নোং’রা ই’ঙ্গি’তে হাত স্প’র্শ করতেই সুদীপ্তকে উচিত শা’স্তি দিলো রাই! প্রিন্সিপাল স্যারের কথা শুনে অবাক হয়ে গেল স্রোত!
যারা অন্যায় করে, মেয়েদেরকে অসম্মান করে তাদেরকে একদম সহ্য করতে পারে না জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইপূর্ণা। বর্তমানে জি বাংলার পর্দায় এই ধারাবাহিকটি বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এই ধারাবাহিকের নায়িকার অভিনয় রোজ মুগ্ধ করছে ভক্তদের। টিআরপি তালিকাতেও একটু একটু করে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, অনির্বাণের আমন্ত্রণ অমান্য করায় রাইয়ের ওপর ভীষণ রেগে রয়েছে সে। রাই বার বার কথায় কথায় ক্ষমা চাওয়ার চেষ্টা করলেও তার কথাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে না অনির্বাণ। রাইকে নিজের সমস্যা বলার সুযোগই দিচ্ছে না সে। তার মাঝেই অফিসে এসে উদয় হয়েছে অনির্বাণের বন্ধু এবং অফিসের আর এক বস সুদীপ্ত। যার কুনজর পড়েছে রায়ের উপর।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনির্বাণ বেশ রেগে গিয়েছে সুদীপ্তর উপর। কারণ সে একেবারেই সময় জ্ঞানহীন হয়ে পড়েছে। সে রোজ অফিসে আসে না। তার থেকেও বড় কথা তাকে দেওয়া দায়িত্ব গুলো সে ঠিকমতো পালন করছে না। ট্যাক্স হিসেবে একটা বড় অংকের টাকা জমা দেওয়ার কথা ছিল সুদীপ্তর কিন্তু সে সেই দায়িত্ব পালন করেনি। সুদীপ্ত বলে, সে বাইরে ছিল বলে কাজটা করে উঠতে পারেনি কিন্তু এইবার সে নিশ্চয়ই সেটা করে ফেলবে। যদিও এইজন্য অনির্বাণ বেশ রাগারাগি করে যেটা একেবারেই পছন্দ হয়নি সুদীপ্তর।
পাশাপাশি আরও একটা বিষয় নিয়ে সুদীপ্তর ওপর রেগে যায় অনির্বাণ। সুদীপ্ত অনির্বাণকে বলে বাইরে যে নতুন মেয়েটা শাড়ি পরে এসেছে সেই মেয়েটাকে বেশ সুন্দর দেখতে। সুদীপ্তর এই মন্তব্য মোটেও পছন্দ হয়নি অনির্বাণের। সুদীপ্তকে আরো ভদ্র এবং শালীনতা বজায় রাখতে বলে সে যেটা সুদীপ্ত একেবারেই সহ্য করতে পারে না। এরপর রাই অনির্বাণকে দুটো ফাইল দেখাতে আসে কিন্তু অনির্বাণ রাইকে সুদীপ্তর ঘরে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে ফাইলগুলো নেওয়ার বাহানায় রাই এর হাত স্পর্শ করে সুদীপ্ত। যেটার তীব্র প্রতিবাদ জানায় রাই। এই সব কিছুই সুদীপ্তর ভীষণ ভালো লাগে। সেদিন দুপুরবেলা ক্যান্টিনে গিয়ে নিজের বাকি সহকর্মীদের থেকে সুদীপ্তর ব্যাপারে সমস্তটা জানতে পারে রাই।
আরও পড়ুন:ব’ন্ধের মুখে জলসার একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিক, স্লট ভরাতে আসছে নামী প্রযোজনা সংস্থার ধারাবাহিক, জানুন বিস্তারিত
অন্যদিকে স্রোতের হাতে ইনজেকশন দিয়ে দেয় সার্থক আর তারপর তাকে সাবধানে থাকতে বলে। সার্থক বলে, “তুমি তো কোন কথাই শোনার প্রয়োজন মনে করো না কিন্তু এই কথাটা শুনো।” যেটা শুনে স্রোত এমন একটা উত্তর দেয় যে তাদের মধ্যে আবার একটা ছোটখাটো বিবাদ তৈরি হয়। আর এই সবকিছুর মাঝে প্রিন্সিপাল স্যার বারবার শুধুমাত্র সানাইয়ের সুর শুনতে পায়। যেটা ভীষণই অবাক লাগে স্রোতের। প্রিন্সিপাল স্যারের ঘর থেকে বেরিয়ে আসতেই স্রোতের বন্ধুরা তাকে ঘিরে ধরে আর বলে, আজ কিন্তু স্যারের মধ্যে আগের দাম্ভিক মানুষটা নেই। স্যার খুব যত্নশীল ভাবে স্রোতের চিকিৎসা করেছে। মুখে যায় বলুক না কেন, মনে মনে একটু হলেও এই বিষয়টা স্বীকার করে স্রোত।

