ঋণ শোধ করতে রাস্তায় চা বিক্রি করতে নামলো কথা, জানতে পেরে তাকে কঠিন শাস্তি দিলো অগ্নিভর দাদু!

কিছুদিন হল স্টার জলসায় (Star Jalsha) সম্প্রচারিত হচ্ছে কথা (Kotha)। এই ধারাবাহিকের মূল বিষয় হলো একেবারে অন্যরকম দুটো মানুষের একে অপরের প্রেমে পড়া এবং ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া। একে অপরের থেকে একেবারে আলাদা জগতে মানুষ হয়েও কিভাবে একসাথে জীবনে এগিয়ে যায় সেটাই ধারাবাহিকের মূল বিবেচ্য বিষয়।
কথা ধারাবাহিকের নায়কের নাম হলো অগ্নিভ গুহ এবং নায়িকা হলো কথাকলি বসু। এখানে নায়ক হিসেবে দেখা যাচ্ছে অভিনেতা সোমরাজ মাইতিকে এবং নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছে সুস্মিতা দে। এই ধারাবাহিকের নায়িকা মিস গোবর দেবী এবং নায়ককে সবাই এভি নামেই চেনে। এই ধারাবাহিকের নায়িকা সবুজ গাছপালা ভীষণ ভালোবাসে, ওইগুলোই তার বেঁচে থাকার একমাত্র সহজ সম্বল। কিন্তু নায়ক একেবারেই অন্য ধাতুতে গড়া। নায়ক ভীষণ ভালো রান্না করে এবং তার হাতের জাদু দিয়ে যে কোন মানুষের পেট মন ভালো করে দিতে পারে। দুইজনের চালচলন ভালোলাগা ভালোবাসার সব বিষয়ই ভিন্ন।
শুরু থেকেই একে অপরকে একেবারেই পছন্দ করত না ধারাবাহিকের নায়ক এবং নায়িকা। তারা প্রত্যেকেই একে অপরকে দেখলে রীতিমতো জ্বলে পুড়ে যেত। এদের মধ্যেও যে কখনো কিছু হতে পারে সেটা ভাবনা চিন্তারও বাইরে ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই কথাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয় অগ্নিভ। আর তারপর নতুন যুদ্ধের সম্মুখীন হয় কথা। তার ওপর চেপে বসে অনেকগুলো টাকার ঋণ। আর সেই ঋণ শোধ করতে গিয়ে সবার চোখে ছোট হয়ে যায় সে।
সম্প্রতি এই ধারাবাহিকের একটি নতুন প্রোমো ভিডিও সম্প্রচারিত হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, টাকা জোগাড় করার একটা নতুন উপায় খুঁজে বের করেছে কথা ধারাবাহিকের নায়িকা। সে বসে থেকে অন্য কারুর দান নিতে পারবে না, তাই শেষমেষ এমন একটা রাস্তা অবলম্বন করতে হলো তাকে। ধারাবাহিকের নায়িকা কথা বিভিন্ন জরিবুটি দিয়ে ঔষধি চা তৈরি করে সেটাই বিক্রি করার পরিকল্পনা করে। আর এরপর রাস্তায় নেমে পড়ে চা বিক্রি করতে।
আরও পড়ুন: “ফুলকিকে ত্যাগ করতে পারবো না আমি!” সবার সামনে শালিনীকে সরিয়ে ফুলকিকে আপন করলো রোহিত!
সবাইকে সে বলে, এই চায় এমন জরিবুটি গুন রয়েছে যে সবার সমস্ত রোগ দূর হয়ে যাবে। তাকে চা বিক্রি করতে দেখে প্রচণ্ড রেগে যায় ধারাবাহিকের নায়ক অগ্নিভ। সে কথার হাত ধরে টানতে টানতে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর নিজের দাদুর সামনে কথাকে দাঁড় করিয়ে সে বলে, “দেখুন আপনার প্রিয় নাতবউ রাস্তায় রাস্তায় চা বিক্রি করছে।” এটা শুনে ভীষণ রেগে গিয়ে কথার চা বিক্রি করা বন্ধ করে দেন তিনি। ভীষণ অসহায় হয়ে পড়ে কথা। সে মা কালীর সামনে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে আর বলে, চা বিক্রি না করলে সে এতগুলো টাকা শোধ করবে কি করে?

