ণা। এইবার পালা সুইটির।
নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ২৩ মে (Neem Phuler Modhu Today Episode 23 may)
শাশুড়িকে দিয়ে ব্যয়াম করালো পর্ণা
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সকাল সকাল সৃজন ছাদে মুগুর ভাজতে থাকে। এমন সময় স্নান সেরে ছাদে কাপড় শুকাতে দিতে আসে পর্ণা। এরপর তাদের দুজনের মধ্যে শরীরচর্চা নিয়ে বেশ আলাপ-আলোচনা হয়। ঠিক তখনই কোমরে ব্যথা নিয়ে ছাদে কাপড় শুকাতে দিতে আসে কৃষ্ণা। তার এই অবস্থা দেখে পর্ণা কৃষ্ণাকেও শরীর চর্চা করতে বলে। পর্ণা ঠিক করে সবাইকে একসাথে জড়ো করে পরের দিন থেকেই শরীরচর্চা শুরু করবে।
সুইটিকে ময়দা মাখিয়ে ভুত করলো রুচিরা
এদিকে সুইটি তবে স্নান করে ঘরে গিয়েছে। রুচিরা আর চয়ন তার আগেই সুইটির ঘরে গিয়ে পাখায় আটা রেখে এসেছে। যাতে ফ্যান চালালেই সুইটি সাদা ভূত হয়ে যায়। আর সেটাই হলো। স্নান করে এসে পাখার সুইচ অন করতেই আটায় মাখামাখি হয়ে যায় সুইটির গোটা শরীর। তার মনে হয় এই কান্ড ঘটিয়েছে পুঁটি। প্রচন্ড রেগে গিয়ে সুইটি সবার সামনে দিয়ে পুঁটির হাত ধরে টানতে টানতে ঘরে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়।
আরও পড়ুন: সৃজনকে জেলে ঢোকালো ইশা! ক্ষেপে গেলো অপর্ণা, শ্যামলী আর তিস্তার রহস্য ফাঁস করলো অরুণাভ! দুই ধারাবাহিকে মহা ধামাকা!
পর্ণার তার কেটে দিলো সুইটি
এরপর একটা লম্বা খিল নিয়ে সুইটি পুঁটির দিকে তেরে আসে। যখনই সে মারতে যাবে তখনই দরজা খুলে ঘরে ঢুকে পড়ে পর্ণা। পুঁটি পর্ণার গা ছুয়ে বলে সে এমন কাজ করেনি। তারপরেও তাকে মারতে উদ্যত হয় সুইটি। এসব আর মেনে নিতে পারছিল না পর্ণা। নিজের মাথা ঠিক রাখতে না পেরে সে বলে, “দিলে তো আবার আমার তারটা কেটে? অনেকক্ষণ ধরে বোঝাচ্ছি তাও বুঝতে পারছিলে না। এতটুকু একটা বাচ্চার গায়ে হাত তুলছো? এইবার আমি তোমাকে এখান থেকে তাড়াবো।” এসব শুনে শুকিয়ে যায় সুইটির মুখ। অন্যদিকে বাকিরা আনন্দে ভরে ওঠে।

