কাঁকনের বুদ্ধি দেখে অবাক মেনান! দিব্যার চালেই তাকে মাত দিলো সে! সাধুদার কথায় চমকে গেলো জগদ্ধাত্রী!

মা হাল ছেড়ে দিলেও মেয়ে হাল ছাড়েনি। এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) অন্যতম জনপ্রিয়তা প্রাপ্ত ধারাবাহিক হচ্ছে জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। আর এখানে একটি অন্যতম প্রধান চরিত্র হলো কৌশিকী মুখার্জী। এই কৌশিকীর জীবনে উঠেছে এক দারুণ ঝড়। নিজের মায়ের জীবনটাকে আবার গুছিয়ে দিতে এবং বাবাকে ফিরিয়ে আনতে উঠে পড়ে লেগেছে কৌশিকীর ছোট্ট মেয়ে কাঁকন।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, উত্তীয়কে কৌশিকীর অফিসেই উচিত জবাব দেয় জগদ্ধাত্রী এবং এতদিনের করা সমস্ত অপমানের জন্য খুবই মারধর করে স্বয়ম্ভু। আর এদিকে, দিব্যা সেন আর সমরেশের বিয়ে আটকাতে ছদ্মবেশ ধারণ করে কাঁকন। মেনানের সাহায্যে সে মায়ের হারিয়ে যাওয়া সমস্ত সুখ শান্তি ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর।

জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব ১৯ মে (Jagaddhatri Today Episode 19 may)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কাঁকন মেনানকে নিতে চলে যায় ট্রাফিক সিগনালে। সেখানে গিয়ে সেখানকার সমস্ত গরিব দুঃখীদের এবং ভিক্ষুকদের আমন্ত্রণ জানায়। এখানে যত বাচ্চা ছিল সব্বাইকে বিয়েতে যেতে বলে কৌশিকীর মেয়ে। কার্ডও দেয় তাদের। এইটুকু বাচ্চা মেয়ের মনে এত মায়া দয়া দেখে রীতিমত মুগ্ধ হয়ে যায় মেনান। সবাইকে নিয়ে আনন্দ করে বিয়েতে খাওয়া দাওয়া করতে যেতে বলে কাঁকন।

বৈদেহিকে উচিত জবাব দিলো স্বয়ম্ভু

জগদ্ধাত্রী আর স্বয়ম্ভু বাড়ি ফিরে দেখে তাদের বাড়িতে এসেছে বৈদেহি মুখার্জী আর শকুন্তলা। তারা দুজনে নানা রকম ভাবে জগদ্ধাত্রী আর স্বয়ম্ভুকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে তারা কতটা অসহায়। তাদের কাছে কিচ্ছু নেই। তাদের আসন্ন সন্তানকে কিভাবে বড় করবে আর কি খাওয়াবে পড়াবে সেই নিয়েও কোন নিশ্চয়তা নেই। তাদের অবস্থা এতটাই খারাপ যে একটা বাড়ি ভাড়া অবধি তারা নিতে পারে না। জগদ্ধাত্রী আর স্বয়ম্ভু তাদেরকে বলে, তারা যেখানে আছে খুব ভালো আছে। তাদের কোন সমস্যা হচ্ছে না। আর একদিন সমস্ত সত্যিটা প্রমাণ করে ওই বাড়িতে গিয়ে উঠবে তারা।

আরো পড়ুন: “যারা সত্যি ভালবাসে তারা খারাপ সময় পাশে থাকে”- কাছের মানুষের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অভিনেত্রী! ছবি থেকে ব্যক্তিগত জীবন সবমিলিয়ে খোলামেলা আড্ডায় মনামী

জগদ্ধাত্রীর নিশারায় উৎসব!

এরপর দেখা যায় সাধুদা জগদ্ধাত্রীকে ফোন করে এমন একটা তথ্য দেয় যেটা শুনে বেশ চমকে যায় ধারাবাহিকের নায়িকা। তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়ে কাজে। সে যে রাস্তা দিয়ে গুন্ডাদের ধাওয়া করেছিল সেখানেই ছিল উৎসব আর মেহেন্দি। তারা ভাবে জগদ্ধাত্রী বোধ হয় তাদেরকেই মারতে ছুটছে। মেহেন্দি বারবার জগদ্ধাত্রীকে দোষারোপ করে। আর জগদ্ধাত্রী বোঝানোর চেষ্টা করে সে উৎসবকে মারার জন্য ছুটছিল না।

Back to top button