বর্ষাকে নিয়ে পালিয়ে গেলো পিকলু! এই দেখে পর্ণাকে বাড়ি থেকে বের করে দিলো কৃষ্ণা!

সময় থাকতে অনেকেই তার মর্ম উপলব্ধি করতে পারে না।সময়ের কথা সময়ে না বলতে পারলে পরে কেবল আপসোস করতে হয়। আর সেটাই এখন করতে হচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকে নায়িকা পর্ণার ভাই পিকলুকে। চলতি সপ্তাহে প্রথম থেকে দ্বিতীয় স্থানে চলে এসেছে এই ধারাবাহিকের টিআরপি।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, কৃষ্ণা তার মেয়ে বর্ষার বিয়ে ঠিক করেছে। পর্ণা আর সৃজন চেয়েছিলো কোনো ভাবেই যেনো বর্ষার অমতে কিছু না হয়। কিন্তু পিকলুর থেকে প্রত্যাখ্যান পেয়ে বিয়েতে রাজি হয়ে যায় বর্ষা। বিয়ের দিন পিকলু বুঝতে পারে সে অনেক বড় ভুল করে ফেলেছে আর তার ফল স্বরূপ সে বর্ষাকে হারিয়ে ফেলতে চলেছে। কিন্তু এখন আর ভেবেও কোনো কিছু করতে পারবে না সে। পর্ণা বুঝতে পারছে পিকলুর কষ্ট হচ্ছে কিন্তু তারও এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আর কিছুই করার নেই।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, চারিদিকে বিয়ের তোড়জোর চলছে। ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে বর্ষার গায়ে হলুদ পর্ব। ঠিক তখনই সৃজনের বাবার কাছে একটা ফোন আসে। তাকে ফোন করে ব্যাংকের ম্যানেজার। সে অমিতেসকে বলে, তার জন্য একজনের পেমেন্ট আটকে আছে তাই তাকে একবার আসতে হবে। এটা শুনে সে অফিসের দিকে রওনা দেয়। এই দেখে জেঠু বলে, “ঠিক এটার জন্যই আমার চাকরি বাকরি ভালো লাগে না। গোলামী করা শুধু।” বাবা অফিসে গেছে জানতে পারে সন্দেহ হয় পর্ণার আর সেও তখন বাবার পিছন পিছন বেরিয়ে পড়ে।
অফিসে পৌঁছে ম্যানেজারের ঘরে ঢুকতেই দরজা বন্ধ করে দেয় রাঘব আর অমিতেসের মাথায় বন্দুক তাক করে। রাঘব বলে, ভালোয় ভালোয় যদি সেদিন সে লোনটা দিয়ে দিত তাহলে আজকের দিনটা দেখতে হতো না। এরপর ল্যাপটপটা খুলে অমিতেসের সামনে এগিয়ে দেয় ম্যানেজার আর বলে পাসয়ার্ড দিতে। উপায় না পেয়ে সেটাই করতে যায় সে আর ঠিক তখনই ঘরে চলে আসে পর্ণা। সে আসতেই মনে জোর পায় সৃজনের বাবা। পর্ণা বলে সে একা আসেনি, তার সাথে আছে পুলিশ। এরপর ঘরে ঢুকে পড়ে পুলিশ আর সবাইকে হাতেনাতে পাকড়াও করে তারা। যাওয়ার আগে রাঘব বলে পর্ণার থেকে এর প্রতিশোধ সে নেবে।
আরও পড়ুন: পাক্কা খবর! নতুন মেগার আগমনে শেষ হচ্ছে মিঠিঝোড়া! ক্ষোভে ফেটে পরলো দর্শক মহল!
বাড়ি ফিরে অমিতেস সবাইকে পর্ণার সাহস আর বুদ্ধির কথা শোনায়। কৃষ্ণা খুব ভয় পেয়ে যায়। অমিতেস বলে, প্রাণ থাকতে সে কখনো অসৎ পথ অবলম্বন করতে পারবে না। এদিকে পিকলু আর নিজেকে আটকে রাখতে না পেরে চলে যায় বর্ষার ঘরে। রুচিরা পিকলুকে থাকতে বলে নিজে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। তখন পিকলু বর্ষাকে বলে সে ভুল করেছে। এখন সে বুঝতে বর্ষাকে ছাড়া সে বাঁচতে পরবে না। পিকলু বর্ষাকে নিয়ে পালিয়ে যেতে রাজি। কিন্তু বর্ষা বলে এটা সম্ভব নয়। এখন অনেক দেরি হয়ে গেছে।

