ম্যানেজারকে উচিত শিক্ষা দিল পর্ণা, বর্ষার হবু বর চিটিংবাজ! সামনে আসতেই বুঝে গেল সে, কিন্তু কৃষ্ণা কি বুঝবে?

একবার দেখেই মানুষ চিনতে পারার ক্ষমতা খুব কম মানুষেরই থেকে থাকে। এটা একমাত্র তারাই করতে পারে, যাদের পূর্বে অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে অথবা যারা অনেক বিচক্ষণ এবং অন্তর দৃষ্টি সম্পন্ন। আর এই গুণগুলি সবকটাই বর্তমান জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণার মধ্যে। সে একবার কোন মানুষকে দেখে বা তার সাথে কথা বলে তার হাফ ভাব আচার-আচরণ অঙ্গভঙ্গি সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে এবং বুঝতে পারে যে সেই মানুষটি কি চায় বা চাইতে পারে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা বাস সৃজন কারোর কথাই শুনছে না কৃষ্ণা। তার মেয়ে যখন বলে দিয়েছে তার বিয়ে করতে সমস্যা নেই তখন পাত্র দেখে ফেলেছে সে। কৃষ্ণা সবসময় নিজের জেদ এবং অহংকারকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছে। এরপরে তার ছেলের জীবনে কি হচ্ছে বা কি হতে পারে সেই নিয়ে কখনো কিছু ভাবেনি যেমনটা সে নিজের মেয়ে বর্ষার বেলাতেও করতে চলেছে। এর আগেও এমনই একটি বাজে লোকের সাথে বর্ষার বিয়ে দিতে যাচ্ছিল কৃষ্ণা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ব্যাংকের ম্যানেজার বাড়িতে এসে অমি বাবুর সাথে কথা বলতে থাকে। সে বলে, রাঘব নামের সেই ব্যক্তিকে যেন লোনটা দিয়ে দেয় সৃজনের বাবা। এত বছর ধরে তার চাকরি জীবনে কোন দাগ লাগেনি। এখন এই অবসর সময়ে এসে কোন ঝামেলা না করাই ভালো। এসব শুনে সৃজন এর বাবা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ওই লোকটি একটি চিটিংবাজ। ওনার প্রোফাইল মোটেই ভালো না। আর জেনে শুনে ব্যাংকের কোন ক্ষতি করতে পারবে না সে। এই শুনে প্রচন্ড রেগে যায় ব্যাংকের ম্যানেজার। চিৎকার করে ওঠে সৃজনের বাবার ওপর। সে জানিয়ে দেয় ওই লোকটি প্রচন্ড ভয়ংকর। ওনার ইচ্ছে পূরণ না হলে উনি অনেক কিছু করতে পারেন।

কিন্তু তাতেও কিছুতেই রাজি হতে চায় না অমিতেস। ঠিক তখনই সেখানে চা নিয়ে ঢুকে পড়ে পর্ণা। সে ব্যাংকের ম্যানেজারকে বলে, “আপনার তো সাহস কম নয় আপনি আমাদেরই বাড়িতে এসে আমাদের বাড়ির মাথাকে এভাবে অপমান করছেন! আপনি তো নতুন নতুন চাকরি করছেন বয়সও কম। এই শুরুতেই নিজের জীবনে এরকম কলঙ্ক লাগাতে চাইছেন কেন? দ্বিতীয়বার যদি আপনাকে এমনটা করতে দেখি তাহলে কিন্তু খুব খারাপ হয়ে যাবে।” সব শুনে সেখান থেকে চলে যায় ব্যাংকের ম্যানেজার। প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায় অমিতেস। এসব ঝামেলার কথা জানতে পেরে কৃষ্ণা পাশে থাকার বদলে তার স্বামীকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই চাকরি ক্ষেত্রে সমস্যা যেন তার পরিবারে আঁচ না ফেলে।

এরপর, চলে এসেছে সেই দিন যেদিন পাত্রপক্ষ দেখতে আসবে বর্ষাকে। নিজের ননদকে সুন্দর করে তৈরি করছে পর্ণা। এর আগেই তাকে একটা টিপের পাতা দিয়ে আসে পিকলু। কারণ বর্ষা তার কাছে একবার এটা আবদার করেছিল। পর্ণা বুঝেই উঠতে পারেনা পিকলু ঠিক কি চাইছে। তার হাবভাব বলে দিচ্ছে সে বর্ষাকে ভালবাসে কিন্তু সবার সামনে স্পষ্টভাবে বলছে সে ভালোবাসে না। তার কথাকে বিশ্বাস করবে না ব্যবহার কে সেটাই ভেবে উঠতে পারছে না সে। পাত্র আসার সময় কৃষ্ণা পর্ণাকে সেখানে যেতে বারণ করে। কিন্তু বর্ষা আর সৃজন দুজনেই তার প্রতিরোধ করে আর বলে বৌদি না গেলে সেও বিয়ে করবে না। সৃজন বলে তার স্ত্রী মানুষ চিনতে পারে তাই তাকে তো যেতেই হবে। এরপর দত্তবাড়িতে আসা বর্ষার হবু বরকে দেখে একেবারেই ভালো লাগেনা পর্ণার। গোটা বাড়িটা দেখে লোভে চোখ চকচক করছিল সেই ছেলেটির। পর্ণা বোঝা যায় এই ছেলের মধ্যে কিছু একটা গন্ডগোল রয়েছে।

Back to top button