তৃষার মুখে ঝামা ঘষে সফল হল শ্যামলী! অনিকেতকে আঁচলে বাঁধতে অপলার সাথে মিলে নতুন চাল চললো অপরাজিতা!
এখন জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় জমজমাট কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। বর্তমানে এই ধারাবাহিকটি টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচে অবস্থান করছে। এই মেগায় নায়িকার অভিনয় প্রত্যেকদিন নতুন করে মুগ্ধ করছে ভক্তদের। এখানে রণজয় বিষ্নু এবং শ্বেতা ভট্টাচার্যের জুটি ভীষণ পছন্দ হয়েছে দর্শক মহলের।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, এটা অনেক বড় ডিল পেতে পারে দ্য গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটারার। তবে তার আগে তাদেরকে তাদের পরিষেবা সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে একটা ছোট্ট উদাহরণ দিতে হবে। সেখানে বিভিন্ন খাবারের নাম ছবিসহ কয়েক লাইন দিয়ে তৈরি একটি প্রেজেন্টেশন দেখানোর চিন্তাভাবনা করেছে অনিকেত আর তৃষা। কিন্তু এতে সায় দেয়নি শ্যামলী। তার কিছু নতুনত্ব করার ইচ্ছে রয়েছে কিন্তু অনেকের তার ইচ্ছেটা শোনার প্রয়োজন মনে করেনি।
মন্ত্রীর মন জয় করলো শ্যামলী
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সেই প্রেজেন্টেশন দেখাতে গিয়ে কর্তৃপক্ষ তাকে জানায়, এর মধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই। কথাটা শুনেই অনিকেতের শ্যামলীর বলা কথাগুলো মনে পড়ে যায়। ঠিক তখনই সেখানে খাবার হাতে এসে হাজির হয় শ্যামলী আর তার সাথে থাকে গোটা জোড়া পরিবার। এরপর এক এক করে সমস্ত পদ মন্ত্রী সাহেবের সামনে সাজিয়ে দেয় শ্যামলী। সবটা দেখে একেবারে চমকে যায় মন্ত্রী মহাশয়। ভীষণ আনন্দ পায় এসব দেখে। এতক্ষণ ওই নির্জীব ছবি দেখতে দেখতে তার চোখ দুটো পচে গিয়েছিল। এরপর শ্যামলী সবকটা রান্নার এক এক করে পরিচয় করিয়ে দেয় মন্ত্রী মহাশয়কে। বাংলাদেশের মানুষজন ভর্তা খেতে খুব ভালোবাসে আর শ্যামলী যে সেই রুচি শীলতার দিকে নজর রেখেছে সেটা দেখে ভীষণ খুশি হয় মন্ত্রী।
এরপর চেটেপুটে একটা করে সবকিছু খেয়ে ফেলে মন্ত্রী মহাশয়। খাওয়ার পরে সে বলে, “এত অসাধারণ রান্না আমি এর আগে কখনো খাইনি। প্রত্যেকটা রান্নাই অসাধারণ। সকাল থেকে যা সহ্য করছি তারপর এই দারুন একটা খাওয়া-দাওয়া সত্যিই মনটা ভালো করে দিল। এই অনুষ্ঠানের দায়িত্বটা আপনারাই পাচ্ছেন। আর আমি যতদিন মন্ত্রী রয়েছি ততদিন অবধি এখানকার সমস্ত অনুষ্ঠানের দায়িত্ব আপনাদেরকেই দেওয়া হবে।” এটা শুনে ভীষণ খুশি হয়ে যায় শ্যামলী সহ গোটা পরিবার। মন্ত্রী যখন জানতে পারে এই সমস্ত রান্নার শ্যামলী করেছে তখন তিনি বলেন, শ্যামলীর হাত দুটো সোনায় মুড়িয়ে দেওয়া উচিত।
আরো পড়ুন: কীসের ভ’য়ে বিয়ে করছেন না সাহেব? গরম থেকে বাঁ’চতে ভক্তদের জন্য বিশেষ টিপস্ পর্দার অগ্নিভর!
এরপর বাড়ি ফিরেই তৃষা বলে, সে আর এসব সহ্য করতে পারছে না। তার এবার রীতিমতো ভয় লাগছে। যদি এরকমটাই চলতে থাকে তাহলে কিছুদিন পরে ওই কোম্পানিতে শুধুমাত্র শ্যামলী থাকবে আর কেউ না। অরুণাভ বলে তার আগেই তাদেরকে বড় কিছু একটা করতে হবে। এদিকে শ্যামলীকে নিয়ে গোটা বাড়ি জুড়ে হইচই চলছে। সবাই তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ কারণ সে না থাকলে এসব কিছুই সম্ভব হত না। সে যে এত বড় একটা উপকার করেছে তার জন্য তার একটা উপহার প্রাপ্য। তাই ঠাম্মি আর শ্যামলীর ননদরা অনিকেতকে বলে শ্যামলীকে রাত্রেবেলা কোথাও একটা খাওয়াতে নিয়ে যেতে। প্রথমটাই রাজি হতে না চাইলেও পরে রাজি হয়ে যায় অনিকেত। আর তার মুখ থেকে এসব শুনে আরো খুশি হয়ে যায় শ্যামলী।

