স্রোতের হাতে র’ক্ত দেখে ভ’য় পেয়ে গেল সার্থক! সুদীপ্তর কু’ন’জ’র পড়লো রাইয়ের ওপর!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকটি দর্শকদের মনে প্রত্যেকদিন একটু একটু করে নিজের একটা পাকাপোক্ত জায়গা তৈরি করে ফেলছে। বর্তমানে এই ধারাবাহিকের টিআরপিও বেশ উর্ধ্বগামী। দর্শকদের ধারণা খুব তাড়াতাড়ি ধারাবাহিকটি স্লট লিড করবে। এই ধারাবাহিকের নায়িকা দর্শকদের মন কেড়ে নিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ধারাবাহিকের তিনজন নায়িকা বর্তমান। তবে তার মধ্যে প্রধান নায়িকা হলেন আরাত্রিকা মাইতি যাকে রাইপূর্ণার চরিত্র দেখা যাচ্ছে।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই অনির্বাণের জন্য ইতিমধ্যেই নিজের বাড়িতে কোন ঠাসা হয়ে গিয়েছে। অনির্বাণ যেভাবে একটা চিঠি সহকারে রাইয়ের পাঠানো খাবার গুলো আবার তার কাছেই ফিরিয়ে দিয়েছে তাতে নিজের বাড়িতে অনেক নোংরা মন্তব্য সহ্য করতে হয়েছে নায়িকাকে। কিন্তু এসবের জন্য সে কোনো ভাবেই অনির্বানকে দোষারোপ করেনি। কারণ সে মনে করেছে দোষটা তার। সে কথা দিয়ে সেই কথা রাখতে পারেনি।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অফিসে গিয়ে রাই নিজের কাজগুলো সেরে নিয়ে চলে যায় অনির্বাণের কেবিনে। সেখানে গিয়ে সে বারবার অনির্বাণ এর কাছে ক্ষমা চাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু প্রতিবার অনির্বাণ কথা ঘুরিয়ে দেয় আর কাজের প্রসঙ্গ টেনে আনে। শেষমেষ যখন রাই ক্ষমাটা চায় তখন অনির্বাণ বলে, “একটা সপ্তাহ কখনোই আপনার পারিবারিক দুঃখের ঘটনা শুনে হতে পারে না। যান গিয়ে কাজে মন দিন।” কথাটা শুনে রায় বুঝতে পারে অনির্বাণ খুব রেগে রয়েছে এখন তাকে আর কিছু বলাটা উচিত হবে না। তাই সে চুপ করে সেখান থেকে চলে যায়।

অন্যদিকে, প্রিন্সিপালের ঘরে চলে আসে স্রোত। তার সাথে কিছুক্ষণ হাসি-ঠাট্টা গল্পে মেতে ওঠে প্রিন্সিপাল। তারপর সেখানে আসে সার্থক। সার্থক আসতেই স্রোতের সাথে ঝামেলা শুরু করে দেয়। এরপর রেগে গিয়ে স্রোত ঘর থেকে বেরোনোর সময় পেরেকে লেগে তার হাতটা অনেকটা কেটে যায়। এটা দেখে বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়ে সার্থক। সে বলে এক্ষুনি স্রোতের হাতে ব্যান্ডেজ করতে হবে আর একটা টিটেনাস ইনজেকশন নিতে হবে। কিন্তু স্রোত এতে কিছুতেই রাজি হতে চায় না কারণ সে স্বার্থকের থেকে কোন সাহায্য নেবে না। কথাটা শুনে খুব রেগে যায় সার্থক আর জোর করেই স্রোতকে প্রিন্সিপাল স্যারের ঘরে নিয়ে আসে ও তার যা যা করণীয় সব করে।

আরও পড়ুন: ডোনা ছাড়া অ’ন্য সম্পর্ক, সৌরভের ওপর স’ন্দে’হ করে সানা! মোবাইলে ম্যাসেজ করলেই ন’জ’র’দা’রি চলে মেয়ের, নিজের মুখে স্বীকার দাদার!

এদিকে নিজের জায়গায় বসে মন দিয়ে কাজ করতে থাকে রাই। এমন সময় পিছন থেকে একজন অচেনা উটকো লোক এসে রাইকে খারাপ ইঙ্গিতে সম্বোধন করে। এটা দেখেই রাই খুব রেগে যায়। রাই এর সাথে কথা বলার সময় সে এমন কিছু খারাপ কথা বার্তার ব্যবহার করে যে রাই তার রুচিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে বাধ্য হয়। এরপর রাই জানতে পারে এই লোকটির নাম সুদীপ্ত আর সে অনির্বাণের কাছের বন্ধু। তবে লোকটা মোটেই সুবিধার নয়।

Back to top button