মর্গে গিয়ে আসল অপরাধীকে খুঁজে বের করলো জ্যাস! খুনীর নাম শুনে চমকে গেল স্বয়ম্ভু

অসাধ্য সাধন করলো জি বাংলার (Zee Bangla) নাম্বার ওয়ান ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রীর (Jagaddhatri) নায়িকা। তার বুদ্ধিমত্তা দেখে আরো একবার অভিনেত্রীর ভক্ত হয়ে গেল দর্শকরা। গত সপ্তাহের টিআরপি তালিকা অনুযায়ী বেঙ্গল টপারের স্থান এখনো অবধি ধরে রেখে দিয়েছে এই মেগা। সম্প্রতি নতুন একটা ক্লু পেয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, দুটো কেস একসাথে সামলাচ্ছে জগদ্ধাত্রী। একদিকে কৌশিকী মুখার্জীকে খুন করতে চাওয়ার অপরাধে তারই ভাই উৎসবকে শাস্তি পাইয়ে দিতে নিজের যথাসাধ্য করে চলেছে সে। আর অন্যদিকে এক উপর মহলের আমলার ছেলে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় তার তদন্ত চালাচ্ছে জগদ্ধাত্রী। এইবার দুটো কেসেই এক দারুন সফলতার মুখ দেখেছে অভিনেত্রী। একটা একটা করে জট খুলতে খুলতে সমস্যা সমাধানের একেবারে কিনারায় এসে পৌঁছেছে সে।
এতদিন ধরে উপল মৈত্রের সাক্ষী দেওয়ার ওপর নির্ভর করছিল উৎসবের শাস্তি। সেটাও হাসিল করতে পেরেছে জগদ্ধাত্রী আর কৌশিকী। তবে উপলকে কিভাবে চিনল উৎসব! সেটা জানতে এবার বৈদেহির কাছে হানা দিয়েছে তারা। আজকের পর্বে দেখা যায়, জগদ্ধাত্রী আর কৌশিকী দুজনে মিলে স্বয়ম্ভুর সৎ মাকে একটি ভিডিও দেখায় যেখানে উপল মৈত্র নিজের মুখে উৎসবের নাম নিয়েছে এবং বলেছে এই গুলিটা করতে তাকে বাধ্য করেছিল উৎসব মুখার্জী। এটা দেখে প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায় তার মা কারণ এটা কোর্টে সাক্ষ্য হিসেবে পেশ করা হলে উৎসব কি আর কোনোভাবেই জেলের বাইরে বের করা যাবে না।
এতকিছুর পরেও বৈদেহি মুখ খুলতে চায় না। তাকে বারবার প্রশ্ন করা হয় উপল মৈত্রকে কিভাবে চিনল উৎসব? তাকে চেনাটা একমাত্র সম্ভব বৈদেহির মারফত। কারণ বৈদেহি আর উপল একইসঙ্গে শুটিং প্র্যাকটিস করত। অর্থাৎ বহুদিন আগে থেকেই উপলকে চিনতো বৈদেহি। জগদ্ধাত্রী যখন তার সৎ শাশুড়ি মাকে জেরা করতে ব্যস্ত তখন একবার মেহেন্দি তো আরেকবার দেবু তার এই তদন্তে ব্যাঘাত ঘটাতে থাকে। তখন জগদ্ধাত্রী স্পষ্ট জানায়, আজ সে শান্তভাবে ভালোভাবে বাড়িতেই প্রশ্নগুলো করল এর পরের দিন ডিপার্টমেন্টে তুলে নিয়ে যাওয়া হবে তাকে। তখন কিন্তু আর কোনোভাবেই রেহাই পাবেন না তিনি।
আরো পড়ুন: সাংবাদিকদের চরম অপমান করলেন কাঞ্চন শ্রীময়ী! গেটের সামনে বড় বোর্ড “সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ!”
এদিকে জগদ্ধাত্রী জানতে পারে অনিন্দিতা তার ছুটির দিনেও হাসপাতালে গিয়েছে। অনিন্দিতা অনুসরণ করার নির্দেশ দেয় জ্যাস। হাসপাতালের মর্গে গিয়েছিল অনিন্দিতা, এটা জানতে পেরে বেশ অবাক হয় জগদ্ধাত্রী। এইসব বিষয়ে অনিন্দিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তেমন কোন উত্তর পায় না সে। একবার অনিন্দিতা উত্তেজিত হয়ে বলে ফেলে সে এক বিপদগ্রস্ত সন্তানের মা হিসেবে যা করার করছে। আর এই কথাটাই ভাবাতে থাকে তাকে। এরপর জগদ্ধাত্রী নিজেও চলে যায় সেই মর্গে আর সেখানে গিয়ে এসে বুঝতে পারে কিছু গুন্ডা মরা সেজে শুয়ে রয়েছে। এরপর তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয় এবং সবকটা গুন্ডাকে ধরাশায়ী করে জগদ্ধাত্রী। সমস্ত কাগজপত্র দেখে এবং তদন্ত করে জগদ্ধাত্রী বেরিয়ে এসে অত্যন্ত বিশ্বাসের সাথে স্বয়ম্ভুকে বলে, এই কেসের সাথে কোনভাবে অনিন্দিতা এবং অস্মিতা যুক্ত নয়। এর পেছনে রয়েছে অন্য কেউ। সে যদি খুব ভুল না হয় তাহলে সেই অপরাধীকে চিনে ফেলেছে জগদ্ধাত্রী।

