অবশেষে পর্ণার বুদ্ধিতে সবার সামনে অয়নকে জুতোপেটা করল অখিলেশ, সমস্ত টাকা ফিরে পেল সৃজন!

কথায় আছে একটা দরজা বন্ধ হয়ে গেলে সামনে আরো দশটা দরজা খুলে যায়। আর সেই বিষয়টা খুব ভালোভাবেই কাজে লাগাতে জানে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। সে কখনো হেরে যাওয়ার ভয় পেয়ে থেমে যায় না। সর্বদা চেষ্টা চালিয়ে যায়। যার ফলে এই ধারাবাহিকটি বর্তমানে দর্শকদের এত কাছের হয়ে উঠেছে। গত সপ্তাহে প্রথম স্থান অর্জন করেছে এই ধারাবাহিক।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজনের টাকা জালিয়াতি করে চুরি করে নায়কের দাদা অয়ন। লটারির টিকিট অদল বদল করে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এই টাকা সৃজনের কষ্টের রোজগার নয় তাই পর্ণা বিষয়টা নিয়ে এত মাথা ঘামায়নি। কিন্তু অয়ন টাকার দম্ভে যখন নিজের জীবত বাবার শ্রাদ্ধ করার কথা বলে তখন পর্ণা আর চুপ থাকেনি। এবার সে ঠিক করে এর যোগ্য জবাব দেবে অয়নকে। তার তাকে নেশা করিয়ে সত্যিটা বের করে রেকর্ড করে নেয়। তবে দুর্ভাগ্যবশত সেই ফোনটা খারাপ হয়ে যায়।

সেই ফোনটা ঠিক করানোর জন্য একটা দোকানে যায় তারা। তবে ফোনের অবস্টাজ এতটাই খারাপ যে, দোকানদার নিজেই চাপে পরে যায়। সৃজন আবার মন খারাপ করে বসে।ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, দোকানদার তাদেরকে বলে এটা চাঁদনী মার্কেটে পাঠালে কিছু একটা হতে পারে তবে তার জন্য দশ দিন সময় লাগবে। এটা শুনে রুচিরা বলে, এতদিন সময় লাগলে সব সর্বনাশ ঘটে যাবে। পর্ণা তখন মাথা ঠান্ডা করলে এই সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে। পর্ণার এমন অবস্থায় তাকে উত্তেজিত হতে বারণ করে সৃজন।

পরের দিন সকাল হতেই কৃষ্ণা তার ছেলে আর ছেলের বউকে বকাবকি শুরু করে কারণ আগের দিন রাতে অনেক দেরি করে বাড়ি ফিরেছিল সে। কৃষ্ণা ভাবে তারা হয়তো মন্দিরের ওইসব ছাই পাস খেয়ে নাচানাচি করছিল। সত্যিটা যখন সৃজন বলতে চায় তাকে আটকে দেয় পর্ণা। শুধুমাত্র ফোন ভেঙে যাওয়ার কথাটাই জানানো হয় কৃষ্ণাকে। এরপর বাড়িতে একে একে আসতে শুরু করে তাদের সমস্ত আত্মীয়-স্বজন। কারণ সবাইকে বলা হয়েছে অখিলেশ মারা গিয়েছে। প্রত্যেকে শুরু করে দেয় কান্নাকাটি। কিন্তু তারা যখন দেখে অখিলেশ জল জানতো বেঁচে রয়েছে তখন অবাক হয়ে যায় আর অয়নের নামে ধিক্কার জানাতে থাকে।

আরো পড়ুন: ‘কোনো পুরুষ এমন বিশ্বাসঘাতকতা করেনি…’ বিয়ের আটদিন যেতে না যেতেই মন ভাঙল শ্রীময়ীর!

অন্যদিকে ঢোল করতাল নিয়ে নিজের মাথা ন্যাড়া করে বাবার শ্রাদ্ধ করার সমস্ত আয়োজন করে ফেলেছে অয়ন। বাড়ির সবার হাতে শ্রাদ্ধের কার্ড ধরিয়ে দেয় সে। সব দেখে অজ্ঞান হয়ে যায় অখিলেশ। প্রত্যেকের চোখে জল। শয়তানের মত হেসে চলেছে অয়ন আর মৌমিতা। জ্ঞান ফিরতেই অখিলেশ পর্ণাকে বলে, তার তো অনেক বুদ্ধি সে যেন একটা ব্যবস্থা করে দেয় যাতে ওই কুলাঙ্গার ছেলেটার মুখে সে সবার সামনে জুতো মারতে পারে। পর্ণা বলে, অয়ন প্রত্যেককে আগামীকাল তাদের বাড়িতে ডেকেছে। এর থেকে ভালো সুযোগ আর হয় না। সে জেঠুকে কথা দেয় আগামীকালই জেঠু অয়নের মুখে জুতো মারতে পারবে।

Back to top button