নিজের মুখে সত্যিটা স্বীকার করল নিলু! মুখ ফিরিয়ে নিলো সৌর্য, জোর করে অনির্বাণের ঘরে ঢুকে পড়লো রাই

বর্তমানে বেশ টানটান উত্তেজনায় ভরে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকটি। কি হবে শেষ পর্যন্ত! কীভাবে অনির্বাণের যাওয়াটা আটকাবে রাই? সেটা দেখার জন্য অধীর আগ্রহে বসে রয়েছে দর্শক মহল। ধীরে ধীরে এই ধারাবাহিকের টিআরপি ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। এই ধারাবাহিকের প্রধান নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী আরত্রিকা মাইতি।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, অনির্বাণের বোন সর্মি নিজের দাদাকে কলকাতা ছেড়ে চলে যাওয়ার থেকে আটকাতে এবং দাদার জীবনে তার ভালোবাসাকে ফিরিয়ে দিতে নিজের উদ্যোগে রাইয়ের সাথে দেখা করে। কিন্তু রাই গোটা বিষয়টা না বুঝেই ভীষণ রেগে যায়। সে অনির্বাণকে ফোন করে বলে, তার চলে যাওয়ার জন্য কোন রকম ভাবে যেন রাইকে দোষারোপ করা না হয়।

মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ২২ মে (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 22 may)

স্রোতের কথায় রেগে গেলো সার্থক

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, স্রোতকে দেখা মাত্রই আবার বকাবকি শুরু করে দেয় সার্থক। স্রোত কেন পড়তে বসেনি, কেন বিয়ের বাড়িতে এসেছে, এই নিয়ে একাধিক কথাবার্তা শোনাতে থাকে সে। স্রোত তখন সার্থককে বলে, বারবার কাউকে আঘাত করতে থাকলে তার অনেক খারাপ লাগে যেমনটা তার বাবার লেগেছে। সার্থক সব সময় তার বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে আর ওদিকে স্রোত নিজের বাবাকে হারিয়ে ফেলেছে। কাছের মানুষ থেকেও যারা সেই মানুষের মর্ম বোঝেনা তারা জীবনে ভালো থাকতে পারে না। এই বলে তাড়াতাড়ি করে সেখান থেকে চলে আসে স্রোত। তবে স্রোতের কথাগুলোতে প্রচন্ড রেগে যায় সার্থক।

মুখ ফিরিয়ে নিলো সৌর্য

এদিকে সৌর্য বাড়িতে ফিরতেই নিলুকে ডাকাডাকি করা শুরু করে। তখন সুচিস্মিতা আর ডোরা দুজন মিলে নিলুর মুখোশ টেনে খুলে দেয়। এতদিন ধরে মিথ্যা কথা বলে আসছে নিলু। ডোরা ডাক্তারকে ফোন করে সমস্ত সত্যিটা জানতে পেরেছে। সব শুনে ঘরে গিয়ে দরজা দিয়ে দেয় সৌর্য। নিলু তখন কান্নাকাটি করতে করতে বলে, একটা অনিশ্চয়তা থেকে সে এই ভুলটা করে ফেলেছে। কিন্তু সৌর্য কিছুই শুনতে চায় না। সে মনে মনে ভাবতে থাকে, রাইয়ের দেওয়া এই বোঝা সে আর টানতে পারছে না।

আরও পড়ুন: জি ছেড়ে এবার জলসায়! ‘মিঠাই’ খ্যাত অভিনেতা থাকছেন জলসার নয়া ধারাবাহিক উড়ান-এ!

দেখা করতে নারাজ অনির্বাণ

অন্যদিকে দেখা যায়, অনির্বাণের সাথে তার অফিসে দেখা করতে এসেছে রাই। কিন্তু অনির্বাণ কিছুতেই রাইয়ের মুখোমুখি হতে চায় না। রাই তাকে অনেক অপমান করেছে। তাই তার মুখ দেখতে চায় না সে। কিন্তু রাই এত সহজে হাল ছাড়ার পাত্র নয়। সে জানিয়ে দেয়, যদি স্যার দেখা না করে তাহলে সে নিজেই স্যারের ঘরে ঢুকে পড়বে। শেষ পর্যন্ত যখন অনির্বাণ দেখা করতে কোনভাবেই রাজি হয় না, তখন বাধ্য হয়ে জোর করে অনির্বাণের ঘরে ঢুকে পড়ে রাই।

Back to top button