জগদ্ধাত্রীকে ঋষির খুনীর নাম বলে দিল সোহিনী! অস্মিতাকে মেরে ফেলল বিজয়লক্ষী!

জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নাম্বার ওয়ান ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। প্রতিদিন ধারাবাহিকের পর্দায় নতুন নতুন সব চমক এনে দর্শকদেরকে তাক লাগিয়ে দিচ্ছে নায়িকা। এই ধারাবাহিকের নায়িকার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। তার দমদার অ্যাকশন আর বুদ্ধিমত্তা মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। এই মুহূর্তে টিআরপি তালিকার একেবারে শীর্ষে অবস্থান করছে জগদ্ধাত্রী। প্রতি সপ্তাহেই বেঙ্গল টপার হচ্ছে এই মেগা।
বর্তমানে একটি বেশ জটিল কেসে জর্জরিত জ্যাস। এক জঘন্য অপরাধের পিছনে থাকা অপরাধীর মুখোশ খুলে দিতে নিজের যথাসাধ্য চেষ্টা করে চলেছে সে। তার মাঝেই আবার উৎসবের বিরুদ্ধেও প্রমাণ জোগাড় করেছে সে। শশুর বাড়ির চাপে দমে যাওয়ার বা ভয় পাওয়ার মেয়ে জগদ্ধাত্রী নয়। এইবার এক অনেক বড় সত্যের সম্মুখীন হলো জগদ্ধাত্রী।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, তাড়াহুড়ো করে গোছগাছ করছে অনিন্দিতা। অস্মিতা তার মাকে তাড়া দিতে থাকে কারণ তাদের আজ কোথাও একটা বেড়ানোর আছে। ঠিক সেই সময় সেখানে চলে আসে বিজয়লক্ষী। কোথায় বেরোচ্ছে তারা এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করায় অনিন্দিতা তার উত্তর কিছুতেই দিতে চায় না। তখন বিজয়লক্ষ্মী বলে, “আমার ছেলে ভালবেসে কোন ভুল কাজ করেনি। ভালোইতো বেসেছিল শুধু, তার জন্য ছেলেটাকে মেরে ফেললেন? আপনি যেমন আমার ছেলের শ্রাদ্ধ করেছেন তেমনি এবার আপনাকে নিজের মেয়ের শ্রাদ্ধ করতে হবে কারণ ওকে আমি মেরে ফেলব। এছাড়া আমার কাছে আর কোন উপায় নেই।” এসব শুনে প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায় অনিন্দিতা।
অন্যদিকে জগদ্ধাত্রী তুলে এনেছে সেই পুরোহিতকে যাকে নিয়ে শ্রাদ্ধ করতে ঢুকেছিল অনিন্দিতা সরকার। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে কিছুই বলতে চায় না সেই পুরোহিত। যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় কার শ্রাদ্ধ করছিল সে এবং অনিন্দিতা কে সে কিভাবে চেনে? সবটাই অস্বীকার করে যায় সেই পুরোহিত আর ঠিক তখনই তাকে ফোন করে অনিন্দিতা সরকার। পুরোহিতের মোবাইলে অনিন্দিতার ফোন দেখে সবটা বুঝে যায় জগদ্ধাত্রী। এর মাঝে অস্মিতার প্রিয় বন্ধু সোহিনী এসে সেদিনকার আরো কিছু ঘটনা জগদ্ধাত্রীকে খুলে বলে। সে বলে, সেদিন ঋষি আর অস্মিতা ঘরে ঢুকে যাওয়ার পর সে অনেকক্ষণ বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল এরপর তার একটা ফোন আসায় সে একটু অন্যদিকে সরে যায় আর ঠিক তখনই ঘরের দরজাটা একবার খুলেছিল। কোন এক মহিলা মুখে কাপড় জড়িয়ে ভিতরে ঢুকেছিল। তারপর আবার দরজাটা বন্ধ হয়ে যায় আর কিছুক্ষণ পরে খুলে যায়। তখন আর ওই ঘরে কেউ ছিলনা। এসব জেনে একটা অনেক বড় জট খুলে গেল জগদ্ধাত্রীর কাছে।
আরো পড়ুন: বর্ষাকে কাছে পেয়ে নিজের ভুল বুঝতে পারল কৃষ্ণা! প্রাণে বাঁচলেও পরিবর্তন হলো না অয়ন মৌমিতা!
এদিকে কৌশিকী দেখা করতে যায় উৎসবের সাথে। উৎসব ক্ষমা চাইলে কৌশিকী তাকে বলে, “আগে আমি তোকে খুব ভালবাসতাম। তুই আমার ছোট ভাই হোস। কিন্তু আমি এখন তোকে ঠিক ততটাই ঘৃণা করি। তাই তোকে ক্ষমা করার কোন প্রশ্নই ওঠে না।” এরপর বাড়ি ফিরে কৌশিকী আর জগদ্ধাত্রী দুজন মিলে উৎসবের মা অর্থাৎ বৈদেহি মুখার্জীকে সেই ভিডিও ক্লিপটা দেখায় যেখানে উপল মৈত্র স্পষ্টভাবে সবটা স্বীকার করেছে এবং উৎসবের নাম নিয়েছে। সেটা দেখে অবস্থা খারাপ হয়ে যায় উৎসবের মায়ের। কৌশিকী বলে, এবার আর কোনভাবেই কেউই উৎসবকে জেল থেকে ছাড়াতে পারবে না।

