‘কোনো পুরুষ এমন বিশ্বাসঘাতকতা করেনি…’ বিয়ের আটদিন যেতে না যেতেই মন ভাঙল শ্রীময়ীর!

প্রেস, নিরাপত্তারক্ষী ও ড্রাইভার বিতর্ক এখনও ফিকে হয়নি। সেই রেশ থাকতে থাকতে অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ (Shreemoyee Chottoraj) ও কাঞ্চন মল্লিকের (Kanchan Mullick) জীবনে নতুন তরজা। নববধূর বিশ্বাস নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে কেউ! বিয়ের পর পরই কে এমনটা করলেন?
বর্তমানে অষ্টমঙ্গলায় বাবার বাড়ি এসেছেন শ্রীময়ী আর কাঞ্চন। সমাজমাধ্যম সরগরম। একের পর এক ছবি সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিচ্ছেন শ্রীময়ী। এমনই এক পোস্ট হওয়া ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে একরত্তিকে শ্রীময়ী বলছেন, “আমার বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?” একরত্তি ছেলে সরাসরি শ্রীময়ীর বিয়েটা প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতেই অভিনেত্রী বলেন, “কোনও পুরুষ আমার সঙ্গে এভাবে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি। কেউ আমাকে রিফিউজ করেনি”।
ভিডিয়ো থেকেই স্পষ্ট নিতান্ত মজার ছলেই করা হয়েছে এটি। একরত্তি সম্ভবত শ্রীময়ীর বোনপো। তবে ভিডিয়ো ঘিরে উঠছে জোড় তরজা। নেটিজেনরা লিখছেন, “কোনও অপরাধ বোধ নেই। আপনার বিশ্বাস নিয়ে সত্যি খেলা উচিত।” তবে হঠাৎ কেন সকলে ক্ষেপে উঠলে সদ্য বিবাহিত কাঞ্চন-শ্রীময়ীর উপর?
গত ৬ মার্চ ছিল কাঞ্চন মল্লিক-শ্রীময়ী চট্টরাজের বিয়ের রিসেপশন। রিসেপশন হলের বাইরে একটি প্ল্যাকার্ড বিতর্কের মূলে। লেখা ছিল,“প্লিজ়! সংবাদমাধ্যম, ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী এবং গাড়ির চালকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ।” যা দেখে ক্ষেপে উঠেছেন দর্শকরা। সত্যি! এভাবেও লেখা যায়?
আরো পড়ুন: ছদ্ম বেশ নিয়ে অয়নকে ফাঁসালো সৃজন, প্রমাণ লোপাট করতে পর্ণাকে মারার চেষ্টা করলো অয়ন! ফাঁস ধুন্ধুমার পর্ব!
এ প্রসঙ্গে কাঞ্চন মল্লিক বলে বলেন ভেন্যুতে তাঁরা বলেই রেখেছিলেন, যাঁরা-যাঁরা আসছেন আমন্ত্রিতদের সঙ্গে, তাঁরা ফার্স্ট ফ্লোরে অপেক্ষা করবেন, বাকিরা উঠে আসবেন। গেস্ট লিস্টেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। এবং তাঁরা (এক্ষেত্রে ভেন্যু কর্তৃপক্ষ) সেটা বুঝে কী লিখেছেন, আমি জানিই না। আমি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে অপমান করিনি অনুষ্ঠানে। তা-ও বলছি, তাতে যদি কারও খারাপ লেগে থাকে, আমি তাঁদের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।” যদিও কাঞ্চনের সাফাইয়ের পরেও নেট মাধ্যমে ট্রোলে ভাটা পড়েনি একবিন্দু। সমালোচনা এখনও জারি।

