অপরাজিতার অপমানের যোগ্য জবাব দিলো শ্যামলী! ডিভোর্স পেপারে সই করতে নারাজ অনিকেত!

মানুষ অনেক কিছুই সহ্য করে নিতে পারে। অনেক সময় প্রতিবাদ করার উপায় থাকে না। কিন্তু সহ্য করতে করতে যখন দেয়ালে পিঠ থেকে যায় তখন তাকে ঘুরে দাঁড়াতেই হয়। একইভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলী। এই চরিত্রটি অল্প কিছুদিনের মধ্যেই মন জয় করে নিয়েছে দর্শকদের। অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে শ্বেতা ভট্টাচার্যকে।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, নিজের ভালোটা পাগলেও বোঝে কিন্তু অপরাজিতা তার থেকেও অধম হয়ে গিয়েছে। নিজের জায়গা ধরে রাখার লোভ তাকে এতটাই ঘিরে ধরেছে যে, সে ছেলের ভালো-মন্দের ফারাকটাও বুঝতে পারছে না। তাই শুধুমাত্র নিজেকে সবার উপরে রাখতে আর নিজের পরিবারকে নিজের হাতের মুঠোয় রাখতে শ্যামলীকে তাড়াতে উঠে পড়ে লেগেছে অপরাজিতা।
সবার কথা শুনে চিন্তায় পড়লো অনিকেত
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনিকেতকে তার দুই দাদু অর্থাৎ ফনী দাদু আর মনি দাদু দুজন মিলে খুব বকাবকি করে। দুজনেই বলে, শ্যামলী তাদের এত বড় উপকার করেছে, সে এই সংসারটাকে কতটা ভালোবাসে আর তাকেই কিনা এত বড় অসম্মানের শিকার হতে হলো? আর এই বাড়ির কিছু মানুষ এতটাই পন্ডিত হয়ে গিয়েছে যে বড়দের সম্মান করতে ভুলে গিয়েছে। তাদের সাথে কিছু আলাপ-আলোচনা করার প্রয়োজনটুকুনিও তারা বোধ করছে না। এ কেমন শিক্ষা? অনিকেতের থেকে এটা মোটেই আশা করেনি তারা। যদিও শ্যামলী জানায় সে সইটা নিজের ইচ্ছায় করেছে তাই স্যারকে যেন কেউ না বকাবকি করে।
ডিভোর্স পেপারে সই করলো না অনিকেত
এরপর অনিকেত নিজের ঘরে চলে যায় আর দাদুর বলা কথা শুলো ভাবতে থাকে। অনিকেত ভেবে দেখে তারা সবাই ঠিক কথা বলছে। শুধুমাত্র মামনির কথায় অনিকেত অনেক বড় একটা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে নিজের জীবনে। এরপর অপরাজিতা এসে অনিকেতকে আবার জোর করা শুরু করে কারণ সে এখনো পেপারে সই করেনি। কিন্তু অনিকেত কিছুতেই সইটা করতে চায় না। সে বলে তার সময় লাগবে। সূর্য বুঝতে পারে অনিকেতকে জোর করা হচ্ছে। সে তখন পরিস্থিতি সামাল দিতে তাকে অফিসে পাঠিয়ে দেয়। অনিকেত এই সুযোগে সই না করে তাড়াতাড়ি সেখান থেকে চলে যায়।
আরও পড়ুন: সার্থকের সাথে আবার স্রোতের ঝামেলা বাঁধালো প্রিয়াঙ্কা! বউমনির কথায় নিজের ভুল বুঝতে পারলো রাই!
অপরাজিতাকে যোগ্য জবাব দিলো শ্যামলী
অফিসে গিয়ে সে দেখে কাজটা খুবই সামান্য। সে শ্যামলীকে বলে এটার জন্য তাকে বলার দরকার নেই। শ্যামলী তখন বলে, সে অযোগ্য প্রমাণিত হয়েছে তাই শ্যামলী বুঝতে পারছে না কোনটা উচিত আর কোনটা অনুচিত। সকাল থেকে অনেক কিছু খায়নি। শ্যামলী তার জন্য খাবার নিয়ে যেতেই অপরাজিতা আর অপলা তাকে বাধা দেয়। শ্যামলী বলে, এখনো সে তার স্ত্রী। আর অভুক্তকে খাওয়ানোটা তার দায়িত্ব। এই কাজে তাকে কেউ বাধা দিতে পারবে না। এই বলে অনিকেতকে খাবার দিয়ে আসে শ্যামলী।

