শ্যামলীর মিথ্যে কথা ধরে ফেলল অনিকেত! তিস্তার সাথে অনিকেতের বিয়ে ঠিক করলো অপরাজিতা!

নিজের ছেলেকে আঁচলে বেঁধে রাখতে এবং গোটা সংসারের দায়িত্ব সবসময় নিজের হাতে রাখতে একের পর এক ভুল করে চলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকটির নায়ক অনিকেতের মা অপরাজিতা। এই চরিত্রটি ইতিবাচক না নেতিবাচক সেটা বলা মুশকিল। নিজস্ব কোন চিন্তা ভাবনা এবং দৃষ্টিভঙ্গি নেই তার। তাকে যখন যে যা বোঝায় সে সেটাই বুঝে নেয়। বর্তমানে ধারাবাহিকটি টিআরপি তালিকায় তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শ্যামলী জোড়া বাড়ির মুখ উজ্জ্বল করেছে। বাড়ির ছেলে যখন কুলাঙ্গারের মতন নিজেদের কোম্পানির টাকা চুরি করে কোম্পানিকে ডোবাতে চেয়েছে, তখন একটা বাইরের মেয়ে হয়ে শ্যামলী তাদের দ্য গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটারারকে আলোর পথ দেখিয়েছে। এর পুরস্কার হিসেবে একটা সুন্দর সন্ধ্যে কাটানোর জন্য শ্যামলীকে নিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে যায় অনিকেত। তারা একসাথে নাচও করে। এসব কিছুতেই সহ্য করতে পারেনা অপরাজিতা।

বাড়ি ভাড়া খুঁজতে এসে বিপাকে শ্যামলী

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শ্যামলী ঠাম্মি সবাই মিলে চলে এসেছে একটা বাড়ি ভাড়া নিতে। ২ ঘন্টার জন্য তাদের বাড়ি ভাড়া চাই। ওই বাড়িটাকেই তিস্তার বাড়ি বলে চালাবে তারা। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পায় বাড়ির গিন্নি প্রচন্ড রেগে রয়েছে। কারণ তার শ্বশুর মশাই কিছুই খেতে চাইছেন না। সকাল থেকে চিৎকার চেঁচামেচি লেগেই রয়েছে। এটা দেখে শ্যামলীর মাথায় একটা বুদ্ধি আসে। সে নিজে ওই মহিলার শ্বশুর মশাইকে ডালিয়া রান্না করে খাওয়ায়। খাওয়া দাওয়া করে শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়ে তার শশুর মশাই যেটা দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে ওই বাড়ির গিন্নি।

এর মাঝেই আবার শ্যামলীকে ফোন করে অনিকেত। কিন্তু সে কিছুতেই অনিকেতকে সত্যি কথাটা বলতে পারেনা। যেটা দেখে আবার একটু সন্দেহ হয় বাড়ির গিন্নির। কিন্তু শ্যামলী তার এত বড় উপকার করেছে দেখে সে শ্যামলীকে বাড়ি ভাড়া দিতে রাজি হয়ে যায়। শ্যামলী বলে এর বদলে সে তাকে এমন সব রান্না শিখিয়ে দেবে যাতে তার শশুর মশাই সারাদিন ওটস ডালিয়া এসবই খেয়ে থাকে আর ফ্রাইড রাইসের কথা একেবারে ভুলে যায়। এটা শুনেই খুব খুশি হয়ে যায় সেই ভদ্রমহিলা। এরপর কথাবার্তা পাকা করে বাড়িতে ফিরে আসে তারা।

আরো পড়ুন: একসাথে বাদ পড়লো নিম ফুলের মধুর একাধিক চরিত্র! মন খারাপ ভক্তদের এর কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও!

তিস্তার সাথে পাকা কথা বলতে চায় অপরাজিতা!

ঠিক তখনই শ্যামলীকে ফোন করে অপরাজিতা। আসলে শ্যামলী নয় অপরাজিতা ফোন করেছে তিস্তাকে। অপরাজিতা যখন জিজ্ঞাসা করে তিস্তা এখন কোথায়, শ্যামলী ভুলবশত বলে ফেলে সে বাড়িতে ফিরে এসেছে। যেটা শোনা মাত্রই খুব খুশি হয়ে যায় অপরাজিতা। সে বলে পরশুদিন সে তার সাথে দেখা করতে যাবে আর তিস্তার বাড়ির লোকজনও যেন উপস্থিত থাকে। এটা শুনে শ্যামলী কিছুতেই বুঝতে পারেনা তিস্তার বাড়ির লোকজনদের সাথে অপরাজিতার কি কথা থাকতে পারে। এসব না ভেবে সে কিভাবে সবটা সামলাবে এবং তার বাড়ির লোকজন কাকে সাজাবে এই নিয়ে ব্যস্ত হয়ে ওঠে। তখন প্রিয়া বলে সে তার মা এবং মামাকে এই বিষয়ে কাজে লাগাতে পারে।

Back to top button