ভিখারি নাম্বার 1 অ্যাওয়ার্ড পেলো মৌমিতা! তাদের দুজনকে কিডন্যাপ করল ভগা

রহস্য রোমাঞ্চ ভালবাসা হাসি-ঠাট্টা সবকিছু মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে যে গল্পে, সেই গল্প দেখতে ভীষণ পছন্দ করেন দর্শক মহল আর ঠিক সেইরকমই একটি গল্প নিয়ে সম্প্রচারিত হচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিক। প্রতিটি পর্বে কিছু না কিছু নতুন বিষয় দেখা যায় এই ধারাবাহিকটিতে। আর পাঁচটা ধারাবাহিকের মতন এক জায়গায় গল্প থামিয়ে রাখে না এই মেগা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, অপরাধীদের মুখোশ ফাঁস হয়ে যাওয়ায় প্রচন্ড বিপদে পড়েছে অয়ন আর মৌমিতা। কারণ তাদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে তাদের বাবা অখিলেশ দত্ত। কোন কিছুর বিনিময়েই তাদের বাড়িতে ঢুকতে দিতে রাজি নয় সে। আর এদিকে অন্য কোন কাজও করতে পারেনা অয়ন। তাই শেষমেষ বাধ্য হয়ে ভিক্ষার পথ বেছে দিতে হয়েছে তাদের। সেটাও ধরা পড়ে যায় দত্ত বাড়ির কাছে কিন্তু তাতেও তাদের লজ্জা নেই। এইবার ভিক্ষা করতে গিয়েই চরম সর্বনাশের মুখে পতিত হলো দত্ত বাড়ির বড় ছেলে অয়ন আর মৌমিতা।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, চিন্তায় চিন্তায় পাগল হয়ে যাচ্ছে দত্ত বাড়ির প্রত্যেকে। কিন্তু তাও জেঠু তার নিজের সিদ্ধান্তে অনর। এদিকে জেঠি না খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। কি করবে কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। শেষমেষ সে জেঠুকে ভালোভাবেই বোঝায়, সে বলে যদি আজ দাদার চিন্তায় জেঠি অসুস্থ হয়ে যায় এবং কিছু হয়ে যায় তার তাহলে কিন্তু আর আফসোসের সীমা থাকবে না। কথাটা শুনে জেঠু একটু নরম হয়।
অখিলেশ বলে, বাড়িতে সে কিছুতেই ঢুকতে দেবে না ওদের কিন্তু চাইলে কিছু খাবার দাবার ত্যাগ করে সকালবেলা ওদের দিয়ে আসে যেতে পারে। কিন্তু বাড়িতে আর এলাও করবে না সে। পরের দিন হতেই সব কিছু রেডি করে খাবারদাবার নিয়ে গিয়ে দেখে অয়ন আর মৌমিতা সেখানে নেই। কোথাও খুঁজে পাওয়া যাওয়া যায় না তাদের। কারণ অয়নের মৌমিতা ইতিমধ্যেই বেরিয়ে গিয়েছে ভিক্ষে করতে। কিন্তু কোথাও সেভাবে ইনকাম হচ্ছে না। বেশ বিরক্ত হয়ে যায় অয়ন। তার মধ্যে একজন এক টাকা দেওয়াই সে একটু ঝামেলা করে বসে, যার ফলে সে যে অন্ধ নয় সেটা ধরা পড়ে যায়। অবশেষে তারা সেই ব্যক্তির কাছেই যায় যে ভিক্ষা করে গাড়ি বাড়ি সমস্ত কিছু কিনে ফেলেছে।
সেই লোকটির কাছে যেতেই সে বলে, তার মাথার ওপর এক দাদা রয়েছে, যে তাকে এই ভিক্ষা করার টেকনিক শিখিয়ে দিয়েছে। তার কাছে গেলেই অয়ন আর মৌমিতা সেই টেকনিক শিখে যাবে। আর তারপর তাদেরও অনেক টাকা-পয়সা হবে। এরপর তাদের দুজনকে একটা বাদাম লস্যি খেতে দিয়ে অপেক্ষা করে সেই লোক। লস্যি টা খেতেই অজ্ঞান হয়ে যায় তারা। ঠিক এই ভাবেই অনেক ভিখারিকে তাদের জালে ফেলেছে এই গ্যাং। এদিকে অয়ন আর মৌমিতাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে ভীষণ চিন্তায় পড়ে যায় পর্ণা। সে বাড়ির সকলকে বলে তার মনটা কু ডাকছে, সে একটা কেস পেয়েছে যেখানে জানা যাচ্ছে কেউ বা কারা সমস্ত ভিকারীদের কিডন্যাপ করছে। তাদের কি উদ্দেশ্য সেসব এখনো কিছুই জানা যায়নি। তাই বেশ দুশ্চিন্তা হচ্ছে তার। পর্ণার কথা শুনে এবার নিজেও চিন্তায় পড়ে যায় অখিলেশ।

