বিয়ে বাড়িতে স্রোতকে দেখে চমকে গেলো সার্থক! সর্মির কথা শুনে অনির্বাণকে আটকাতে ছুটে গেল রাই!

একটা ক্ষমা অনেক কিছু বদলে দিতে পারে। ক্ষমা করাই মানুষের সব থেকে বড় গুণ। কিন্তু এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকটির নায়িকা রাই চেয়েও ক্ষমা করতে পারছে না নায়ক অনির্বাণকে। বর্তমানে ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব বেশ গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে দর্শক মহলের কাছে। টিআরপিতেও একটু একটু করে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে এই ধারাবাহিক। এখানে প্রধান নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে আরাত্রিকা মাইতিকে।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নিজের দাদার কষ্ট একেবারেই সহ্য করতে পারছে না অনির্বাণের বোন সর্মি। তার উপর সে যখন শুনেছে তার দাদা কলকাতা ছেড়ে এই কলকাতার অফিস ছেড়ে মুম্বাইয়ে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে তখন থেকে যেন আরো অস্থির হয়ে উঠেছে সর্মির মন। সে ঠিক করে এইবার তার সাথেই দেখা করবে, যার সাথে কথা বলে তার দাদা এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে।

মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ২১ মে (MithiJhora Today Episode 21 may)

রেগে গেলো রাই

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাইয়ের সাথে দেখা করে সর্মি। রাই যখন জানতে পারে সর্মি অনির্বাণের বোন, সে ভেবে নেয় তার দাদা অর্থাৎ অনির্বাণ সেনই নিজের বোনকে পাঠিয়েছে রাই এর কাছে। সর্মি অনেক ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করে রাই যেটা ভাবছে সেটা সম্পূর্ণ ভুল। কিন্তু রাই কিছুই বুঝতে চায় না। আর ভনিতা না করে সর্মি আসল কথায় আসে অর্থাৎ যে জন্য সে রাইয়ের সাথে দেখা করতে চেয়েছিল সেই কথাটাই বলে দেয় রাইকে।

আরও পড়ুন: জি বাংলার একাধিক ধারাবাহিকের সময় পরিবর্তন! কটার সময় আসবে আপনার পছন্দের ধারাবাহিক? আগাম জানুন

সর্মি বলে, তার কুট্টিদা অফিস ছেড়ে চলে যাচ্ছে এই কলকাতা ছেড়ে চলে যাচ্ছে। আর তার এই যাওয়ায় অফিসের অনেক কর্মচারী বিপদে পড়ছে। কারুর মা অসুস্থ কারণ বউ গর্ভবতী তাই তাদের পক্ষে মুম্বাই যাওয়াটা সম্ভব নয়। আর হঠাৎ করে এমন চাকরি পাওয়া যায় না। তাই সবাই ভীষণ চিন্তায় রয়েছে। যদি রাই একবার গিয়ে অনির্বাণকে ক্ষমা করে দেয় তাহলে সে হয়তো আর যাবে না কথাগুলো শুনে রাইয়ের মনে হয় এই সবকিছুর জন্য তাকেই দোষারোপ করা হচ্ছে। বাড়ি গিয়ে সে অনির্বাণকে ফোন করে সব কথা জানায় আর স্পষ্ট করে বলে এইসবের জন্য যেন তাকে দোষারোপ না করা হয়।

স্রোতকে দেখে অবাক সার্থক

অন্যদিকে বিয়ের বাড়িতে গিয়ে স্রোতের সাথে দেখা হয়ে গিয়েছে সার্থকের বাবার। অনেকক্ষণ বেশ গল্প করার পর নিজের বন্ধুদের সাথেই কথাবার্তা বলতে থাকে স্রোত। এমন সময় সেখানে প্রবেশ করে সার্থক। তাকে দেখে বেশ ভয় পেয়ে যায় স্রোত কারণ সার্থক যে কোন জায়গায় স্রোতকে অপমান করতে পারে। আর এখানে সে কোন রকম অপমানিত বা অসম্মানিত হতে চায় না কারণ সার্থক তার বন্ধুর দাদা। এদিকে বিয়ের বাড়িতে স্রোতকে দেখে সার্থকও বেশ অবাক হয়।

Back to top button