জালিয়াতির দায়ে গ্রেফতার হল সৃজনের বাবা, মায়ের কথায় বর্ষাকে ফেলে রেখে চলে গেল অর্ণব!

নিজের হাতেই তো নিজের মেয়ের জীবনটা শেষ করে দিয়ে বড়াই করছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের অন্যতম খলচরিত্র কৃষ্ণা। বর্ষার জীবনের সব থেকে ভুল সিদ্ধান্তটা নিয়ে এখন বিপাকে পড়তে হচ্ছে তাকে। একদিকে মেয়ে আর অন্যদিকে স্বামী দুজনের দুরাবস্থাই নিজের চোখের সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতে হচ্ছে তাকে। নায়িকার জীবনিও আছড়ে পড়লো নতুন ঝড়।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা জানতে পারে পিকলুও বর্ষাকে ভালবাসে। কিন্তু সে নিজের দিদির কথা চিন্তা করে এসব বর্ষাকে বলতে পারেনি। উল্টে শুধু বন্ধু বলে তাকে সরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু পিকলু যখন এই সমস্তটা স্বীকার করে তখন অনেক বেশি দেরি হয়ে গিয়েছে। বিয়ে প্রায় শেষের পথে। তারপরেও শেষ চেষ্টা করে ধারাবাহিকের নায়িকা। তাড়াতাড়ি পিকলুকে নিয়ে বিয়ের আসরে চলে আসে পর্ণা।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বিয়ের আসরে এসে তারা দেখে অর্ণব সিঁদুর তুলে দিয়েছে বর্ষার সিঁথিতে। অর্থাৎ যেটুকু আশা ছিল এই বিয়েটা আটকানোর সেই সবটাই শেষ। আর কিছু করার নেই। সত্যি এবার বর্ষা অন্য কারোর স্ত্রী হয়ে গিয়েছে। পর্ণা পিকলুকে বলে এইবার আর তার দিদি তার ভাইয়ের করা ভুলগুলোকে শুধরে দিতে পারল না। কিছু জিনিস সময় না করলে সত্যি বড় দেরি হয়ে যায়। আর এই দেরিটা পরবর্তীতে আর মেটানো যায় না। কৃষ্ণা এসে পর্ণার কানে কানে বড়াই করে বলে যায়, এইবার সেই জিতল। তার পছন্দ করা ছেলের সাথেই তার মেয়ের বিয়ে হল। পর্ণা মনে মনে ভাবতে থাকে এটা যে কত বড় সর্বনাশ ঘটে গেল সেটা হয়তো সে কখনো বলতেও পারবে না।
সবাই এরপর অর্ণব আর বর্ষাকে আশীর্বাদ করতে ব্যস্ত। তখন অমিতেশ লক্ষ্য করে তার ফোনে আবার একটা মেসেজ ঢুকেছে। এরপর সে পর্ণাকে বলে, গতকাল রাত থেকে তার ফোন একটার পর একটা টাকা ঢোকার মেসেজ আসছে। সবমিলিয়ে প্রায় তিন লক্ষ টাকা তার ব্যাংকে ঢুকেছে। এরপর সেই মেসেজটা দেখে পর্ণা। দেখা মাত্রই সন্দেহ জাগে তার মনে, সে বাবাকে বলে “আমায় কাল থানা থেকে ফোন করে বলেছিল যে কিছু একটা গন্ডগোল হয়েছে। আর তার পর থেকেই এসব ঘটছে। তাই আমার মনে হয় আমাদের একবার থানায় যেতে হবে। এসব মিটলেই আমরা যাবো।”
আরো পড়ুন: ‘রান্নাঘর ২’ নিয়ে ফের টেলিভিশনের পর্দায় ফিরছেন সুদীপা! খুশির খবর দর্শক মহলে
বাড়ি ফেরার জন্য বারবার তাড়া দিতে থাকে পাত্রের পরিবার। এরপর বর্ষাকে বিদায় দেওয়ার জন্য চাল আনা হয়। ঠিক সেই সময় সেখানে এসে উপস্থিত হয় পুলিশ। তারা বলে, সাইবার ক্রাইম ডিপার্টমেন্ট থেকে তারা এসেছে। এরপর সৃজনের বাবার ফোনটা দেখে তারা বলে, “যা ভেবেছিলাম একদম ঠিক। উনি জালিয়াতি করে প্রায় তিন লক্ষ্য টাকা চুড়ি করেছেন।” এটা জানা মাত্রই মা এর কথায় অর্ণব বর্ষাকে না নিয়েই সেখান থেকে চলে যায়। পর্ণা কিছুতেই এই বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার কোনো পথ খুঁজে পায় না।

