সবকিছু স্বীকার করলো উপল, জ্যাসের বুদ্ধিতে বাজিমাত, ভালোবাসা দিবস উদযাপন করলো জগদ্ধাত্রী স্বয়ম্ভু

বর্তমানে বাংলায় রহস্য রোমাঞ্চের সেরা ধারাবাহিক হয়ে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। মাত্র কিছুদিনের মধ্যেই ধারাবাহিকটি দর্শকদের মধ্যে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল। সম্প্রতি টিআরপি তালিকার একদম প্রথমে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিক। এই মেগার নায়ক নায়িকাকে একসাথে ভীষণ পছন্দ করেন দর্শক মহল। সেরা জুটি হয়ে উঠেছে তারা। শুধুমাত্র অনস্ক্রিন নয় অফ স্ক্রিনেও তাদের একসঙ্গে দেখলেই আনন্দে ভরে ওঠে দর্শকদের মন।

এই ধারাবাহিকে যে কেবল জটিল জটিল কেসের সমাধান, অপরাধীদের ধরা ইত্যাদি এসব দেখানো হয় সেটা কিন্তু নয়। এর পাশাপাশি নায়ক নায়িকার মধ্যে যে গভীর ভালোবাসা বর্তমান রয়েছে সেটাও প্রতি এপিসোডে কোন না কোন ভাবে ফুটে ওঠে। অর্থাৎ সব ধরনের স্বাদ একসাথে এই ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে পেয়ে থাকেন ভক্তরা। এই মুহূর্তে খুব সহজে অত্যন্ত জটিল একটি কেসের সমাধান করল নায়িকা জগদ্ধাত্রী।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সাধু দা আর কোনো রকম সুযোগ না দিয়েই সেখান থেকে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। কিন্তু জগদ্ধাত্রী কিছুতেই এত সহজে হাল ছাড়বেনা। সে নিজের বন্দুকটা বার করে টেবিলে রাখে। আর সেটাই নিজের হাতে তুলে নেয় উপল। আর তাক করে জগদ্ধাত্রীর দিকে। সে বলে, এটাই নাকি তার বর্তমান টার্গেট। এসব দেখে থমকে যায় সাধু। যে লোকটা কিছুক্ষণ আগে ঠিক করে কথা অবধি বলতে পারছিল না সে এখন হাতে বন্দুক তুলে নিয়েছে? কি করে এসব সম্ভব হচ্ছে সেটাই মাথায় ঢুকছেনা তাদের।

জগদ্ধাত্রী প্রশ্ন করে সেদিনকে উপল কাকে স্যুট করেছিল আর কে স্যুট করতে বলেছিল? উপল বলে, “কিছু কালো পোশাক পরা লোক বলেছিল গুলি করতে। আমি গুলি করেছিলাম কিন্তু টার্গেট মিস হয়ে গেল। আবার টার্গেট কি করে মিস হলো? আমি ওই বাচ্চা মেয়েটাকে মারতে চাইনি। আমাকে কি আবার পুলিশে ধরবে!” শুনে অবাক হয়ে যায় সাধু বটব্যাল। আরো একবার প্রমাণ হয়ে যায় জগদ্ধাত্রী ঠিক। এরপর তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠে সাধু দা। কিন্তু সমস্যা একটাই এগুলো তো কিছুই রেকর্ড করা হলো না। জগদ্ধাত্রী বলে সে প্রতিমাকে দিয়ে সবকিছু রেকর্ড করিয়ে নিয়েছে।

এরপর জগদ্ধাত্রীর কাছে একটা ফোন আসে, যেখানে সে জানতে পারে স্বয়ম্ভু বিপদে পড়েছে আর এটা শুনেই তাড়াতাড়ি করে বেরিয়ে পড়ে সে। গিয়ে দেখে কারো কিছু হয়নি, এই ভালোবাসার মাস উদযাপন করতে মিথ্যে বলে জগদ্ধাত্রীকে ডেকে এনেছে স্বয়ম্ভু। এরপর জগদ্ধাত্রীকে ফোন করে কৌশিকী আর সেখান থেকেই পুরোটা পরিষ্কার হয়ে যায়। এই সুন্দর করে ঘর সাজানো থেকে শুরু করে সবকিছু করেছে কৌশিকী। তারপর স্বয়ম্ভু আর জগদ্ধাত্রী নিজেদের মতন করে সময় কাটাতে থাকে।

Back to top button