গিনির সব চালাকি ধরে ফেললো গীতা! অন্যায়ের শাস্তি দিতে নিজের দিদিকে কাঠগড়ায় তুলল সে!

এই মুহূর্তে বাংলা ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির টিকে থাকার জন্য যে জিনিসটি সব চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, সেটি হলো টিআরপি (TRP)। আর এখন এই টিআরপির দিক দিয়ে বেশ অনেকখানি পিছিয়ে পড়েছে স্টার জলসা (Star Jalsha)। বর্তমান টিআরপি তালিকা দেখলে দর্শকরা বুঝতে পারবেন, প্রথম পাঁচের পাঁচটি ধারাবাহিকের মধ্যে চারটি সম্প্রচারিত হচ্ছে জি বাংলার পর্দায়।
টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচের মধ্যে কেবল একটি মাত্র ধারাবাহিক জলসার মুখ উজ্জ্বল করে চলেছে। আর এটি হলো গীতা LLB। প্রত্যেক সপ্তাহে নিয়ম করে টিআরপি তালিকার তৃতীয় অথবা চতুর্থ স্থানে নিজের জায়গা পাকা করতে সক্ষম হয়েছে এই ধারাবাহিক। এখানে প্রধান নায়িকার চরিত্রে দেখা যাচ্ছে হিয়া মুখার্জিকে। একজন সৎ নিষ্ঠাবান এবং অত্যন্ত বুদ্ধিমতী লড়াকু উকিলের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে নায়িকা গীতাকে। যার জন্য ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্ব হয়ে উঠছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
ধারাবাহিকের আগামী পর্ব গুলিতে দেখা যাবে, গীতাকে ভাত কাপড়ের অনুষ্ঠানের জন্য শশুরবাড়ি নিয়ে যেতে এসেছে তার দিদি গিনি। সে নিজের বাড়ি এসে গীতাকে বলে, ভাত কাপড়ের অনুষ্ঠান আছে তাই তাকে তার শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যেতেই হবে। এটা শুনে গীতা বলে, তার মাথায় স্বস্তিকার হাতের সিঁদুর ওঠেনি তাই এই ভাত কাপড়ের কোন মানে হয় না। এই সমস্ত নিয়ম কানুন পালন করতে সে কোনো মতেই যেতে পারবে না। কিন্তু এই কথা কিছুতেই মানতে চায় না গিনি।
গিনি তার বোন গীতাকে বলে, “যদি এটাই সমস্যা হয় তাহলে ভাত কাপড়ের আগে বরং স্বস্তিক তোর সিঁথিতে সিঁদুর তুলে দেবে। তাহলেই তো হবে, বাকি বিয়ে তো হয়েই গিয়েছিল।” নিজের দিদির মুখে এমন কথা শুনে গীতা বলে, “তুই কি অগ্নিজিৎ মুখার্জীর কথায় এখানে এসেছিস? তুই কি সাপ? অগ্নিজিৎ মুখার্জী বিন বাজাচ্ছে আর তুই বিনের তালে তালে নাচছিস। নাকি তুই নাচাচ্ছিস? কোনটা বলতো? আমার তো মনে হচ্ছে তুই ওনাকে তোর হাতের পুতুল বানিয়ে রেখেছিস। কিন্তু খুব বেশি দিন এসব চলবে না, আমি সব বুঝে গেছি এবার তোকে আমি কোর্টে তুলব।”
আরও পড়ুন: “যদি আমার সম্মানহানি হয়, সেই সম্পর্ক আমি টিকিয়ে রাখতে পারি না”, প্রেম জীবন নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা সপ্তর্ষি মৌলিক
অন্যদিকে অগ্নিজিৎ মুখার্জী তার স্ত্রীকে বলে, “গীতা কোনো ভাবেই এখানে আর ফিরে আসবে না আমি লিখে দিচ্ছি।” অগ্নিজিৎ মুখার্জীর স্ত্রী বলে, গীতাকে এখানে ফিরতেই হবে। সস্তিক তখন তার মা বাবাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, “গীতা যদি না ফেরে তাহলে আমিও আর এই বাড়িতে থাকবো না। আমি গীতার বাড়িতে চলে যাব আর প্রয়োজনে সেখানে ঘর জামাই হিসেবে থাকবো। কিন্তু এখানে আর থাকবো না।” ছেলের এমন কথা শুনে অবাক হয়ে যায় অগ্নিজিৎ মুখার্জী।

