মেয়ে সেজে নিজের রূপের জালে বিলায়তকে পাগল করলো সৃজন! ভয় দেখিয়ে বর্ষাদের উদ্ধার করার প্রথম লক্ষ্যপূরণ তাদের!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকে চলছে ধুন্দুমার পর্ব। আরো একবার পর্ণার প্রতি সৃজনের ভালোবাসার প্রমাণ পেলো বাংলার দর্শক। শুধু তাই নয় মেয়েদের প্রতি তার মনে থাকা সম্মান তাকে প্রকৃত নায়ক হিসেবে দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করলো। ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্ব এতটা আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে যে, তার প্রমাণ প্রতি সপ্তাহে পরিলক্ষিত হচ্ছে টিআরপি তালিকা থেকে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ওই ভয়ংকর মাফিয়াকে পাকড়াও করার মোক্ষম অস্ত্র পেয়ে গিয়েছে পর্ণা। নাচের দলের লোক সেজে পর্ণা, সৃজন, জেঠু, সৃজনের বাবা, রুচিরা, পিকলু সবাই চলে এসেছে মাফিয়ার ডেরায়। এর আগে পর্ণা চয়নকে দত্ত বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় কারণ ওখানে কোনো ছেলে নেই, কোনো আপদ বিপদ ঘটলে দেখার কেউ নেই। এর পর ধীরে ধীরে অনেক সাহস সঞ্চয় করে তারা তাদের কাজ শুরু করে দেয়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা সবাইকে বলে নাচ গান করতে করতে তাদেরকে ওই শয়তানটার কাছাকাছি যেতে হবে। এটা শুনে সৃজন বলে, সে কখনোই তার বাড়ির বউকে এমন একটা চরিত্রহীন লোকের কাছাকাছি যেতে দেবে না। এই কথা শুনে জেঠু বলে, সে হয়তো রুচিরাকে তার ছেলের বউ হিসেবে পছন্দ করে না ঠিকই কিন্তু সে নিজের বাড়ির মেয়ে বউয়ের সম্মান এভাবে সংকটের মুখে ফেলতে পারবে না। পর্ণা বুঝতে পারে না এবার সে কি করবে। কারণ ওই শয়তানটাকে ধরতে গেলে তার কাছাকাছি তো যেতেই হবে।

এরপর শুরু হয়ে যায় নাচ গান। সবাই জায়গা মতো উপস্থিত হয়ে যায়। সৃজনের জেঠু আর বাবাকে তো চেনাই যায় না। সবাই যখন ওস্তাদজীর সামনে চলে এসেছে তখনও সৃজনের কোন পাত্তা নেই আর এটা দেখে আবার চিন্তায় পড়ে যায় পর্ণা। একটু পরে সৃজন মেয়ে সেজে সেখানে প্রবেশ করে। যেটা দেখে আরও অবাক হয়ে যায় তারা। রুচিরা বলে সৃজন সত্যিই তার বন্ধুকে খুবই ভালোবাসে। তাই নিজের স্ত্রীয়ের সম্মান সে কখনোই ধুলোয় মিশতে দিতে চায় না। নাচতে নাচতে একটু একটু করে ওস্তাদজীর কাছাকাছি যায় সৃজন। তাকে বেশি বেশি করে মদ খাইয়ে অসংলগ্ন অবস্থায় আনার চেষ্টা করে সে। সৃজনকে বেশ পছন্দ হয়ে যায় ওস্তাদজীর। সে বলে এই মেয়েটাকেই তার চাই। ওস্তাদজীর সাথে থাকা গুন্ডারা তাকে বলে, এত রোগা রোগা সুন্দর মেয়ে থাকতে এই মোটা মেয়েটাকেই কেন পছন্দ হলো তার? বেলায়েত বলে মোটা রায় নাকি সের হয়।

আরো পড়ুন; সত্যিটা জেনে উৎসবের বিপক্ষে চলে গেল রাজনাথ! দিব্যার কথায় ফেঁসে গেল বৈদেহি!

এরপর অন্দরমহলে যায় সৃজন আর তার গোটা দল। কৌশলে সৃজন ওস্তাদজীর চোখ হাত পা বেঁধে দেয় আর একটা তামার তার তার গায়ে জড়িয়ে দেয়, সুইচ টিপলেই যাতে ঝটকা লাগে। তারপরেই আসল খেলা শুরু করে তারা। ওই অসহায় মানুষগুলো কোথায় আছে সেটা জিজ্ঞাসা করা হয় ওই শয়তান লোকটাকে। যখন সে কিছুই বলতে চায় না পর্ণা সুইচ স্টেপে আর জোরদার ইলেকট্রিক শক খায় সে। তারা পুলিশকে জানিয়ে দেয় যে ওই ভয়ংকর মাফিয়াকে তারা কাবু করে ফেলেছে। এদিকে তার কাছ থেকে সেই জায়গাটার খোঁজ পেয়ে যায় পর্ণা যেখানে অয়ন মৌমিতার বর্ষা এবং বাদবাকি লোকেরা রয়েছে।

Back to top button