দত্ত বাড়ি জোড়া লাগানোর উপায় পেয়ে গেল পর্ণা! তার সাথে হাত মেলালো অখিলেশ! আত্মসম্মান বাঁচাতে বেরিয়ে এলো বর্ষা

বিয়ের পর অনেক মেয়ে শুধুমাত্র পরিবারের কথা ভেবে স্বামীর হাতের মার খেয়েও নিজের শশুর বাড়িতেই পড়ে থাকে। নিজের সমস্ত আত্মসম্মান জলাঞ্জলি দিয়ে মুখ বুজে সব সহ্য করে নেয়। কিন্তু জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের অন্যতম প্রধান চরিত্র বর্ষা এমনটা করেনি। চলতি সপ্তাহে এই ধারাবাহিকটি বেঙ্গল টাপার এর জায়গা দখল করেছে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা ফিরে এসেছে দত্ত বাড়িতে। সে বেশ কিছুদিন ধরেই বুঝতে পারছিল দত্ত বাড়িতে কিছু একটা সমস্যা চলছে, যেটা বাড়তে দেওয়া যাবে না। এই বিবাদ বাড়লে হিতে বিপরীত হতে পারে। কিন্তু সে একটু দেরি করে ফেলে আসতে। নায়িকার আসার আগেই ভাগ হয়ে যায় দত্তবাড়ি। এখন ঠাম্মিকে এই দত্তবাড়ি পুনরায় জোড়া লাগানোর কথা দেয় পর্ণা।

পর্ণার কথা শুনল না সৃজন

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা এসে এই সমস্ত দেখে বেশ অবাক হয়ে যায়। ঘরে গিয়ে এইসবের শুরুটা কোথা থেকে হয়েছিল সেটা সৃজন এর কাছে জানতে চায় সে। কিন্তু সৃজন কিছুই বলতে চায় না। বারবার নায়িকার কথা এড়িয়ে যায় সৃজন। সে শুধু এইটুকু বলে, যেটা হয়েছে ভালোর জন্যই হয়েছে। ভাগ যখন হয়ে গেছে আর জোড়া লাগানোর কোন দরকার নেই। ঠিক সেই সময় পর্ণা খেয়াল করে বাইরে থেকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সুইটি সমস্ত কথা শুনছে। সে আরি পারছে কেন সেটা জিজ্ঞাসা করলে সুইটি বল সে চা দিতে এসেছিল। এরপর চা দিয়ে তাড়াতাড়ি মৌমিতার কাছে গিয়ে ইশাকে ফোন করে সমস্তটা জানায় সুইটি। ইশা বলে এবার থেকে খুব সাবধানে চলতে হবে নইলে সবটা ফাঁস হয়ে যাবে।

জেঠুর থেকে সব শুনে চমকে গেলো পর্ণা

পরের দিন সকাল হতেই জেঠুর দোকানে যাওয়ার রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে পর্ণা। সে জেঠুর কাছে সবটা জানতে চায়। জেঠু কিছু না বলতে চাইলে কান্নাকাটি শুরু করে দেয় ধারাবাহিকের নায়িকা। তখন বাধ্য হয়ে জেঠুর সমস্ত ঘটনা খুলে বলে। পর্ণা বোঝানোর চেষ্টা করে এই সমস্ত কিছু চক্রান্ত। কারণ তার শাশুড়ি মা তার সাথে যা কিছু করুক না কেন, জেঠুর সঙ্গে কখনো এমন কিছু করার কথা ভাবতেও পারে না। কিন্তু জেঠু কিছু না শুনেই সেখান থেকে চলে যায়।

আরো পড়ুন: নিজের অজান্তেই অনির্বাণকে ভালোবেসে ফেলল রাই! গোপনে স্রোতের যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিল সার্থক!

পাকাপাকি ভাবে নিজের বাড়ি ফিরে এলো বর্ষা

এদিকে অর্ণব দরজা খুলে বর্ষাকে বলে, আবার যদি সে এরকম বাড়াবাড়ি করে তাহলে আবার মার খেতে হবে। বর্ষা তখন ব্যাগ পত্র গুছিয়ে বেরিয়ে আসে আর বলে, সে আর এই বাড়িতে থাকবে না। এমন মার খেয়ে আত্মসম্মান মাটিতে মিশিয়ে দিয়ে সে কিছুতেই তার শ্বশুরবাড়িতে পড়ে থাকতে পারবে না। নবনীতা অর্ণবকে বলে বর্ষাকে আটকানোর দরকার নেই। যেমন করে গেছে ঠিক তেমন করেই ফিরে আসবে। বাড়ি ফিরে কৃষ্ণাকে সবটা খুলে বলতেই, কৃষ্ণা বর্ষার পাশে না থেকে তারই দোষ খোঁজে। বর্ষা বলে সে এই বাড়ি থেকে কোথাও যাবে না।

Back to top button