শ্যামলীর পায়ে হলুদ লাগাতেই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলো অপরাজিতা! অনিকেতের কথায় আনন্দে নেচে উঠল শ্যামলী!

Kon Gopone Mon Bhesechhe Today Episode 9 May: মনের জোর আর ভালো মানসিকতা দিয়ে সব কিছু করা সম্ভব। এখন জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় জমে উঠেছে শ্বেতা ভট্টাচার্য এবং রনজয় বিষ্ণুর অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। বর্তমানে ধারাবাহিকটি টিআরপি তালিকায় বেশ ভালো একটা জায়গা দখল করে রেখেছে।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, অপরাজিতা আর সূর্য মনে প্রাণে চাইছে তিস্তার সাথে তাদের ছেলে অনিকেতের বিয়ে দিতে। শ্যামলীও এই বিষয় কিছু বলেনি কারণ সে স্যার এর উত্তর জানতে চায়। আর এদিকে বেশ সমস্যায় পড়েছে ধারাবাহিকের নায়ক অনিকেত। কারণ সে কিছুতেই বুঝে পাচ্ছে না তার ঠিক কি করা উচিত।
শ্যামলীর ব্যথায় মলম লাগালো অনিকেত (Kon Gopone Mon Bhesechhe Today Episode 9 May)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, নাচ করতে গিয়ে কিছু কারণবশত শ্যামলী তার পায়ে চোট পায়। এটা দেখে সবাই খুব ভয় পেয়ে যায় কারণ তাকে অনেক গুলো নাচ করতে হবে। গোটা অনুষ্ঠান করে তার ভূমিকা অনেক খানি। ব্যথা কমানোর জন্য অনিকেত হলুদ নিয়ে আসে আর শ্যামলীর পায়ে লাগিয়ে দেয়। শ্যামলী প্রথমে অনিকেতকে পায়ে হাত দিতে বারণ করলেও স্যার এর কথার উপর আর কিছু বলতে পারেনা। এই ঘটনা দেখা মাত্রই সবটা অপরাজিতার কারে তোলার জন্য সেখান থেকে চলে যায় তৃষা।
নাচে গানে ভরে উঠলো জোড়া বাড়ি
এরপর শুরু হয় অনুষ্ঠান। এক এক করে জোড়া বাড়ির প্রত্যেক সদস্য সুন্দর করে নাচ গান আবৃত্তি পরিবেশন করে। শ্যামলীর নাচ গান নাটক সব কিছুই সেখানে থাকা প্রত্যেকটি সদস্যকে মুগ্ধ করে। যদিও শ্যামলের কোন কিছুই পছন্দ হয় না অপরাজিতার। এরপর প্রত্যেক বারের মতন একসাথে সব ভাই এর গান গাওয়ার পালা আসে। কিঞ্জল না থাকায় অনিকেতের গান করতে খুব কষ্ট হয়। কিন্তু শ্যামলী তাকে ভরসা যোগায়।
আরও পড়ুনঃ দশ বছরের স্মৃতি ভুলল পর্ণা! আবার পর্ণা-সৃজনের বিয়ে! প্রথম থেকে ‘নিম ফুলের মধু’! আলোকপর্ণার দ্বিতীয় ইনিংস আনছে জি বাংলা
শ্যামলীকে ধন্যবাদ জানালো অনিকেত
অবশেষে সুন্দরভাবে জোড়া বাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী উৎসব সম্পন্ন হয়। গোটা পাড়া খুব আনন্দ করে এই উৎসবে। এরপর শ্যামলী ঘরে এসে খোপার মালাটা খুলতে খুলতে অনিকেতের কথা ভাবতে থাকে, ঠিক সেই সময় ঘরে আসে অনিকেত আর সব কিছুর জন্য ধন্যবাদ জানায় শ্যামলীকে। অনিকেত বলে, “আপনি না থাকলে এই অনুষ্ঠানটা হতো না। আমিও আমার ভাই এর উপস্থিতি এভাবে বুঝতে পারতাম না।” শ্যামলী বলে, সে যে এই বাড়ির জন্য কিছু করতে পেরেছে এবং স্যারের জন্য কিছু করতে পেরেছ এতেই সে অনেক খুশি তার আর আলাদা করে কিছু প্রয়োজন নেই। অনিকেত ভাবে এই মেয়েটাকে সে কিভাবে চলে যাওয়ার কথা বলবে?

