এতো বড় ষড়যন্ত্রের পিছনের কালপ্রিট শালিনীর আসল চেহারা স্যারের সামনে খুলে দিল ফুলকি! টানটান পর্ব ফাঁস 

সত্যের মুখোমুখি জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki) ধারাবাহিকের নায়িকা। সবার সমস্ত ষড়যন্ত্র বুঝে গিয়েছে সে। শুরু থেকেই এই ধারাবাহিকের নায়িকার অনেক বড় ভক্ত হয়ে উঠেছে দর্শক মহল। অসাধারণ একটা কাহিনী নিয়ে শুরু হয়েছিল এই ধারাবাহিকের গল্প। অনেক চড়াই উতরাই এর মধ্যে দিয়ে টিআরপি তালিকার প্রথম পাঁচে সেই প্রথম থেকে টিকে রয়েছে এই মেগা। ধারাবাহিকের গল্প অত্যন্ত আকর্ষণীয় যার ফলে দর্শকদের চর্চার অংশ হয়ে উঠেছে এই ধারাবাহিক।

বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, রোহিতকে কিছুতেই ফুলকির সাথে দেখতে পারেনা শালিনী আর রুদ্র। এতদিন তারা নানারকম পরিকল্পনার মাধ্যমে তাদের দুজনকে আলাদা করতে চেয়েছে এবং তাদের যথেষ্ট ক্ষতিসাধন করেছে। কিন্তু এত কিছুর পরেও রোহিত আর ফুলকিকে আলাদা করতে পারেনি শালিনী। তবে এইবার রোহিতকে মিথ্যে অপবাদে ফাঁসিয়ে জেল বন্দি করেছে শালিনী।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ফুলকি সিসিটিভি ফুটেছে দেখে নিয়েছিল যে সমস্ত বিষয়টার প্রত্যক্ষদর্শী হয়েছে বাসন্তী। অর্থাৎ সে যদি একবার সাক্ষী দেয় তাহলে রোহিতকে জেলে আটকে রাখার সাধ্য আর কারোর নেই কারণ তার সাক্ষীতেই সে নির্দোষ প্রমাণ হয়ে জেল এর বাইরে বেরিয়ে আসতে পারবে। তাই বাসন্তীর গ্রামে চলে যায় ফুলকি। অনেক রোদে পুড়ে এসেছে বলে ফুলকিকে এক গ্লাস গুড় জল দেয় বাসন্তীর মা। তার মাকে কোনভাবেই অসুস্থ মনে হয় না সেটা খুব ভালো করেই খেয়াল করে ফুলকি। বাসন্তীর মাকে সে কথা জিজ্ঞাসা করতেই তার মা বলে কই তার তো কিছু হয়নি। এরপর বাসন্তী এসে গোটা বিষয়টাকে ধামাচাপা দেয়।

এরপর ফুলকি আসল কথায় আসে। সে বাসন্তীকে বলে, সে তো সবটাই দেখেছে তাহলে কেন সাক্ষী দিতে চাইছে না? বাসন্তী সবটা অস্বীকার করে। সে জানিয়ে দেয়, কিছুই দেখেনি বাসন্তী। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে বাসন্তীর ভাই। ফুলকি তাদের গ্রামটা একটু ঘুরে দেখতে চায়। প্রথমে রাজি না হলেও পরে রাজি হয়ে যায় বাসন্তী। তার ভাইকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে ফুলকি। তার ভাই ছোট তাই তার পেট থেকে কথা বার করা সোজা। ফুলকি বাসন্তীর ভাইকে জিজ্ঞাসা করে, তার মা কি সত্যিই অসুস্থ?

আরো পড়ুন: এইবার সেয়ানে সেয়ানে টক্কর! বৈদেহি মুখার্জীকে খুঁজে পেয়ে গেল জগদ্ধাত্রী, তার চালেই তাকে মাত দিল জ্যাস!

তার ভাই সব সত্যিই ফুলকিকে বলে দেয়। সে বলে দেয় তাদের বাবাকে গুন্ডারা ধরে নিয়ে গেছে। তার দিদিকে হুমকি দেওয়া হয়েছে যদি সে সাক্ষী দেয় তাহলে বাবাকে মেরে ফেলা হবে। তখনই বাসন্তী এসে তার ভাইকে চুপ করতে বলে এবং সেখান থেকে নিয়ে চলে যায়। তবে ফুলকির যা বোঝার সব বোঝা হয়ে গিয়েছে। সে সোজা চলে যায় অংশুমানের কাছে আর সমস্ত ঘটনা খুলে বলে। অংশুর সাথে সাথে রোহিতকেও সব কথা বলে সে। ফুলকি তার স্যারকে বলে, সে যেন একেবারেই চিন্তা না করে। কারণ ফুলকি দাস তার স্যারের কোন ক্ষতি হতে দেবে না। সেখন থেকে চলে গেলে রোহিত পারমিতাকে বলে, সে যেন ফুলকির খেয়াল রাখে।

Back to top button