ভ’য়’ঙ্ক’র সত্যির সম্মুখীন হলে জগদ্ধাত্রী, চা’প দিতেই জ্যাসকে সব সত্যি বলে দিল কল্যাণী! নতুন বিপদের মুখোমুখি সে!

বুদ্ধি দিয়ে সব সমস্যার সমাধান করা যায়। আর এই বুদ্ধির জোরেই আরো একবার নিজেকে একজন সফল পুলিশ অফিসার হিসেবে প্রমাণ করল জি বাংলার (Zee Bangla) নাম্বার ওয়ান ধারাবাহিকের জগদ্ধাত্রীর (Jagaddhatri) নায়িকা জ্যাস সান্যাল। এই মুহূর্তে টিআরপি তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে এই ধারাবাহিকের নাম। তবে সাম্প্রতিক গল্প এতটাই আকর্ষণীয় যে ভক্তদের দাবি আর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পুনরায় এক নম্বর স্থানে পৌঁছে যাবে এই মেগা।

বর্তমানে এই ধারাবাহিকের প্লট অনুযায়ী, একটা খুনের তদন্ত করছে জগদ্ধাত্রী। আর সেই তদন্ত করতে গিয়ে নানা রকম সত্যের সম্মুখীন হচ্ছে সে। শুরুতে যতটা সহজ মনে হয়েছিল ততটা সহজ নয় এই রহস্যের সমাধান করা। কারণ যতদিন যাচ্ছে আরও বেশি জটিলতায় প্রবেশ করছে ধারাবাহিকের নায়িকা। এর মধ্যেই জগদ্ধাত্রী ননদের বিয়ে নিয়ে মেতে উঠেছে মুখার্জী বাড়ি।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মুখার্জী বাড়িতে হইহুল্লোড় চলছে। সাংভির স্বামীর দাদু চলে এসেছে সেখানে। তিনি বলেন, “এই জলসার দিক থেকে লাহা বাড়ি আপনাদের বাড়িতে হার মানাতে বাধ্য। কারণ আমাদের বাড়িতে এক সময় বাই আনা হতো। সারারাত নাচ গান চলত। কিন্তু এখানে তো সেসবের বালাই নেই। বিয়ের দিনগুলোতেও বাড়ির ভিতরটা কেমন অন্ধকার”। তার এমন কথা শুনে সবাই এর বিরোধিতা করে। আর তারপর শুরু হয় গরিমার বিয়ে উপলক্ষে এক আসর যেখানে সবাই নাচগান করে।

অন্যদিকে জগদ্ধাত্রী ফোন করে কল্যাণী দেবীকে। সে ফোন করেই ফোনটা বনলতাকে দিতে বলে। কারণ জগদ্ধাত্রী বুঝতে পেরে গিয়েছে এই সব কিছুর পিছনে রয়েছে বনলতা। এরপর জগদ্ধাত্রী কল্যাণীকে বলে, প্রমিতাকে অন্য হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু ঠিকানাটা কিছুতেই জানাতে চায় না সে। এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে সাধুদাকে জগধাত্রী জানায়, ঠিকানাটা পেলেই বনলতা আসবে প্রমিতাকে মারতে। আর সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগাতে হবে।

আরো পড়ুন: মাঝ রাস্তায় জ্যাকিকে উচিত শিক্ষা দিল অনিকেত! নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করলো শ্যামলী!

এরপর দেখা যায় জগদ্ধাত্রীকে ব্যাঙ্গালোর থেকে এক ভদ্রলোক কিছু ফটো ভিডিও ইত্যাদি পাঠায়। যেটা দেখে জগদ্ধাত্রী বুঝে যায় যে এতক্ষণ সে যেটা ভাবছিল সেটা একদম ঠিক। ওই রাত্রিবেলা এসে চলে যায় কল্যাণী দেবীর বাড়িতে। সেখানে গিয়ে সে দীপন বসুর ফটো দেখায় কল্যাণী দেবীকে। কল্যাণী দেবী এক দেখায় স্বীকার করে নেন যে এটাই দীপন বসু। কিন্তু জগদ্ধাত্রী যখনই প্রমিতার ফটো দেখায়, তখন বেশ আমতা আমতা করে সম্মতি জানায় কল্যাণী দেবী। যেটা দেখে স্পষ্ট বোঝা যায় যে তিনি মিথ্যা কথা বলছেন। এরপর জগদ্ধাত্রী কল্যাণী দেবীকে চাপ দেয়, যদি সে সব সত্যিটা না বলে তাহলে পরের দিনটাকে ডিপার্টমেন্টে তুলে নিয়ে যাওয়া হবে।

Back to top button