তরঙ্গকে ধরিয়ে দিতে উঠে পড়ে লাগল ইশা, তাদের বাঁচাতে মোক্ষম প্ল্যান করলো পর্ণা!

বর্তমানে রহস্য রোমাঞ্চে ভরে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিক। টিআরপি তুলতে এবার নতুন চমক এসেছে ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্বে। অনেক সহ্য করেছে ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। এবার তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। পাল্টা চড়টা চেয়ে খুব ভালোভাবেই ঘায়েল করবে ধারাবাহিকের নায়িকার প্রধান শত্রু ইশাকে সেটা এখন থেকেই বুঝতে পারছে দর্শকমহল।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন দুজনে মিলে ফের ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং দত্ত বাড়িতে হোমস্টে খুলেছে। এই বিষয়টা একেবারেই মেনে নিতে পারছে না খলনায়িকা ইশা। সে প্রতিনিয়ত একটার পর একটা ক্ষতি করে যাচ্ছে তাদের। এই মুহূর্তে আর এক নতুন সমস্যা হিসেবে দত্ত বাড়িতে এসে জুটেছে তরঙ্গ দত্ত এবং তার প্রেমিকা। এইবার এদের দুজনকে কাজে লাগিয়েই দত্ত বাড়ির নতুন ক্ষতি করার চেষ্টা করছে ইশা।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কিভাবে কাছে ওই টুপিটা যে কুরিয়ার অফিস থেকে গিয়েছিল সেইখানে চলে গিয়েছে ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা। তারা বোঝার চেষ্টা করে যে ঠিক কি করলে জানা যাবে এই টুপিটা কে অনুভবকে কুরিয়ার করেছিল। এমন সময় ওই অফিসের সামনে থাকা একটা পানের দোকানে সিসিটিভি দেখতে পায় পর্ণা। সে আর সৃজন মিলে অনেক চেষ্টা করে, ওর ফুটেজ দেখার কিন্তু দোকানদার কিছুতেই রাজি হতে চায় না উল্টে চেচামেচি শুরু করে দেয়। তখন চয়নকে ডাকে পর্ণা। একজন পুলিশকে দেখে তাড়াতাড়ি ফুটেজ দেখাতে রাজি হয়ে যায় দোকানদার। আর সেখানেই তারা দেখতে পায় ইশাকে। তখন পর্ণা ঠিক করে, ইশা যেটা চাইছে এবার তাকে সেটাই দেখানো হবে। সে চাইছে পর্ণা সৃজনের মধ্যে ঝামেলার সৃষ্টি হোক। এইবার সেটাই ইশাকে দেখাবে তারা।
অন্যদিকে ইশা চলে যায় সংশোধনাগারে। সেখানে গিয়ে আবার রনির সঙ্গে পরামর্শ করতে থাকে সে। কারণ মৌমিতার থেকে সে জানতে পেরেছে, তরঙ্গ দত্ত এবং তার প্রেমিকার বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে। ওদের যদি ধরিয়ে দেওয়া যায় তাহলে কেল্লাফতে। একেবারে এক ঢিলে দুই পাখি। রনি শুনে ইশাকে বলে, সে জেলের মধ্যে থেকে এত ডিটেলস হেল্প করতে পারবে না কিন্তু তার বাবা পারবে। তাই তার বাবার কাছে ইশাকে পাঠিয়ে দেয় রনি।
রনির কথায় তার বাবার সুকুমার সুকুমার সেই ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে যাদের বাড়ির মেয়ের নাতাশা। এরপর তাদেরকে সমস্ত খবর জানিয়ে দেয়। সব শুনে সময় নষ্ট না করে দত্ত বাড়িতে চলে আসে নাতাশার বাড়ির লোকজন। নাতাশা নিজের দাদাকে দেখে খুব ভয় পেয়ে যায় এবং তরঙ্গর সাথে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। এটা বুঝতে পেরে যায় পর্ণা। এরপর তারা তরঙ্গ আর নাতাশাকে আটকায় এবং একে অপরের সাথে কথা বলে বুঝতে পারে আবার কেউ চক্রান্ত করে তাদেরকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। পর্ণা বলে, তরঙ্গ আর নাতাশার জন্য দত্ত বাড়ির চেয়ে সুরক্ষিত জায়গা আর হতে পারে না। সেখানেই তাদেরকে লুকিয়ে রাখবে পর্ণা।

