‘যেই টাকা পেয়ে বিপদ থেকে উদ্ধার হয়ে গেছে অমনি চাঁদনী চাঁদনী করছে!’ মৌয়ের সঙ্গে নির্ঝরের খারাপ ব্যবহার কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না দর্শক

স্টার জলসায় কিছুদিন আগে শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘মেয়েবেলা’। এখানে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যায় অভিনেত্রী স্বীকৃতি মজুমদার এবং অভিনেতা অর্পণ ঘোষালকে। সেই সঙ্গে নায়কের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যায় অভিনেত্রী রূপা গাঙ্গুলিকে, বহু বছর পরে আরো একবার বাংলা টেলিভিশনে ফিরে এসেছেন। ধারাবাহিকটি শুরুর পর থেকেই দর্শকমহলে বেশ জনপ্রিয়তা এবং প্রশংসা পেয়েছে। প্রত্যেকটি চরিত্র এত সুন্দর করে ফোটানো হয়েছে এই ধারাবাহিকে যা দেখে মুগ্ধ দর্শক। এমনকি দিনে দিনে বেশ ভালই টিআরপি তালিকাতেও ফল করছে ‘মেয়েবেলা’।
বর্তমানে ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে নায়ক নায়িকার বিয়ের ট্র্যাক। যেখানে নায়ক নির্ঝর তার ১২ বছরের প্রেমিকা চাঁদনীকে পরিস্থিতির চাপে পড়ে বিয়ে করতে পারে না আর তাকে বিয়ে করতে হয় মৌকে। মৌও নির্ঝরের পরিবারের সকলের মুখের দিকে তাকিয়ে বিয়েতে না করতে পারেনা। যার ফলে তাদের দুজনের বিয়ে হয়ে যায়। বর্তমানে তাদের বাড়ি থেকে মৌ এবং নির্ঝরের সামাজিক বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। আর বিয়ের দিন চাঁদনী আসে তার সব গয়না দিয়ে মৌকে সাজিয়ে দিতে। কিন্তু মৌ সেই গয়না নিতে অস্বীকার করে।
এরপরে বীথি অর্থাৎ নির্ঝরের মা চাঁদনী যখন চলে যাচ্ছিল তখন নির্ঝরকে মাথার দিব্যি দেয় এবং বলে যে চাঁদনীকে বাড়ি ছেড়ে আসতে। তাই প্রথমে নির্ঝর বাড়ি ছেড়ে আসতে না যেতে চাইলেও পরে তাকে বাধ্য হয়ে যেতে হয়। এবং মাঝ রাস্তায় চাঁদনীর শরীর খারাপ করে যায় এবং সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে গাড়ির মধ্যে।
নির্ঝরের আসতে অনেকটা দেরি হয়ে যায় এবং সে ফোনও ধরে না, ফোনটাকে সুইচড অফ করে দেয়। বাড়িতে সকলেই চিন্তা করতে থাকে তারপর যারা নিমন্ত্রিত ছিল তারা উল্টোপাল্টা কথা বলতে থাকে মৌকে নিয়ে।
যা দেখে মৌ এর দাদাভাই অর্থাৎ পাপাই তাকে নিয়ে বিয়ের মন্ডপ থেকে চলে যেতে চায়, তখনই নির্ঝর আসে এবং তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। কিন্তু নির্ঝর আসতেই তার বাবা তাকে অনেক কথা শোনায়। তার কোনো কথা শুনতে চায়না কেউ। এরপর ভালোভাবে মৌ এবং নির্ঝরের বিয়ে হয় এবং বিয়ের পরে তারা তাদের বাড়ির বড়দেরকে প্রণাম করতে যায়, সেখানে গিয়েও বীথি মৌকে অনেকগুলো কথা শুনিয়ে দেয় এবং তার মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দেয়। তারপরেই নির্ঝরকে একটা ঘরে নিয়ে গিয়ে মৌ তাকে বলে যে সে কেন তাকে এমন অপমানের মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল? নির্ঝরের কোন কথাই শোনে না মৌ, উল্টে তাকে বলতে থাকে যে যেহেতু সে অসহায় তাই জন্য তাকে এইভাবে অপমান করার সকলে সুযোগ পেয়ে যায়।
যা শুনে নির্ঝরও রেগে যায় এবং মৌকে অনেকগুলো কথা বলে দেয়। এমনকি মৌকে বলে যেদিন সে দু কোটি টাকা ফেরত দিতে পারবে সেই দিন মৌকে মুক্ত করে দেবে এবং সে নিজেও এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে। এই শুনে মৌ কষ্ট পায় এবং মৌও বলে যে দু কোটি টাকা শোধ করার পরে সে নিজেই নির্ঝরের জীবন থেকে চলে যাবে।
দর্শকরা নির্ঝরের এই কথাগুলো মৌকে বলা একেবারেই মেনে নিতে পারেনি। তাই নিয়ে এক নেটিজেন লিখেছেন,”আমি বুঝলাম ডোডোর চাঁদনীর জন্য কষ্ট হচ্ছে,তাই বলে মৌও এর সাথে এমন ব্যাবহার,
এখন টাকা পেয়ে গেছে বিপদ থেকে উদ্ধার হয়ে গেছে, এখন চাঁদনী চাঁদনী করছে,
মৌও কি বলেছিলো শুধু সম্মান কোনো অধিকার চায়নি তো,
যখন টাকার জন্য পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছিলো তখন বাঁচার জন্য মৌও কে বিয়ে করলো কেনো,
বললেই হতো আমি চাঁদনী কে ছাড়া বিয়ে করবোনা পুলিশ ধরে নিয়ে যাক ।”

