রঞ্জন দার কাছে যেতেই নিজেকে বাঁচানোর উপায় পেয়ে গেলো রাই! সার্থকের বাবার কথা শুনে অবাক হয়ে গেলো প্রিন্সিপাল

Mithijhora Today Episode 6 May: বিপদের সময় মাথা ঠান্ডা রেখে বুদ্ধি করে চলতে পারলে অনেক বিপদের হাত থেকেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তাই এই মুহূর্তে খুব মেপে মেপে পথ চলছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। জমে উঠেছে এই ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব। এখন দর্শকরা অপেক্ষা করে রয়েছেন কখন উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করবে রাই সেটা দেখার জন্য।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, এক ভয়কর বিপদের সম্মুখীন হয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। তার অফিসের বস সুদীপ্ত তাকে টাকা চুরির কেসে খুব বাজে ভাবে ফাঁসিয়ে দেয়। এই নিয়ে থানা পুলিশ অবধি হয়। রাই অনির্বাণের কাছ থেকে একদিন সময় চেয়ে নেয় নিজেকে প্রমাণ করার জন্য। যদিও এই সিদ্ধান্তে একেবারেই সম্মতি ছিল না সুদীপ্তর, কারণ যত দেরি হবে তার ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। কিন্তু রাইয়ের প্রতি অনির্বাণের বিশ্বাস রাইকে এই সুযোগটা করে দিয়েছে।

স্রোতকে দেখে অবাক সার্থক (Mithijhora Today Episode 6 May)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, স্রোত প্রচন্ড চিন্তায় পড়ে গেছে। সে তার বন্ধুদের বলছে তার খুব পেটে ব্যথা করছে আর ভয় করছে। সে বোধহয় কিছুই ঠিকঠাক মতো করে করতে পারবে না। তারপর সার্থক স্যার তার ওপর যেভাবে চড়াও হয়, এদিক থেকে ওদিক হলেই যেভাবেই তাকে কথা শোনায় তাতে তার ভয়টা আরও দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। এসব শুনে স্রোতের বন্ধুরা বলে সে যেন একেবারে ভয় না পায় কারণ প্রত্যেকে তার পাশে রয়েছে। তারা প্রত্যেকে বিশ্বাস করে স্রোত ঠিক সফল হবে। এই বলে তারা সেখান থেকে চলে যায়।

কিছুক্ষণ পর সেখানে আসে সার্থক। সার্থক যখনই ঘরে ঢুকতে যায় ঠিক তখনই স্রোত ঘর থেকে বেরোয় আর দুজনের মধ্যে একটা ধাক্কা লেগে যায়। সার্থক আবার স্রোতের উপর চিৎকার করে। তখন স্রোত বলে এটা ভুলবশত হয়ে গিয়েছে তাই সে যেন সবসময় তাকে বকাবকি না করে। এদিকে স্রোতকে এতটাই সুন্দর লাগছিল যে সার্থক মনে মনে স্রোতের বেশ প্রশংসা করে কিন্তু মুখের ওপর কিছু বলতে পারেনা কারণ তার মনে হয় প্রশংসা করলে স্রোত আরো বেশি অহংকারী হয়ে যাবে। সে বলে, স্রোতের ওপর তার বিশ্বাস রয়েছে সে খুব ভালো নাচ করবে। সার্থকের মুখে প্রথমবার শুভকামনা শুনে অবাক লাগে স্রোতের। তবে মন থেকে সে আরো অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন: একরাশ প্রতিহিংসা নিয়ে অবশেষে ফিরলো কিঞ্জল! ফিরেই শ্যামলীর ক্ষতি করতে উঠে পরে লাগলো সে!

রাইকে দারুন বুদ্ধি দিল রঞ্জন

এদিকে রায় চলে এসেছে তার রঞ্জনদার কাছে। ইনি হলেন রাইয়ের বাবার অত্যন্ত কাছের বন্ধু যাকে এক সময় রায়ের বাবা অনেক সাহায্য করেছে। তাকে সমস্যাটা খুলে বলে রাই। সব শুনে রঞ্জনদা বলেন, এখন একদম হঠকারিতা করা চলবেনা। শান্তভাবে সবটাকে সামলাতে হবে। রাই বলে, তার কাছে মাত্র একদিন সময় আছে এরপর হয়তো তাকে পুলিশে ধরে নিয়ে চলে যাবে। রঞ্জন দা বলে, এমন কিছুই হবে না। এইবার ওই সুদীপ্তকে শাস্তি দেওয়ার পালা। এমন একটা পরিকল্পনা করবে সে যায় ওই সুদীপ্ত নিজের জালে নিজেই জড়িয়ে পড়বে।

Back to top button