‘আমি চরিত্রহীন’- দিদি নং ওয়ানের মঞ্চে এসে বেফাঁস মন্তব্য করে বসলেন চান্দ্রেয়ী ঘোষ!

বর্তমানে বাংলা বিনোদনের (Bengali Entertainment) অন্যতম একটি চ্যানেল হলো জি বাংলা (Zee Bangla)। আর এখানেই প্রত্যেকদিন নিয়ম করে সম্প্রচারিত হয় বাংলার এক নাম্বার রিয়ালিটি শো দিদি নাম্বার ওয়ান। বহু বছর ধরে এই অনুষ্ঠানটি সফল ভাবে জি বাংলার পর্দায় সম্প্রচারিত হয়ে চলেছে। প্রতিদিন নতুন নতুন দিদিদের সাথে হাজির হন রচনা বন্দোপাধ্যায় (Rachna Banerjee)।

প্রতিদিন নিয়ম করে দর্শকদের অনুপ্রেরণা যোগাতে নিজেদের এগিয়ে যাওয়ার এবং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজির হন সমস্ত লড়াকু দিদিরা। এখানে কারোর বয়স আট তো কারোর বয়স আশি। প্রত্যেকের জীবনেই একটা করে হার না মানা লড়াইয়ের কাহিনী রয়েছে। তাদের জীবনের বাস্তব কাহিনী বাংলার ঘরে ঘরে বহু মানুষকে এগিয়ে যাওয়ার দিশা দেখায়।

Chandrayee Ghosh

দিদি নম্বর ওয়ানে মাঝেমধ্যে বিভিন্ন তারকাদেরও আসতে দেখা যায়। তারাও নিজেদের এগিয়ে চলার ঘটনা ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। ঠিক একইরকম ভেবে এই দিন টলিউডের তারকারা এসেছিলেন দিদি নাম্বার ওয়ানের মঞ্চে। উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী এবং গায়িকারা। তাদের সঙ্গে ছিল তাদের বন্ধুরা। গল্প আড্ডা খেলা গান সব মিলিয়ে মেতে উঠেছিল মঞ্চ।

সেখানে খেলতে এসে রচনা বন্দোপাধ্যায়ের সামনেই নিজেকে নিয়ে একটা বেফাঁস মন্তব্য করে বসলেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। যা শুনে রীতিমত চমকে গেলেন দর্শকম মহল। তবে কি গল্পের ছলে নিজের জীবনের আসল সত্যিটাই সবার সামনে উৎঘাটন করে ফেললেন অভিনেত্রী? ঠিক কি হয়েছিলো সেদিন? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Chandreyee Ghosh (@chandreyee.ghosh)

আরও পড়ুনঃ ‘অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল, আমরা রোজ ভাবতাম কাল আবার শ্যুটিং হবে কিনা…’, ‘মিলি’ বন্ধ হওয়া নিয়ে মুখ খুললেন অনুভব-খেয়ালী

দিদি নম্বর ওয়ানে চান্দ্রেয়ী ঘোষ (Chandrayee Ghosh)

এদিন দিদি নম্বর ওয়ানে এক বন্ধুর সঙ্গে খেলতে এসেছিলেন চান্দ্রেয়ী ঘোষ (Chandrayee Ghosh)। সেখানে এসেই রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি বলেন, “আজ আমি চরিত্রহীন হয়ে এসেছি।” চরিত্রহীন বলতে তিনি কিন্তু মেগার কোনো চরিত্রের কথা বলেননি। এই চরিত্রহীন কথাটি তিনি জ্ঞানত নিজেকেই বলেছিলেন। তাঁর কথায় তাল মেলান ফুলকির জেঠি শাশুড়ি ওরফে মিশকা হালিম। চান্দ্রেয়ী ঘোষ, মিশকা হালিম ছাড়াও এসেছিলেন প্রশ্মিতা পাল, অমৃতা দেবনাথ।

Back to top button