সকলের সামনে অরুণাভর কা’র’সা’জি ফাঁ’স করল শ্যামলী! মাং’সে’র বাক্সে বালি ভরেও পা’র পেল না অরুণাভ!
আরো একবার নিজের বুদ্ধি দিয়ে বাজিমাত করলো জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলী। বিয়ে হবার পর থেকে নিজের শ্বশুরবাড়ির এতোটুকু ক্ষতি সহ্য করতে পারে না সে। যার ফল স্বরূপ একাধিকবার একাধিক বদনামের ভাগীদার অবধি হতে হয়েছে তাকে। কিন্তু তারপরেও কখনো পিছিয়ে আসেনি শ্যামলী। চলতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে এই ধারাবাহিকের নাম।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শ্যামলী অনেকদিন ধরেই বুঝতে পেরেছিল দ্য গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটারারের অফিসে জোর কদমে চুরি চলছে। আর এটা করছে তাদেরই পরিবারের সদস্য অরুণাভ। কিন্তু প্রমাণের অভাবে এতদিন অবধি শ্যামলী কিছুই করে উঠতে পারেনি। কারণ এমনিতেই তাকে কেউ বিশ্বাস করে না আর প্রমাণ না থাকলে তাকে বিশ্বাস করার কোন প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু এইবার প্রমাণ পেতেই সবার সামনে অরুণাভর মুখোশ টেনে ছিড়ে দিল সে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনেকক্ষণ ধরেই শ্যামলী অপেক্ষা করছিল কখন তার মিহির দাদা তাকে সংকেত দেবে আর সে সবাইকে নিয়ে সমস্ত মালপত্রের ওজন মাপতে বেরিয়ে পড়বে। মিহির শ্যামলী কে ফোন করে জানায়, শিকার টোপ গিলেছে। সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির প্রত্যেককে বুঝিয়ে সুুঝিয়ে সবাইকে নিয়ে গাড়ির কাছে চলে আসে শ্যামলী। এরপর সেখানে এসে সে বলে, এই সমস্ত জিনিসপত্রের একবার করে ওজন হবে। তাহলেই আসল চোর ধরা পড়বে। কিন্তু অরুণাভ সেটা কিছুতেই হতে দিতে চায় না।
অরুণাভ বলে, “আমি ভাবতেও পারছি না আমার নিজের পরিবার আমাকে সন্দেহ করছে। আমি কি একটা দায়িত্ব ঠিক করে নিতে পারি না? আমাকে চোর ভাবতে হচ্ছে? আর যদি মালপত্রের ওজন সব ঠিকঠাক থাকে তাহলে আমাকে তোমরা হারাবে।” এটা শুনে অপরাজিতা এই ওজন করার বিষয়টা থামিয়ে দিতে চায়। কিন্তু তারপরেও শ্যামলীর কথায় একবার ওজন করে নেয় পরিবারের সবাই। সব ওজন ঠিক আছে দেখে সবাই শ্যামলীকে অনেক কথা শোনাতে থাকে। কিন্তু শ্যামলী বুঝতে পারে কোথাও একটা গন্ডগোল হচ্ছে। তখনই মাটিতে অনেক বালি দেখতে পায় সে। সঙ্গে সঙ্গে বুঝে যায় আসল কারচুপিটা ঠিক কোথায় হয়েছে।
আরও পড়ুন: দ’ম’দা’র প্রোমো! সত্যি জানতে পেরে সকলের বি’রু’দ্ধে গিয়েই পেখমের ল’ড়া’ইয়ে পাশে থাকার অঙ্গীকার করল আবির!
গাড়িটা বেরিয়ে যাচ্ছিল ঠিক তখনই তার সামনে এসে গাড়িটাকে থামায় শ্যামলী। এরপর শ্যামলী আর মিহির দুজন মিলে সমস্ত মালপত্র নামায়। তারপরে এক এক করে সব খুলে দেখতে থাকে। মাংসের প্যাকেট খুলে দেখতেই শ্যামলী ভিতর থেকে বের করে আনে বালির প্যাকেট। আর সেটা দেখে চমকে যায় প্রত্যেকে। সবাই বুঝে যায় অরুণাভই এতদিন ধরে কোম্পানির টাকা চুরি করছিল। তাকে চড় মারে তার দাদু। সে জানিয়ে দেয়, অরুণাভ আর এই বাড়িতে থাকতে পারবে না যেটা শুনে ভীষণ ভেঙ্গে পরে অপলা। অন্যদিকে অনিকেত হাত জোড় করে শ্যামলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয়।

