সবকিছুর পিছনে রয়েছে স্বয়ম্ভুর নিজের মামা! তার সাথে হাত মিলিয়েছে বৈদেহি! জেনে গেল জ্যাস

জনপ্রিয়তার দিক থেকে মিঠাই ধারাবাহিকের পর জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) সেরার আসন দখল করেছে। ৮ থেকে ৮০ সব বয়সী দর্শকদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছে এই ধারাবাহিক। রহস্য রোমাঞ্চ রোমান্স সবেতে ভরপুর এই মেগার নায়ক-নায়িকাকে ভীষণ পছন্দ করেন দর্শক মহল। প্রত্যেক সপ্তাহে ধারাবাহিকের টিআরপি থাকে একেবারে শীর্ষে।
বর্তমানে গল্প অনুযায়ী, জোর কদমে চলছে তল্লাশি। কোম্পানির ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে সবটা খুঁজে বের করতে হবে জগদ্ধাত্রীকে। আর এই মুহূর্তে সেই পথে এগোচ্ছে সে। ইতিমধ্যেই বৈদেহির ঘর সার্চ করে অনেক তথ্য প্রমান পেয়েছে স্বয়ম্ভু। জগদ্ধাত্রীয় আস্তে আস্তে প্রায় অনেকটাই জট খুলে ফেলেছে। এক জায়গায় করার পালা।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাজনাথ ভীষণ চিৎকার করতে থাকে বৈদেহি মুখার্জীর উপর। সে বলে পুলিশ তো কোনো কারণ ছাড়া এখানে আসেনি, নিশ্চয়ই কোন কারণে এসেছিল আর বৈদেহির ঘরটাই বেশি ভালো করে সার্চ করেছে। কিন্তু কেন? আর স্বয়ম্ভু সাথে করে কীসের কাগজ নিয়ে গেল? অনর্গল জেরার মুখে পড়ে ভয় পেয়ে যায় বৈদেহি মুখার্জী। তখন গরিমা বলে তার মনে হচ্ছে এই সব কিছু পিছনে কোন বড় মাথা রয়েছে যে এই সবটা করাচ্ছে। মেহেন্দি বলে তারও এটাই মনে হয়। আর তার সন্দেহ জগদ্ধাত্রীর ওপর। কথাটা শুনে উৎসব বলে, এটা কোনভাবেই সম্ভব নয়।
এদিকে জগদ্ধাত্রী অনেক বড় একটা প্রমাণ পেয়েছে যেটা সে দেখায় তার বস সাধু দাকে। সেগুলো দেখে এবং জগদ্ধাত্রীর বর্ণনা শুনে সাধুদা একেবারে অবাক। সে বলে, “তুমি তো অসাধ্য সাধন করেছো। এইটুকু সময়ের মধ্যে এত কিছুর খোঁজ তুমি পেলে কি করে?” ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে স্বয়ম্ভু। সে জগদ্ধাত্রীকে বলে, কেন পানিহাটিতে গিয়েছিল সে? কালবোস মামা জগদ্ধাত্রীকে দেখেছে সেখানে। জগদ্ধাত্রী তখন পুরো বিষয়টা স্বয়ম্ভুকে খুলে বলে। সে বলে, “এইখানে যে ছবিটা দেখা যাচ্ছে এটা উপল মিত্রের ছবি। উপল মিত্র আর উর্মিলা মিত্র দুই ভাই বোন। ইনি খুব ভালো একজন শুটার। উপল মিত্র আর বৈদেহি মুখার্জী একসাথে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। উনি স্টেটকে রিপ্রেসেন্টও করেছেন। সেদিন তুষার তলাপাত্র বৈদেহি মুখার্জীকে যার দিকে ছুটে গিয়েছিলেন তিনি হলেন উপল মিত্র। এখন আমাদেরকে ওকে খুঁজে বার করতে হবে।”
তারা কালবোস মামার কাছে গিয়ে জানতে পারে, উপল এক সময় খুব জনপ্রিয় ছিল। সারাদিন ও প্র্যাকটিস করত। একদিন প্র্যাকটিস করতে করতে একটা গুলি একটা বাচ্চার গায়ে লাগে এবং সেই বাচ্চাটা মারা যায়। উপলকে গ্রেফতার করে পুলিশ আর ওর ক্যারিয়ারটা শেষ হয়ে যায়। এদিকে বৈদেহি মুখার্জী এক ডাক্তারের কাছে আসেন যার কাছেই রয়েছে উপল মিত্র। তিনি ডাক্তারকে অনেক টাকা দেন মুখ বন্ধ রাখার জন্য। ঠিক তারপর সেখানে আসে উৎসব আর উপল মিত্রের খোঁজ করে। বাইরে থেকে সবটাই দেখে বৈদেহি মুখার্জী। সবদিক থেকে ফেঁসে গিয়েছে সে। ভয়তে তার মাথা কাজ করা বন্ধ করে দেয়।

