শ্যামলীর শিক্ষাগত যোগ্যতা শুনে অবাক অনিকেত! নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার দারুন সুযোগে পেল সে!

ধারাবাহিক সম্প্রচারের দিক থেকে এখন জি বাংলার (Zee Bangla) জুড়ি মেলা ভার। এই চ্যানেলের প্রত্যেকটি ধারাবাহিক একেবারে জমে উঠেছে। এই চ্যানেলের নবাগত ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকটি। বর্তমানে টিআরপি তালিকাতেও নিজের প্রভাব বিস্তার করা শুরু করে দিয়েছে এই মেগা।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শ্যামলী বারবার এই জোড়া বাড়িকে বিপদ মুক্ত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। শেষ বার প্রিয়া আর প্রতিমকে বাঁচাতে সে রীতিমতো নিজের প্রাণের ঝুঁকি অবধি নিয়ে নেয়। এর পর থেকেই তার প্রতি অনেকটা নরম হয়েছে অনিকেত। সে বুঝতে পেরেছে শ্যামলী মেয়েটা তার ক্ষতি চায় না। যদি ক্ষতি করাই উদ্দেশ্য হতো তাহলে নিজেকে এত বড় বিপদে ফেলতো না নিজেকে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শ্যামলীর শশুর বাড়িতে এসে হাজির হয়েছে পরিতোষ। ইনি হলেন শ্যামলীর মাস্টার মশাই। তারই গ্রামের লোক। শ্যামলীকে দেখেই জড়িয়ে ধরেন তিনি। অনেক দিন পর নিজের পরিবারের এক সদস্যকে দেখে খুব খুশি হয়ে যায় শ্যামলী। পরিতোষ বলে, “আমার গ্রামের মেয়ে বলে বলছি না। শ্যামলীর মতন মেয়ে হয়না। ছোট থেকে পড়াশোনায় তুখোড়। কিন্তু বাবা মারা যাওয়ায় আর ওর দুই দাদার অত্যাচারে আর এগোতে পারেনি। ওর মধ্যে যে গুণ রয়েছে সেটা হাজার খুঁজলেও কারো মধ্যে পাওয়া যায় না।”

শ্যামলীর বিয়ে হয়ে গিয়েছে এটা জানতে পেরে বেশ অবাক হয়ে তার মাস্টার মশাই। এরপর শ্যামলী তাকে সবটাই খুলে বলে, পরিতোষ সব শুনে অনিকেতের কাছে গিয়ে বলে, “তুমি জানোনা তুমি কি পেয়েছো। ওকে হারিয়ে ফেলো না বাবা। ওকে কষ্ট দিয়ো না।” তারপর শ্যামলী নিজের হাতে রান্না করে তার মাস্টার মশাইকে খাওয়ায়। সেই রান্নার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠেন পরিতোষ। তিনি বলেন, শ্যামলী বরাবর খুব ভালো রান্না করে। নিজের স্ত্রী যে এতটা গুনি সেটা হয়তো এর আগে সেভাবে উপলব্ধি করতে পারেনি অনিকেত। এরপর পরিতোষ শ্যামলীকে অনেক আশীর্বাদ করে সেখান থেকে চলে যায়। অপরাজিতার রাগ আরো উস্কে দেয় অপলা।

আরো পড়ুন: মিঠাইকে বা’দ দিয়েই মিঠাই পরিবারের রিইউনিয়ন! তবে কি মনো’মালি’ন্যের জেরেই সবার থেকে আ’লাদা হলো সৌমি?

এরপর অনিকেত তার দুই দাদুকে বলে, “শ্যামলী যে ভালো রান্না করতে পারেন সেটা অস্বীকার করার উপায় নেই। আর উনি সব দিন খুব ভালো ভাবেই সামলাতে পারেন। ওনাকে আর একটা সুযোগ দিলে কেমন হয়? ওনাকে যদি আবার গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটারারের সদস্য করা যায় তাহলে কেমন হয়?” তার এই প্রস্তাবে এক কথায় সবাই রাজি। শ্যামলী যখন জানতে পারে তার স্যার নিজের তার জন্য এই দরজা খুলে দিয়েছে, সেও খুব খুশি হয়।

Back to top button