অবশেষে জগদ্ধাত্রীর কাছে মুখ খুললো ডাক্তার ধীরাজ বাসু! বেরিয়ে এলো অনেক অজানা তথ্য! নতুন সূত্র পেয়ে গেল নায়িকা!

প্রথমে বাবার পরিচয় পাওয়ার জন্য অনেক লড়াই করতে হয়েছিল জি বাংলার (Zee Bangla) নাম্বার ওয়ান ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রীর (Jagaddhatri) নায়ক স্বয়ম্ভুকে। অনেক কষ্ট করে পিতৃপরিচয় অর্জন করেছিল সে। তারপর হঠাৎ করেই সমস্তটা কেমন যেন তছনছ হয়ে গেল। বর্তমানে মাতৃ পরিচয় নিয়ে সংশয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে স্বয়ম্ভু। ভীষণ করমের এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে দিন অতিবাহিত করতে হচ্ছে তাকে।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, এর আগে বহু জটিল কেস চুটকিতে সুরাহা করেছে জগদ্ধাত্রী ধারাবাহিকের নায়িকা। কিন্তু এই কেসটার তল সে কিছুতেই খুঁজে পাচ্ছে না। জীবনে প্রথমবার অন্যের চালে মাত হচ্ছে জগদ্ধাত্রী। নিজের শরীরে বেড়ে ওঠা সন্তান এবং অসম্ভব যন্ত্রণাদায়ক রোগ দুটো মিলিয়ে নাজেহাল জগদ্ধাত্রী বর্তমানে নিজের স্বামীর একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কান্নায় ভেঙে পড়লো স্বয়ম্ভু
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ভুল বুঝে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যায় স্বয়ম্ভু। কৌশিকী তাকে আটকানোর চেষ্টা করলেও সে দাঁড়াতে চায় না। কৌশিকী মুখার্জী জগদ্ধাত্রীকে জিজ্ঞাসা করে স্বয়ম্ভু কি সত্যি উর্মিলা দেবীর ছেলে নয়? জগদ্ধাত্রী বলে সে কিছু জানে না। আর এটা জানার জন্য তারা একটাই উপায় বের করে আর সেটা হল ডিএনএ টেস্ট। একমাত্র এই টেস্টের রিপোর্ট বলে দিতে পারে কে সত্যি বলছে আর কে মিথ্যে বলছে।
এদিকে বাড়ির প্রত্যেকের জেনে গিয়েছে স্বয়ম্ভুর মাতৃপরিচয় ভুয়ো। সবাই মিলে জগদ্ধাত্রীকে এই নিয়েই নানারকম কথা শোনায়। জগদ্ধাত্রী একবারের জন্যও স্বয়ম্ভুর হাত ছাড়ার কথা ভাবেনি। শেষ স্বয়ম্ভুকে বাড়ি ফিরিয়ে আনে আর বলে, কেউ তাদের পাশে থাকুক বা না থাকুক তারা দুজন দুজনার পাশে রয়েছে আর তাদের সাথে রয়েছে তাদের আসন্ন সন্তান। তাই এই মুহূর্তে তাদের অনেক দায়িত্ব। এত সহজে তারা ভেঙে পড়তে পারে না।
আরও পড়ুন: হাই বাজেটের নতুন ধারাবাহিকের সুযোগ পেয়ে মিঠি ঝোড়া ছাড়লেন প্রধান নায়ক! দুঃখের সুর দর্শক মহলে!
অবশেষে মুখ খুলল ধীরাজ বাসু
এদিকে জগদ্ধাত্রী অনেক ক্ষণ ধরে অনেক রকম কথাবার্তা বলার পর অবশেষে ডাক্তার ধীরাজ বাসু নিজের বয়ান দিতে রাজি হন। তিনি বলেন, সেদিন অপারেশন শেষ হওয়ার পর পাঁচ থেকে সাত মিনিটের জন্য তিনি অপারেশন থিয়েটারের বাইরে গিয়েছিলেন। তারপর তিনি যখন ফেরেন তখন দেখেন উর্মিলা দেবীর অবস্থা অনেকটাই খারাপ হয়ে গিয়েছে আর তারপর তিনি মারা যান। যখন তিনি ঘরে ছিলেন না তখন ওই ঘরে ছিল একজন নার্স এবং তারই একজন ডাক্তার সহকর্মী। সবটা শুনে জগদ্ধাত্রী বুঝে যায় তাকে ঠিক কোথা থেকে শুরু করতে হবে।

