স্রোতকে শাস্তি দিতে গিয়ে নিজেই বিপাকে সার্থক, রাইকে অপমান করলেও তার রান্না খেয়ে মুগ্ধ অনির্বাণ!

কোনো কিছুর মূল্যেই নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দেওয়া যায় না। কিছু কিছু মানুষ নিজের জীবন অবধি দিয়ে দিতে পারে কিন্তু আত্মসম্মান নয়। আর ঠিক সেই রকমই একজন মেয়ে হল জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। তার স্পষ্টভাষী চরিত্র এবং নির্ভীক মানসিকতা বার বার মুগ্ধ করছে দর্শক মহলকে। টিয়ারপিতেও একটু একটু করে নিজের প্রভাব বিস্তার করছে এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নিজের জীবনের প্রথম চাকরি ক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে রাই। প্রথম দিনই নিজের সততা আর শালীনতা দিয়ে স্যার এর অর্থাৎ রাই এর নায়ক অনির্বাণের মন জয় করে নিয়েছে সে। তারা একসাথে লাঞ্চ করে। অনির্বাণ রাইকে একদিন রান্না করা খাবার আনতে বলে। আর সেটা আনতে গিয়েই আধ ঘণ্টা দেরি করে ফেলে রাই। সেই নিয়ে অনির্বাণ রাইকে অনেক কথা শোনায়। আর শেষ পর্যন্ত চাকরিটা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাই।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, এত ঝামেলা হওয়ায় এবং তাকে এমন ভাবে অপমানিত হতে হওয়ার জন্য রাই ঠিক করে সে এই চাকরিটা আর করবে না। অনির্বাণ বলে তার সামনে বসেই সে যেন ইস্তফার দরখাস্ত লিখে দেয়। রাইও ঠিক সেটাই করে। দরখাস্ত লেখার সময় হঠাৎ অনির্বাণের কাছে একটা ফোন আসে। কথা বার্তা শুনে বোঝা যায় তাকে ফোন করেছে তার প্রাক্তন স্ত্রী, যে তাকে একসময় ঠকিয়ে চলে গিয়েছিল। সেই রাগ টাই রাই এর উপর দেখিয়ে ফেলে অনির্বাণ। রাই যখন লিখে সেই দরখাস্ত অনির্বাণকে দেয়, সে বলে “এবার নিশ্চই আপনি আমার নামে বদনাম রটাবেন?” রাই বলে তার এত সময় নেই কারণ তাকে আবার চাকরি খুঁজতে হবে।
এরপর রাই বলে, খাবারটা তার নাম করে এনেছিল সে তাই ফেরত নিয়ে যেতে পারছে না। স্যার ইচ্ছে হলে ফেলে দিতে পারে। তারপর রাই চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়ালেই চিৎকার করে ওঠে অনির্বাণ। সে রাইকে বলে, “আপনি জানেন কতটা সময় নিয়ে এক একটা ইন্টারভিউ নিতে হয়? কত মানুষের সাথে কথা বলার পর একটা মানুষকে চাকরি দেওয়া হয়? আমি গোটা দিন ইন্টারভিউ নিয়ে আপনাকে বেছেছি আর আপনি চাকরি ছাড়ার কথা বলছেন?” এই বলে অনির্বাণ রাই এর লেখা দরখাস্ত ছিড়ে ফেলে বলে নিজের টেবিলে গিয়ে কাজ শিখতে।
আরো পড়ুন: এবার ‘বুকের আঁচল’ নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী দেবযানী চট্টোপাধ্যায়, মমতা শঙ্করের উদ্দেশ্যে কী বললেন অভিনেত্রী?
অন্যদিকে, স্রোত আর স্যার অর্থাৎ সার্থককে নিয়ে ক্লাসের মধ্যেই নানা রকম মন্তব্য করে বাকি ছাত্রীরা। কথায় কথায় স্রোত সবটা সবার সামনে বলে দেয়। স্রোত স্যারের বাড়ি গেছিল এটা বলে দেওয়ায় রেগে যায় সার্থক। সেও নানা রকম ভাবে স্রোতকে অপমান করে আর তিন দিনের জন্য স্রোতকে ক্লাস থেকে সাসপেন্ড করে। তখন স্রোতের পক্ষে দাঁড়িয়ে পড়ে গোটা ক্লাস। তারা বলে স্রোত যদি ক্লাস না করে তাহলে তারাও করবে না। উল্টো চাপে পড়ে যায় সার্থক। এদিকে রাইকে অপমান করার জন্য বেশ খারাপ লাগে অনির্বাণ এর। লাঞ্চ এর সময় হতেই রাইকে ডেকে পাঠায় সে।

