একটু একটু করে স্মৃতি ফিরে পাচ্ছে পর্ণা! পুঁটির গায়ে হাত তোলায় সুইটিকে উচিত শিক্ষা দিল সে!

জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকে চলছে ধুন্দুমার পর্ব। শুরু থেকেই সেই ধারাবাহিকটি দর্শনদের মনে এই মেগার প্রতি আকর্ষণ করে রাখতে সফল হয়েছে। এই ধারাবাহিকের প্লট কখনোই একঘেয়ে হয় না। খুব তাড়াতাড়ি নিজের গল্প পরিবর্তন করে ভক্তদের মনে উত্তেজনা বজায় রাখে নিম ফুলের মধু। টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিক।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণার স্মৃতি ফেরাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে গোটা দত্ত বাড়ি। আর এই চেষ্টায় বারবার ব্যাঘাত দেওয়ার চেষ্টা করছে সুইটি। সে এই বিপদের সুযোগ নিয়ে নিজেকে সৃজনের বউ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে পর্ণার সামনে। সৃজন এতে মোটেই খুশি নয়। সে কিছু বলতেও পারছে না কারণ কিছু বলতে গেলে সুইটি তাকে পর্ণার ক্ষতি করে দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছে। তবে খুব বেশি দিন সুইটি নিজের রাজত্ব চালাতে পারবে না।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ২২ মে (Neem Phuler Modhu Today Episode 22 may)

পর্ণাকে অমলেট বানিয়ে খাওয়ালো সৃজন

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সুইটির জ্বালায় ঘর থেকে বেরিয়ে যায় সৃজন। কিন্তু কোথায় গিয়ে ঘুমোবে সেটাই ভেবে উঠতে পারে না। বর্ষার থেকে সে জানতে পারে পর্ণা ছাদে ঘোরাফেরা করছে। তখন সৃজনও তাড়াতাড়ি করে ছাদে চলে যায়। সেখানে গিয়ে সে দেখতে পায় পর্ণা কার্নিশের ধরে মাথায় হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সে বুঝতে পারে, ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া দৃশ্যগুলো তার মনের মধ্যে ফুটে উঠছে। তাড়াতাড়ি পর্ণাকে সামলায় সৃজন। এরপর দুজনেই গল্প গুজব করতে থাকে। এরপর সৃজন পর্ণাকে চিজ অমলেট বানিয়ে খাওয়ায়।

কথায় কথায় সুইটির কথা উঠতে সৃজন বলে, ওই মেয়েটা তাকে ঠকিয়ে বিয়ে করেছে। ও জীবনে আসার পর থেকে সৃজনের জীবনটা ছারখার হয়ে গিয়েছে। ওর সঙ্গে সৃজন একেবারেই খুশি নেই। পর্ণা সিজনের অবস্থা দেখে কষ্ট পায়। এরপর পর্ণা সৃজনকে অমলেট খাইয়ে দেয়। তারপর হঠাৎ করেই নিচে চিৎকার চেঁচামেচির আওয়াজ শুরু হয়। তারা বুঝতে পারে সুইটি চিৎকার করছে। সঙ্গে সঙ্গে নিচে চলে যায় সে।

আরও পড়ুন: ভালো সুযোগ পেয়ে কোন গোপনে মন ভেসেছে ছেড়ে দিচ্ছেন প্রধান নায়ক নায়িকা! বিপাকে প্রোডাকশন হাউজ!

সুইটির ব্যবহারে রেগে গেল পর্ণা

আসল ঘটনাটা হলো, সবাই মিলে প্ল্যান করে সুইটিকে ফাঁসাতে জন্য পুঁটিকে সুইটির কাছে পাঠিয়ে দেয়। সুইটিকে ইচ্ছে করে বিরক্ত করে পুঁটি আর তার ফলেই সুইটি তাকে মারতে উদ্যত হয়। যেই সুইটি পুঁটিকে মারতে যায় তখনই তাকে বাধা দেয় পর্ণা। সে বলে একটা বাচ্চার গায়ে কখনো হাত তুলতে নেই। কিন্তু সুইটি মারাত্মক রেগে গেছে। সে পর্ণাকে বলে, বাইরের মেয়ে বাইরের মেয়ের মতন যেন সে থাকে। বাড়ির ব্যাপারে যেন সে মাথা না গলায়। কথাটা বেশ খারাপ লাগে পর্ণার।

 

Back to top button