কৃষ্ণার মুখে ঝা’মা ঘ’ষে সুইটিকে হোমে পাঠালো পর্ণা, বুবাইয়ের আবদার শুনে অবাক সৃজন!
জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকটি এতদিন ধরে একচেটিয়া রাজত্ব চালাচ্ছিল। সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় এই ধারাবাহিকটির পাশাপাশি জি বাংলার আরও একটি ধারাবাহিক ফুলকি এক সাথে বেঙ্গল টপার হয়। তাই আগামী সপ্তাহে শীর্ষস্থান ধরে রাখতে গেলে গল্পে আনতে হবে আরো নতুন নতুন চমক। এই সপ্তাহেই ধারাবাহিকের নায়িকা আবারো নিজের খেল দেখিয়ে দর্শকদের তাক লাগিয়ে দিল।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণাকে বোকা বানানোর চেষ্টা করেছিল জালিয়াতিতে নাম্বার ওয়ান গ্রাম রঘুনাথপুরের মেয়ে সুইটি। সে ভেবেছিল দত্ত বাড়িতে ঢুকে সেই বাড়ির বউকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে নিজে সেই বাড়িতে রাজ করাটা খুব একটা কষ্টকর হবেনা। কিন্তু কৃষ্ণার কথা শুনতে গিয়ে মহা ফ্যাসাদে পড়ে গিয়েছে সুইটি। সে যাও বা পর্ণার দয়ায় বেঁচে থাকার সুযোগ পাচ্ছিল, নিজের দোষে এবার সেটাও হারালো সে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা সুইটির ভুলভাল কাজকর্ম আর সহ্য করতে পারছে না। সে তাড়াতাড়ি তাকে টানতে টানতে নিচে নিয়ে আসে আর তাকে হোমে পাঠানোর কথা সবাইকে জানিয়ে দেয়। পর্ণার এই সিদ্ধান্ত ভালো লাগে জেঠুর। কারণ তারও এই সুইটি মেয়েটাকে একেবারেই পছন্দ হচ্ছিল না। এরপর সবাই যখন ঘরে চলে যায় তখন সুইটিকে নিয়ে নিজের ঘরে আসে কৃষ্ণা আর সাথে করে নিয়ে আসে অয়ন আর মৌমিতাকে। তারা সবাই মিলে সুইটিকে ভরসা দেয় যে তাকে কেউ বাড়ি থেকে বার করতে পারবে না। এরপর ঘরে গিয়ে ইশাকে ফোন করে অয়ন। ইশা বলে হোমে পাঠাতে ২-৪ দিন সময় লাগবে। সে তার মধ্যেই যা ব্যবস্থা করার করছে।
ঘরে গিয়ে পর্ণাকে তার মেয়ে পুঁটি বলে, ওই সুইটিকে তারও একদম পছন্দ নয়। এরপর সে আগের দিনের ঘটনাটা তার মাকে খুলে বলে। পুঁটি বলে, ওই মেয়েটা একবার হাসে তো একবার কাঁদে। নিজের মেয়ের কথা শুনে পর্ণা বুঝে যায় সুইটি যা করছে সবটাই নাটক। আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে নিজের ফোনটা নিয়ে একটা জায়গায় ফোন করে পর্ণা। পরের দিন সকাল হতেই বাড়িতে কয়েকজন এসে হাজির হয়। সেই সময় অয়ন ইশার সাথে কথা বলছিল। ফোনটা না কেটেই দরজাটা খুলে দেয় সে। ওই লোকগুলোকে পর্ণা ডেকেছে এটা শুনেই বেশ আপত্তি জানায় কৃষ্ণা।
আরো পড়ুন: আই কার্ড দেখাতেই জ্যাসের পায়ে লু’টি’য়ে প’ড়’লো অফিসার! কৌশিকীকে মা’ত দিতে মো’ক্ষ’ম চা’ল চা’ল’লো দেবু!
পর্ণা বলে, “ওনারা হোম থেকে এসেছেন। এই মুহূর্তে ওনারা সুইটিকে নিয়ে চলে যাবে। আমি আর এক মুহূর্ত ওকে এই বাড়িতে রাখতে চাই না।” এমন কথা শুনে সুইটি আবারও পর্ণার পায়ে পড়ে যায়। কৃষ্ণা বলে এরকম মুখের কথায় কাউকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া যায় না। কিন্তু যেহেতু সেই প্রথম দিকে সুইটিকে রাখতে চায়নি তাই এই মুহূর্তে আর বেশি কথা বলতে পারেনা কৃষ্ণা। আর নাটক চালিয়ে যেতে পারছিল না সে। তাই নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পর্ণার উপর চিৎকার করে ওঠে সে। পর্ণার কাছে এবার সবটাই জল হয়ে যায়। হোমের লোকেরা জোর করে নিয়ে চলে যায়। হোমে পৌঁছে সুইটি নিজের বাড়িতে ফোন করে সবটাই জানায়। কিন্তু বাড়ির কেউ তাকে ফিরিয়ে নিতে চায় না।

