নতুন চমক, এলো ন’ক’ল উৎসব! স’ন্দে’হ ঢু’ক’লো রাজনাথের মনে! মু’খো’শের আ’ড়া’লে নতুন খে’লা’য় মা’ত’ল বৈদেহি!

ক্ষমতার লোভে মানুষ অন্ধ হয়ে যায়। তখন আর তাদের কাছে আপন পর, ভালো-মন্দ ছোট বড় এই কোন কিছুর বিভেদ চোখে পড়ে না। এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) নাম্বার ওয়ান ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রীতেও (Jagaddhatri) ঠিক এমন ভাবেই অন্ধ হয়ে গিয়েছে দেবু উৎসব মেহেন্দি। এর পেছনে রয়েছে আরও একজন ব্যক্তি যে আড়াল থেকে ভালো মানুষের মুখোশ পরে সমস্ত খেলাটাকে পরিচালনা করছে। এই মুহূর্তে টিআরপি তার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জগদ্ধাত্রী।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ধারাবাহিকের নায়িকা অর্থাৎ জগদ্ধাত্রী মা হতে চলেছে। তবে সুস্থ স্বাভাবিকভাবে মা হওয়ার যাত্রা উপভোগ করতে পারছে না সে। কারণ তার দেহে বাসা বেঁধেছে এক মুমূর্ষ রোগ। এই রোগ তাকে এবং তার সন্তানকে উভয়কে শেষ করে দিতে পারে। ডাক্তার তাকে জানিয়ে দিয়েছে, এই সন্তানটা নেওয়া মানেই তার কাছে অনেক বড় জীবনের ঝুঁকি। কিন্তু তাও জগদ্ধাত্রী নিজের সিদ্ধান্তে অনর। সে তার সন্তানের মুখ দেখে তবে নিজের অপারেশন করাবে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, গোটা মুখার্জী বাড়ি জগদ্ধাত্রীর বাচ্চা হওয়ার আনন্দে ভীষণ খুশি। বাড়ির অনেকেই জগদ্ধাত্রীকে ঘৃণার চোখে না দেখে ভালবাসছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো রাজনাথের স্ত্রী অর্থাৎ জগধাত্রীর সত শাশুড়ি মা বৈদেহি মুখার্জী। এই গোটা বিষয়টাকেই বেশ উপভোগ করছে জগদ্ধাত্রী। এই দিন দেখা যায় রাজনাথ নিজের নাতির নাম ঠিক করতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। একের পর এক নাম ঠিক করে চলেছে সে। যা শুনে সবাই অবাক।

এর মাঝেই রাজনাথ জগদ্ধাত্রী আর স্বয়ম্ভুকে বলে, কৌশিকী তাদের নামে সম্পত্তির একটা বিরাট অংশ লিখে দিচ্ছে। যাতে পরবর্তীতে তাদের কোন সমস্যা না হয়। কারণ এখন আর তারা একা নয়। এটা শুনে একটু হলেও বৈদেহি মুখার্জীর মুখটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। এরপর রাজনাথ নিজে স্বয়ম্ভুকে বুকে টেনে নেয়। যখন সবাই এই এত মান অভিমান পেরিয়ে এসে একাত্ম হওয়ার চেষ্টা করছে ঠিক তখনই রাজনাথের কাছে একটা ফোন আসে যেখানে তাকে বলা হয়, সে যেন এক্ষুনি পানিহাটি চলে আসে উর্মিলার বাড়িতে।

আরও পড়ুন: মা হয়ে বুবাইকে স’র্ব’না’শের মুখে ঠেলে দিল মৌমিতা, বি’প’দ বুঝে সব দো’ষ পর্ণার ঘা’ড়ে চা’পা’লো অয়ন, পুঁটির কথায় বি’পা’কে মৌমিতা!

সেখানে গিয়ে স্বয়ম্ভুর বয়সী একটি ছেলে রাজনাথকে বলে, সন্তান প্রসব করার পর উর্মিলাকে খুন করা হয়েছিল। আর সেই খুনের রিপোর্ট পুলিশের কাছে রয়েছে। আর এই খুনটা করেছিল মুখার্জী পরিবারের কেউ একজন। আর স্বয়ম্ভু তাকে ঠকাচ্ছে। এসব শুনে এত দিনকার সমস্ত ছবি কেমন যেন গুলিয়ে যেতে থাকে রাজনাথের মনে। বাড়ি ফিরে আর কোন অনুষ্ঠানে মন দিতে পারে না সে। সব সময় তার মনের মধ্যে একটা চিন্তাভাবনা চলতেই থাকে যেটা জগদ্ধাত্রীর নজর এড়াতে পারে না। তবে কি আবার কোন নতুন ঝড় এলোমেলো করে দেবে জগদ্ধাত্রী জীবন?

Back to top button