অয়ন মৌমিতার চোখ উপড়ে নিচ্ছে পাচারকারীরা! সিসিটিভি ফুটেজে তাদের সন্ধান পেয়ে গেল পর্ণা

নিজেদের করা সমস্ত পাপের শাস্তি এবার অক্ষরে অক্ষরে পাচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের দুই নেতিবাচক চরিত্র অয়ন ও মৌমিতা। ধারাবাহিকের বর্তমান পর্বগুলি হয়ে উঠেছে আরো বেশি উত্তেজনাময়। নিজের ভাসুর আর জা-কে রীতিমতো ব্যস্ত হয়ে উঠেছে ধারাবাহিকের নায়িকা। এই ধারাবাহিকের নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করছেন পল্লবী শর্মা। তার অভিনয় এতটাই জীবন্ত যে, ধারাবাহিকের টিআরপি একেবারে তুঙ্গে।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা সৃজন দুজন মিলেই এখন খোঁজ করছে দাদা দিদির অর্থাৎ অয়ন মৌমিতার। পাপের শাস্তি দিতে তাদের দুজনকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় অখিলেশ। অন্য কোন কাজ না খুঁজে ভিক্ষা করাকেই পেশা হিসেবে বেছে নেয় তারা। কখনো অন্ধ সে যে কখনো ছেঁড়া জামা কাপড় পরে ভিক্ষা করতে থাকে তারা। আর এই ভাবেই তারা দুজন একটা গ্যাং এর কবলে পড়ে। তারা অয়ন আর মৌমিতাকে কিডন্যাপ করে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অয়ন আর মৌমিতাকে একটা ঘরে বন্দি করে রেখেছে তারা। শুধু অয়ন মৌমিতা নয় তাদের সঙ্গে রয়েছে ওই তল্লাটের আরো অনেক ভিখারি। এরপর সেখানে আসে দলের মাথা। অয়ন তাকে পুলিশের ভয়ে দেখালে অয়নকে এক চড় মারে সে। অয়ন আর মৌমিতাকে সে জানায়, তারা অনেক বড় একটা চক্র। তাদের কাজ ভিখারিদের তুলে আনা এবং তাদেরকে ওস্তাদজির কাছে বেচে দেওয়া। এবার ওস্তাদজি যাদের হাত ভেঙে চোখ উপরে নিয়ে বিভিন্ন টুরিস্ট লোকেশানে পাঠিয়ে ভিক্ষা করাবে আর টাকা তুলবে। এই কথাগুলো শুনে ভীষণ ভয় পেয়ে যায় অয়ন মৌমিতা।
অন্যদিকে পর্ণা যখন কোথাও তাদের খুঁজে পায় না তখন খুব ভয় পেয়ে যায়। তার মনে হয় এই সমস্ত কিছুর জন্য সেই দোষী। তার ওপর আবার এই বড় চক্রটা অনেকদিন ধরেই ভিখারিদের কিডন্যাপ করছে। পর্ণা বোঝে যায় ওই চক্রের কবলেই পড়েছে দাদা আর দিদি। সে তৎক্ষণাৎ পুলিশ স্টেশনে গিয়ে ডায়েরী করার কথা ঠিক করে। তার আগে একবার রঞ্জনা মৈত্রের থেকে নিশ্চিত হয়ে নেয় যে হেদুয়া অঞ্চলে এমন কোন মিসিং কেস রয়েছে কিনা। নিশ্চিত হতেই তারা সোজা চলে যায় পুলিশ স্টেশনে।
আরো পড়ুন: অনিন্দিতাকে কোর্টে দেখে অবাক জ্যাস, কী লুকোতে চাইছে সে? জানতে নতুন ফাঁদ পাতলো জগদ্ধাত্রী!
এই কেসের তদন্তে থাকা পুলিশ অফিসারের সাথে শালা পরামর্শ করতে থাকে পর্ণা। তারা প্রথমে সেই সব জায়গাগুলোকে চিহ্নিত করে যেখান থেকে ভিখারিদের তোলা হয়েছে। তারা লক্ষ্য করে সিগন্যাল এরিয়া থেকেই এই কাজটা বেশি হয়েছে তাই সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ গুলো ভালো করে পরীক্ষা করতে থাকে তারা। সেখানে একটি লোককে দেখতে পায় যিনি ভিক্ষা করছেন অথচ হাতে বড় ফোন। আর তাকেই দেখা যায় অয়ন মৌমিতার সাথেও। পর্ণা সহ প্রত্যেকে বুঝা যায় এই চকলেট সাথে এই লোকটার কোন না কোন একটা যোগাযোগ রয়েছে। পুলিশ ফোর্স নিয়ে এবার তদন্তে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রস্তুতি নেয় পর্ণা। অন্যদিকে জেঠি ভেঙ্গে পড়লে অখিলেশ বলে, তার সম্পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে পর্ণার উপর। সে তার বড় খোকাকে না নিয়ে বাড়িতে ফিরবে না।

