বসের জন্য মায়ের হাতে চ’ড় খেলো রাই, চাকরি জীবনে ইতি টানলো সে! জানতে পেরে ক্ষ’মা চাইতে এলো অনির্বাণ!

Mithijhora Today Episode 23 April: এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) নবাগত ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মিঠিঝোড়া (Mithijhora) ধারাবাহিকটি। শুরুতেই নায়িকার জীবনে লড়াই এবং বেশ সাহসী একটি পদক্ষেপের জন্য ধারাবাহিকটি দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিল। বর্তমানে টিআরপিতেও একটু একটু করে নিজের জায়গা তৈরি করছে এই মেগা। এই ধারাবাহিকে নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি (Aratrika Maity)।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, অনির্বাণ অনেক সাধ করে রাইকে বলেছিল, সে বহুদিন যাবত বাড়ির রান্না খায়নি। তাই রবিবার ছুটির দিনে রাই যেন অনির্বাণের জন্য তার বাড়িতে এসে রান্না করে। কথাটা শুনে বেশ দোটানায় পড়েছিল রাই। কিন্তু পরবর্তীতে সে রাজি হয়ে যায়। যেদিন রাইয়ের যাওয়ার কথা সেদিনকেই তার বাড়িতে চলে আসে নিলু। যার ফলে রাইয়ের আর যাওয়া হয় না। সে তার বসকে একটি ম্যাসেজে জানিয়ে দেয়, সে আজ আসতে পারবে না এবং বসের জন্য খাবার পার্সেল করে দেয়।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব (Mithijhora Today Episode 23 April)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, এই গোটা ঘটনায় প্রচন্ড রেগে যায় অনির্বাণ। তার মাথার ঠিক থাকে না। সে ওই ডেলিভারি বয়কে আরো অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিয়ে বলে সে যেন এই খাবারটা রায়ের বাড়িতে দিয়ে আসে। টাকার লোভে ছেলেটি রাজি হয়ে যায়। অনির্বাণ হয়তো বুঝতেও পারেনি তার এই একটা সিদ্ধান্ত রাইয়ের জীবনে কি চরম অপমান, লাঞ্ছনা নামিয়ে আনতে চলেছে। এদিকে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে সবাই যখন নিলুকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলছে ঠিক তখনই তাদের বাড়ির কলিং বেল টা বেজে ওঠে। নিলু ভাবে নির্ঘাত তার স্বামী এসেছে। সে যদি এখন এখানে চলে আসে তাহলে তার সমস্ত খেলা মাটি হয়ে যাবে। সে ধরা পড়ে যাবে তাই কারোর দরজা খোলার আগে সে ছুটে ছুটে গিয়ে দরজাটা খোলে।
দরজা খুলে দেখে রাই এর নামে একটা পার্সেল এসেছে। সাথে একটা চিঠিও রয়েছে। নিলু অ’স’ভ্যে’র মতন রাইয়ের ব্যক্তিগত জিনিসপত্রে হস্তক্ষেপ করে। সে ওই চিঠিটা খুলে পড়ে ফেলে, এখানে লেখা ছিল “আপনাকে এসে রান্না করতে বলেছিলাম কারণ আমি অনেকদিন বাড়ির রান্না খাইনি। এইরকম দোকানের খাবার আমি হাজারটা পার্সেল করতে পারি।” চিঠিটা পড়া মাত্রই নিজের দিদিকে ছোট করার মুখ্য মাত্র পেয়ে যায় নিলু। সে এই সমস্ত ঘটনা আরেকটুখানি মসলা মিশিয়ে বাড়ির সবার কাছে পরিবেশন করে। ফলস্বরূপ রাইকে চড় মারে তার মা। রাইয়ের মা তাকে বলে সে যেন এই চাকরিটা ছেড়ে দেয়, কিন্তু রাই জানিয়ে দেয় কোন মূল্যেই সে এই চাকরিটা ছাড়বে না।
আরও পড়ুন: ‘সন্দীপ্তা ভালো আছে থাক…’, পুরোনো সম্পর্কের স্মৃতিচারণ প্রিয়াঙ্কাপতি রাহুল ব্যানার্জির!
এরপর মন খারাপ করে রাই চুপচাপ শুয়ে থাকে। তার জন্য চা বিস্কুট আনে স্রোত। স্রোত রাইকে বলে, সে যেন মন খারাপ না করে। এরপর স্রোত আরো একটা বিষয়ের ওপর আলোকপাত করে। সে বলে, “তোর বস বোধহয় তোর প্রেমে পড়েছে। কোন মানুষ যদি কাউকে ভালো না বাসে তাহলে এরকমটা করতে পারে না।” এটা শুনে অবাক হয়ে যায় রাই কারণ সে এমন কিছু কখনোই কল্পনা করেনি। অন্যদিকে অনির্বাণ রাইয়ের কথা ভাবতে থাকে। কারণ সে খুব ভালো করেই জানে রাইয়ের পরিবার রাইয়ের সাথে ঠিক কি ব্যবহার করে। তার এবার রাইকে নিয়ে যথারীতি চিন্তা হতে থাকে কারণ ঝোঁকের বসে বেশ বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে সে।
View this post on Instagram

