ধু’ন্ধু’মা’র প্রোমো! সুদীপ্তকে উল্টো চা’লে মাত’ করল রাই! অনির্বাণ এর কাছে তার আসল মু’খো’শটা টে’নে ছিঁ’ড়ে দিল সে!
এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিকে পরিণত হয়েছে মিঠিঝোড়া (Mithijhora) ধারাবাহিকটি। এই ধারাবাহিকের নায়িকাকে ভীষণ পছন্দ করেন দর্শক মহল। এখানে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি। তার স্পষ্টবাদী কথাবার্তা চালচলন সবটাই দর্শকদের এই ধারাবাহিকটি প্রতি আরো বেশি আগ্রহী করে তুলেছে। টিআরপিতে ও ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠছে এই মেগান
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই অনেক কষ্ট করে একটা চাকরি পায়। আর সেই চাকরিটা সে অনেক মন দিয়ে করার চেষ্টা করে। তার ঘরবাড়ি সমস্ত প্রতিবন্ধকতা দূর করে সে নিজের কাজে মন দেয়। কিন্তু তার জীবনে আবারো একটা উটকো ঝামেলা এসে হাজির হয় যার নাম সুদীপ্ত। এই সুদীপ্ত হলেন অনির্বাণ অর্থাৎ নায়িকার বসের বন্ধু। তার স্বভাব চরিত্র একেবারেই ভালো না। আর এইবার সেই সুদীপ্তর কুনজর পড়ে রাইয়ের দিকে।
কিন্তু রাই ভীষণ দৃঢ় চরিত্র সম্পন্ন একজন মেয়ে একজন মেয়ে। সে কোন কিছুতেই প্রলোভিত হয় না। তার কাছে নিজের আত্মসম্মান অনেক আগে। কোথাও আত্মসম্মান মর্যাদা নষ্ট হলে সে সেখানে আর থাকেনা। আর কখনো অন্যায়কে চুপ করে মেনে নিতে পারেনা রাই। সুদীপ্ত যখন দেখে এই মেয়েটাকে কোনভাবেই বাগে আনা যাচ্ছে না তখনই সে এমন একটা চাল চালে যাতে রাই এর চারিদিকে বদনাম রটে যায়। কিন্তু সুদীপ্ত হয়তো জানতো না রাই আর পাঁচটা মেয়ের মতন মুখ বুঝে থাকতে শেখেনি।
সম্প্রতি এই ধারাবাহিকের একটি নতুন প্রোমো ভিডিও সম্প্রচারিত হয়েছে। এখানে দেখা যাচ্ছে সুদীপ্ত একটা অনেক বড় চাল চেলেছে। রাই এর সমস্ত বার বারান্ত থামানোর জন্য সে চুরির দায়ে তাকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। সবাই ধরে নেয় এই চুরিটা রাই করেছে। সে পুলিশ অফিসারকে ডেকে রাইকে গ্রেফতার করতে বলে। পুলিশ অফিসার তখন রাইকে নিয়ে যেতে এলে রাই নিজের চাল চালে।
আরও পড়ুন: মু’খো’মু’খি ফুলকি ব’না’ম শালিনী, রোহিতকে পাওয়ার ল’ড়া’ই’য়ে কে শেষ হাসিটা হাসবে চ্যালেঞ্জের পঞ্চম দিনে?
ধারাবাহিকের নায়িকা বলে সব তদন্ত শুরুর আগে তার একটা জিনিস শোনানোর আছে। এই বলে নিজের ফোন বার করে রেকর্ড করা ভয়েসটা চালিয়ে দেয়। যেখানে স্পষ্ট শোনা যায়, সুদীপ্ত কোন এক ব্যক্তিকে বলছে, অনির্বাণ সেনকে এবার শেষ করে দিতে হবে। সে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না। এতগুলো টাকা কোথায় নয় ছয় হয়েছে সেটাও সে বুঝতে পারবে না। এটা শুনে অনির্বাণ বুঝে যায় রাই নির্দোষ। রাই অনির্বাণকে বলে, সে তার কথা রেখেছে।

