জ্যাসের কাছে ধরা পড়ে গেলো উৎসব! উত্তীয়র অফারে লোভ সামলাতে পারল না চন্দ্রনাথ!

বেশ কষ্টকর এক সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিকের নায়িকা। প্রথমবার জীবনে মা হতে চলেছে সে। আর সেখানেও এক অনেক বড় বাঁধার সম্মুখীন হয়েছে জগদ্ধাত্রী। সে সন্তানকে পৃথিবীতে আনতে গেলে অনেক বড় পরীক্ষা দিতে হবে তাকে আর সেটা হলো সহ্যশক্তির পরীক্ষা। এই মুহূর্তে টিআরপি তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এই ধারাবাহিকের নাম। যতদিন যাচ্ছে ধারাবাহিকটি আরও বেশি রহস্যময় হয়ে উঠছে।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, জগদ্ধাত্রী এই যন্ত্রণাগুলো আর সহ্য করতে পারছে না। সে ভয় পাচ্ছে এর প্রভাব তার সন্তানের উপর পড়বে না তো? এর মাঝেই আবার উড়ে এসে জুড়ে বসেছে উত্তীও মুখার্জী। যে নিজেকে রাজনাথের ছেলে বলে দাবি করছে। জগদ্ধাত্রী বুঝে উঠতে পারছে না তাহলে স্বয়ম্ভুর কি হবে? তবে কি আবারো পিতৃহারা হয়ে পড়বে সে?
উৎসবের কারসাজি ধরে ফেললো জ্যাস
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সকাল সকাল মেহেন্দির সাথে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়লো জগদ্ধাত্রী। কথায় কথায় মেহেন্দি এটা বুঝিয়ে দিলো যে, সে বৈদেহি মুখার্জীর একমাত্র পুত্রবধূ। এর কিছুক্ষণ পর বাড়িতে এসে উৎসব। তার চোট লেগেছে দেখে বেশি সন্দেহ হয় জগদ্ধাত্রীর। কিভাবে চোট লেগেছে জিজ্ঞেস করলে উৎসব বলে সে লিফট থেকে পড়ে গেছে। এরপর জ্যাস দারোয়ানকে ফোন করে যাচাই করার চেষ্টা করে উৎসবকি আদৌ সত্যি বলছে! তার সাথে কথা বলে জগদ্ধাত্রী বুঝতে পারে সবটাই সাজানো গল্প।
উত্তীয়র কথায় অবাক চন্ধনাথ!
এদিকে দেখা যায় চন্দ্রনাথকে ফোন করেছে উত্তীয় মুখার্জী। সে তার সাথে কিছু গোপন কথা বলার জন্য দেখা করতে বলে। দেখা করে উত্তীয় বলে সে শেয়ার কিনতে চায়। এরপর সে বলে, “আমি আপনাকে ব্ল্যাংক চেক দেব, নিজের ইচ্ছামত যত খুশি টাকা বসিয়ে নেবেন। কিন্তু তার বদলে আপনাকে একটা সাহায্য করতে হবে। আমি কোম্পানির বোর্ড অফ ডাইরেক্টর্সে ঢুকতে চাই।” চন্দ্রনাথ জিজ্ঞাসা করে এতে তার লাভ কি, উত্তীয় বলে, স্বয়ম্ভুকে জালিয়াত প্রমাণ করা। চন্দ্রনাথ কৌশিকীকে ফোন করে জানতে পারে, জগদ্ধাত্রীর নামে যে শেয়ার লিখে দেওয়া হচ্ছিল সেটা আটকে দেওয়া হয়েছে। কথাটা শুনে ছেলেটার ওপর বিশ্বাস জন্মায় চন্দ্রনাথের।
আরও পড়ুন: হচ্ছে কিঞ্জল চরিত্রের মুখ বদল! জানালেন উদয়!কোন নতুন অভিনেতাকে দেখা যাবে এই চরিত্রে?
এদিকে দেখা যায় স্বয়ম্ভু সাধু দার কাছে এসে বলে, “জগদ্ধাত্রী এখন একটা বেশ কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই সময়ে ওর অনেক বেশি যত্ন নেয়া প্রয়োজন। তাই এই সময়টুকু যদি ওকে কোনরকম কাজ না দেওয়া হয় বা চাপ না দেওয়া হয় তাহলে খুব ভালো হতো।” সাধু দা তাকে জানায়, এই মুহূর্তে জগদ্ধাত্রীকে কোনো কেস দেওয়া হয়নি। এবার যদি জগদ্ধাত্রী নিজের থেকে কিছু করে তাহলে সেটা তার দায়িত্ব। এটা শুনে অবাক হয়ে যায় স্বয়ম্ভু। সে ভেবে পায় না জগদ্ধাত্রী এমন কি কাজ করছে যেটা সম্পর্কে তারা কেউ জানে না।

