খাবার গুলো কেনা! অনির্বাণের কাছে ধরা পড়ে গেলো রাই! প্ল্যান করে স্রোতকে কলেজ থেকে বের করে দিল সার্থক!
নিজের ভুল স্বীকার করে নিলে অনেক সময় অনেক সমস্যার মীমাংসা অনেক সহজে করে ফেলা যায়। আর সেটাই করলো জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকের বর্তমান নায়ক অনির্বাণ। ধীরে ধীরে এই ধারাবাহিকটি দর্শকদের মনে জায়গা করে নিচ্ছে। ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাইকে অকারণে অনেক কথা শুনিয়ে দেয় অনির্বাণ। পরে তার অনুশোচনা হয়।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনির্বাণ তার অফিসের কর্মচারীদের খুব সম্মান করে। এক কর্মচারী যে চা কফি নিয়ে আসে, সে অনির্বাণকে রাই এর নামে অনেক ভালো ভালো কথা বলে। সে বলে, “রাই দিদি সত্যি খুব ভালো। কাল আমার গা টা গরম ছিল বলে আজ আমায় জিজ্ঞেস করছিল ওষুধ খেয়েছি কিনা। খাইনি শুনে আবার এক পাতা ওষুধ দিল।” তার থেকেই অনির্বাণ জানতে পারে তাই কাঁদছিল। অনির্বাণ বুঝতে পারে সে একটু বেশিই খারাপ ব্যবহার করে ফেলেছে। এরপর সেখানে চলে আসে রাই।
অনির্বাণ রাইকে বলে, একটা ব্যাক্তিগত কারণে তার মনটা ভালো ছিল না তাই এসব বলে ফেলেছে। রাই বলে, সে সবার বস। সে বলতেই পারে, তার অধিকার আছে। অনেকক্ষণ বলার পরেও রাই অনির্বাণ এর সাথে একসাথে খেতে কিছুতেই রাজি হয়না। তখন অনির্বাণ বলে, ভুল যখন সে করেছে, ক্ষমা চাইলে হবে তো? এরপর রাই এর কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয় সে। এটা দেখে রাই একেবারে অবাক হয়ে যায়। সে ভাবতেও পারেনা এত বড় মানুষ এভাবে ক্ষমা চাইতে পারে বলে।
এরপর রাই খেতে বসার জন্য রাজি হয়ে। কিন্তু খাবার গুলো ব্যাগ থেকে বের করার সময় ঘটে যায় আর এক বিপদ। অনির্বাণ বিল দেখে বুঝে যায় খাবার গুলো কেনা। রাই তখন সবটা অনির্বাণকে খুলে বলে। সে বলে, তার বাড়িতে সকালে কি হয়েছিল, কেনো দেরি হলো। আর স্যার খেতে চেয়েছেন বলে রাই এগুলো না এনে থাকতে পারেনি। ধার করে কেনা এগুলো। অনির্বাণ এসব শুনে রীতিমতো অবাক হয়ে যায়। তার খুব খারাপ লাগে। যে মানুষটা তার জন্য এতটা ভেবেছে, তাকেই আজ বের করে দিতে যাচ্ছিল সে। অনির্বাণ বিনীত ভাবে আবারো রাই এর কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয়।
আরো পড়ুন: “সফল ছবিকে সিরিয়াল বলবেন না…!” প্রধানের ১০০ দিনের পূর্তিতে ক্ষুব্ধ অভিনেতা দেব!
এদিকে, স্রোত আজ অনেক কিছুই জানতে পারে সার্থকের বিষয়। স্রোতের এক সিনিয়র তাকে বলে, “আমি যতদূর জানি স্যার যখন ছোট ছিলেন তখন ওনার মা বিনা চিকিৎসায় মারা যান। ওনার বাবা তখন বিদেশে ছিলেন আসতে পারেননি। সেই থেকে ওনার সাথে ওনার বাবার সম্পর্ক খারাপ। আর ওনার এক প্রেমিকা ছিল। সেও স্যারকে ঠকায়।” স্রোত বলে, এই জন্যই স্যার এমন হয়ে থাকে। কিন্তু এর তো একটা সমাধান দরকার। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে সার্থক আর ভাবে স্রোত তার ব্যাক্তিগত বিষয় নাক গলাচ্ছে। সে বলে, স্রোতকে এই কলেজ থেকে সে তাড়িয়ে ছাড়বে।

