কৃষ্ণা অখিলেশের বিবাদ বাঁধাতে ভয়ংকর পরিকল্পনায় মাতলো অয়ন মৌমিতা! অবশেষে ভেঙে গেল দত্ত পরিবার!

এই একান্নবর্তী পরিবার আজকালকার দিনে খুবই বিরল। এখন আর এমন একসাথে বেঁধে থাকার নিদর্শন পাওয়াই যায় না। তবে এতদিন অবধি এমন একটি যৌথ পরিবারের সর্বশ্রেষ্ঠ উদাহরণ হিসেবে নিজেদেরকে প্রমাণ করেছিল জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের দত্ত পরিবার। তবে এবার বোধহয় আর শেষ রক্ষা হলো না। এই পরিবারকে ভেঙেই ছাড়লো ধারাবাহিকের অন্যতম খলনায়িকা ইশা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণাকে কিছুদিনের জন্য ইশার পরিকল্পনা অনুযায়ী নারীদের ব্যবসা সম্পর্কিত বিষয় উদ্বুদ্ধ করতে এবং হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিতে রাজ্যের বাইরে যেতে হয়। এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়েই অয়ন মৌমিতা ইশা আর পদ্ম অর্থাৎ সুইটি সবাই মিলে এই দত্ত বাড়িকে ভেঙে ফেলার একটি দারুণ পরিকল্পনা বের করে। তারা নিশ্চিন্তে তাদের কাজ করতে পারে কারণ এই সময় তাদেরকে বাধা দেওয়ার কেউ নেই।

নীম ফুলের মধু আজকের পর্ব (Neem Fuler Modhu Today Episode 8th May): 

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অয়ন শুরু করে দিয়েছে তার খেলা। অখিলেশ অর্থাৎ জেঠু অনেকক্ষণ ধরেই কৃষ্ণার কাছে তার স্নান করার গরম জল চাইছিল। কৃষ্ণা সেই গরম জল এনে অখিলেশকে দিতেই অয়ন এসে তার বাবার মন কিছুক্ষনের জন্য অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেয়। আর সেই সুযোগে সুইটি, গরম জলের জায়গায় ঠান্ডা জল রেখে দেয়। যার ফলে অখিলেশ স্নান করার সময় প্রচন্ড রেগে যায় আর কৃষ্ণার সঙ্গে এক চোখ রাগারাগি শুরু হয়ে যায়।

ইশার বুদ্ধিতে ছিঁড়ে গেল দত্ত বাড়ির সুতো

শুধু এই একটা ঘটনাতেই থেমে থাকেনি তারা। ভাত খেতে বসে অখিলেশের পাতে লেজা দিয়ে দেয় কৃষ্ণা। এদিকে বাজার থেকে ওই দিন কোন লেজা আসেনি। কৃষ্ণা বুঝতে পারেনা সেটা কোথা থেকে এলো। এদিকে জেঠু প্রচন্ড রেগে যায়। সে বলে, “তুমি কি আমাকে লেজা খাইয়ে গলায় কাঁটা বিধিয়ে মারতে চাইছো এই বয়সে?” এই বলে খাবার ছেড়ে উঠে চলে যায়। রাত্রিবেলা জেঠুর খাবারে এতই কাঁকর থাকে যে সে গোটা ভাতের থালা কৃষ্ণার পায়ে ছুঁড়ে দেয়।

আরও পড়ুন: সার্থকের প্রশংসা শুনে অবাক হয়ে গেল স্রোত! সত্যিটা জানা মাত্রই নিলুকে ত্যাগ করলো সৌর্য!

ভাগ হচ্ছে দত্ত পরিবার

এই সমস্ত কাণ্ডকারখানা দেখে ঝামেলা বেধে যায় অয়ন আর সৃজনের মাঝে। এরপর সুইটি আর অয়ন দুজনে যথাক্রমে কৃষ্ণা আর অখিলেশকে বোঝায়, এই বাড়ি ভাগ হয়ে যাওয়াই ভালো নইলে যতদিন যাবে তত সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। তখন সবাই মিলে ঠাম্মির কাছে বাড়ি ভাগের অর্জি জানায়। ঠাম্মি তখন মনে মনে ভাবে কবে যে তার নাত বউটা ফিরবে। সে যতক্ষণ না ফিরবে ততক্ষণ এই বাড়ির মানুষগুলোকে কিছুতেই শান্ত করা যাবে না।

Back to top button