মি’থ্যে’টা ধ’রা প’ড়ে যাওয়ায় সবটা স্বী’কা’র করতে বাধ্য হলো নিলু! রাইকে সত্যিটা চো’খে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল স্রোত!

মিথ্যে নিয়ে খুব বেশিদিন বাঁচা যায় না। একদিন সবটা সবার সামনে চলে আসতে বাধ্য। আর ধীরে ধীরে সেই দিনটাই ঘনিয়ে আসছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকটির অন্যতম নেতিবাচক চরিত্র নিলুর জীবনে। খুব বেশি দিন হয়নি, জি বাংলার পর্দায় সম্প্রচার শুরু করেছে এই মেগা। এর মাঝেই দর্শকমহলে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। আরাত্রিকা মাইতির সাবলীল অভিনয় ধারাবাহিক থেকে অন্য মাত্রা এনে দিয়েছে।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, ধারাবাহিকের নায়িকা প্রাণপণে চেষ্টা করে চলেছে অফিস এবং বাড়ির দুটি দিক সামলানোর। কিন্তু তার এই চেষ্টায় প্রতি নিয়ত ব্যাঘাত ঘটাতে চলে আসছে তারই মেজো বোন নিলু। নিজের জীবনটাকে গুছিয়ে নিয়ে বর্তমানে তার দিদির জীবনটাকে নষ্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছে নিলু। নিজের শশুরবাড়িতে সুখে জীবন যাপন করতে গর্ভবতী হওয়ার মিথ্যে নাটক ফেঁদেছে সে। কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি তার চালাকি সবার সামনে আসতে চলেছে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, দিদির মন খারাপ দেখে স্রোত তার জন্য চা বিস্কুট নিয়ে আসে। এরপর একসাথে অনেক গল্প করতে করতে কথা বলতে বলতে দিদির মন ভালো করে দেয় স্রোত। এছাড়াও স্রোত তার দিদিকে বলে তার বস নাকি তার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। বেশ অবাক হয় রাই কিন্তু কিছুতেই বিশ্বাস করে উঠতে পারে না। সে ভাবে স্রোতের মাথাটা গেছে। কিন্তু তার বোন যে তার জন্য ভাবে এটা দেখেই ভীষণ ভালো লাগে রাইয়ের। সে স্রোতকে বলে, “তোকে একটা অনুরোধ করবো স্রোত? কখনো বদলে যাস না। সবসময় এরকমই থাকিস।” তখন বলে তাকে বদলানোর সাধ্য বোধহয় স্বয়ং ভগবানেরও নেই।

অন্যদিকে দেখা যায়, রাই এর বৌদি মিষ্টি আর বাচ্চা মেয়েকে অংক করাচ্ছে। সেই সময় তার কাছে ফোন আসে নিলুর যা ডোরার। সে মিষ্টিকে জিজ্ঞাসা করে, নিলু কি ডাক্তারখানায় গিয়েছিল? মিষ্টি এই কথাটা শুনে আকাশ থেকে পড়ে। এরপর ফোন রেখে দেয় ডোরা। এদিকে নিলু ভাবে সৌর্য এসে তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করার আগেই তার সমস্ত মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে হবে। নইলে আজ তার নিস্তার নেই। এরপর সৌর্য আসতেই সে নিলুকে ডাক্তার কি বলল সেই কথা জিজ্ঞাসা করলে, নিলু রাই এর কেলোর কীর্তি পরিবেশন করতে শুরু করে। এরপর ডোরা এবং সৌর্যর মা এসে সব সত্যিটা সৌর্যকে জানায়।

সৌর্য যখন জানতে পারে নিলু ডাক্তার দেখাতে যায়নি, তখন সে প্রচন্ড রেগে যায়। নিলু বার বার তার দিদির প্রসঙ্গ টেনে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করে কিন্তু তাতে বিশেষ লাভ হয় না। ডোরা বলে, নিলু সারাদিন গায়ে হওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য এবং বাবার সেবা করার হাত থেকে মুক্তি পেতে এসব করছে। সৌর্য তখন বলে, নিলু এতটাও নিচ মানসিকতার নয়। এরপর চাপে পড়ে সৌর্যর সাথে ডাক্তার দেখাতে রাজি হয় নিলু। অন্যদিকে রায় অফিসে যাচ্ছে দেখে তাকে তার মা অনেক নোংরা নোংরা কথা শোনায় যেগুলো একজন মা হিসেবে তার বলা সাজে না। কিন্তু এরপরেও রাই তার মাকে কিছুই বলেনা সে বুঝে গিয়েছে এই বাড়িতে তার আর কোন সম্মান নেই। তার থাকা না থাকা একই ব্যাপার সে চুপ করে অফিসের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে।

Back to top button