তিস্তাই শ্যামলী জানতে পেরে ভীড়মি খেলো প্রিয়ার মা! শ্যামলীকে ফাঁসানোর নতুন প্ল্যান করে ফেলল তৃষা!

Kon Gopone Mon Bhesechhe Today Episode 4 May: এখন জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় জমে উঠেছে কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকটি। প্রত্যেক সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ১ থেকে ৫ এর মধ্যে জায়গা করে নিচ্ছে এই ধারাবাহিক। এখানে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন রনজয় বিষ্নু এবং শ্বেতা ভট্টাচার্য। এই জুটি ভীষণ পছন্দ করেন দর্শক মহল। যতদিন যাচ্ছে ধারাবাহিকটি আরও বেশি আকর্ষণীয় এবং মনোগ্রাহী হয়ে উঠছে।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শ্যামলী এখন করেছে মহা বিপদে। সে তিস্তা হয়ে অপরাজিতাকে বলেছে, তারা নিজের বাড়িতে ফিরে এসেছে। এটা শুনে অপরাজিতা তিস্তার সাথে দেখা করতে উঠে পড়ে লেগেছে। পাশাপাশি সে তিস্তার পরিবারের লোকজনদের সাথেও দেখা করতে চায়। যেটা শ্যামলীর কাছে এখন সবথেকে বড় চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে একটা উপায় বের করেছে প্রিয়া।

শ্যামলীকে দেখে অজ্ঞান হয়ে গেল অনিকেতের কাকিমা

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, প্রিয়া ঠিক করে সে তার মা এবং মামাকে তিস্তার বাড়ির লোকজন সাজিয়ে অপরাজিতার সামনে হাজির করবে। তাই কায়দা করে পুজো দেওয়ার বাহানায় তার মা মামা সবাইকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে প্রিয়া। সেখানে গিয়ে সে তার মা এবং মামাকে ঠাকুরের চরণ স্পর্শ করিয়ে প্রতিজ্ঞা করায়, তারা যেটা জানবে সেটা জেনে তারা কোনোভাবেই রাগ করবে না বা কাউকে কিছু বলবে না। এই সব কিছুতে রাজি হয়ে গেলে তিস্তা বেশে তাদের কাছে আসে শ্যামলী। আর তারপর নিজের মুখের ওড়নাটা খুলে সবাইকে নিজের আসল চেহারা দেখায়। যেটা দেখে রীতিমত অজ্ঞান হয়ে যায় প্রিয়ার মা।

আরও পড়ুনঃ আসল সত্যিটা জেনে গেল দেবু! রইলো জগদ্ধাত্রী ধারাবাহিকের আজকের পর্ব

অন্যদিকে দেখা যায়, শ্যামলী এখনো ফিরছে না দেখে ভীষণ চিন্তা করতে থাকে অনিকেত। আর এই সুযোগটাকেই কাজে লাগায় তৃষা। সে বলে, “শ্যামলী আবার অন্য কোথাও ডুবে ডুবে জল খাচ্ছে না তো? আমরাও কিন্তু স্কুল কলেজ বাংক করেছি। আর কেন করেছি সেটা আর আলাদা করে বলে দিতে হবে না। শ্যামলীও ওই দলের ভিড়লো নাতো?” অনিকেতের মধ্যে চিন্তাটা বাড়ছে ঠিক এমন সময় উপস্থিত হয় শ্যামলী ঠাম্নি কাকিমা প্রত্যেকে। এরপর ঠাম্মির কথায় অনিকেতের সমস্ত দুশ্চিন্তা দূর হয়।

শ্যামলীকে সাহায্য করতে রাজি হল তারা

অন্যদিকে রাজি হয়ে গিয়েছে প্রিয়ার মা এবং মামা। তাদেরকে নিয়ে রিহার্সাল শুরু করে প্রত্যেকে। প্রিয়ার মামা বলে, সে স্কুল টিচার সাজতে পারবে না ঠিকই তবে কাঠের ব্যবসায়ী সাজতেই পারে। অপরাজিতা এ নিয়ে বিশেষ কিছু জানেনা। এদিকে প্রিয়ার মায়ের ভীষণ ভয় করে কারণ একটু এদিক থেকে অধিক হলেই সবটা ধরে ফেলবে অপরাজিতা। ঠাম্মি আবার প্রিয়ার মায়ের মনের বল বাড়িয়ে দেয়। সে যে ভালো অভিনয় করে তার প্রশংসা করে প্রিয়ার মাকে আরো বেশি উৎসাহিত করে।

Back to top button