জ্যাসকে মা’রতে ব’ন্দুক নিয়ে লু’কিয়ে পড়লো প্রমিতা! ন্যা’য়ের পথে আনতে নিজেই তাকে পুলিশের হতে তুলে দিলো কল্যাণী!

Jagaddhatri Today Episode: এই মুহূর্তে টান টান উত্তেজনায় একেবারে জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। শুরু থেকেই এই ধারাবাহিকটি দর্শকদের মন জয় করে এসেছে। একটা দিনের জন্যেও দর্শকদের কাছে নিজেদের আকর্ষণ কমে যেতে দেয়নি। বর্তমানে টিআরপি তালিকায় তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিক। প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থানপ্রাপ্ত ধারাবাহিক দুটির সাথে এই ধারাবাহিকের প্রাপ্ত নম্বরের হেরফের খুবই সামান্য। দর্শকদের দাবি আগামী সপ্তাহে নতুন করে শীর্ষে দেখতে পাবেন তারা এই ধারাবাহিকটিকে।
সম্প্রতি জগদ্ধাত্রী দেশ জটিল একটি কেসের সমাধানে ব্যস্ত। এই কেসটা তার কাছে আরও বেশি জটিল হয়ে উঠেছে তার কারণ হলো এই মুহূর্তে তার শ্বশুরবাড়িতে তার ননদ গরিমার বিয়ে চলছে। আর সে যাকে ধরতে চায় সে গরিমার হবু ননদ। তাই সব মিলিয়ে বেশ জটিল হয়ে গিয়েছে পুরো বিষয়টা। তার ওপর বনলতা অর্থাৎ আসল প্রমিতা জানতে পেরে গিয়েছে জগদ্ধাত্রী সবটা জানে। তাই নিজেকে বাঁচাতে এবার জগদ্ধাত্রীকে মারতে উদ্যত হয়েছে সে।
জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব ১৩ এপ্রিল (Jagaddhatri Today Episode 13 April)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মেহেন্দি একা একা বসে বসে কাঁদছে। হঠাৎ করে উৎসব তার কাছে চলে আসে আর তাকে সবার সাথে আনন্দ করতে বলে। মেহেন্দি তখন বলে “সবাই সব সময় জগদ্ধাত্রীর নাম জপ করছে। কেউ তো কখনো মেহেন্দির কথা ভাবে না। বাইরে বর চলে এসেছে কিন্তু কেউ আমাকে একবারও ডাকার প্রয়োজন মনে করেনি। এরকম ফেলনা হয়ে একটা মানুষ কতদিন থাকতে পারে?” উৎসব মেহেন্দিকে বলে এই বিয়েটা একবার হয়ে যাক তারপরে সে এমন একটা ব্যবস্থা করবে যাতে তার মনে থাকা সমস্ত অভিযোগ মিটে যাবে।
এরপর দেখা যায় গাড়ি করে প্রবেশ করছে প্রমিতা আর গুঞ্জন। গাড়ি থেকে নামার আগে প্রমিতা টোপর এর মধ্যে থেকে বন্দুকটা বের করে নিজের হাতে নিয়ে নেয়। আর টোপরটা গুঞ্জনকে দিয়ে দেয়। সে কিন্তু গুঞ্জন এর সাথে নামেনি। সে লুকিয়ে পড়ে অন্য জায়গায়। কারণ তার মনে এখন একটাই বিষয় ঘোরাফেরা করছে আর সেটা হলো জগদ্ধাত্রীকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শেষ করে ফেলতে হবে।
আরো পড়ুন: অবশেষে ‘সুস্থ’ সম্পর্কে প্রবেশ করলেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা মিত্র! কার সাথে প্রেম করছেন তিনি?
জগদ্ধাত্রী বুঝতে পেরেছিল বর এভাবে একা আসতে পারে না। গুঞ্জন এর সাথে কথাবার্তা বলে জানা যায় তার সাথে তার দিদি এসেছিল। সঙ্গে সঙ্গে প্রমিতাকে ফোন করে জগদ্ধাত্রী। জিজ্ঞাসা করে এভাবে লুকিয়ে থাকার অর্থ কি? কিন্তু প্রমিতার রহস্যময় কথাবার্তা জগদ্ধাত্রী বুঝতে পারেনা। কিন্তু এটুকু তো পরিষ্কার প্রমিতার নিশ্চয়ই কোন অসৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। অন্যদিকে কল্যাণী দেবী তার মেয়ের কথা ভাবতে থাকে। সে ভাবতে থাকে তার মেয়েটা কিভাবে দিন দিন অন্যায়ের পথে নিজেকে সমর্পণ করছে। এভাবে খু’ন করতে করতে নিজের হাত র’ক্তে রাঙিয়ে ফেলছে।

