“অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়লেই আসল সত্যি বেরিয়ে আসবে”- দিব্যার কথায় ভয় পেয়ে গেল বৈদেহি, গোপালের থেকে সব জানতে পেরে গেল জ্যাস

প্রত্যেকদিন একটা একটা করে জট ফুলে যাচ্ছে জগদ্ধাত্রী এর সামনে। আর এভাবেই আরো রোমাঞ্চকর হয়ে উঠছে জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব। বর্তমানে ধারাবাহিকটি চ্যানেল তথা টিআরপি টপার। শুরু থেকেই ধারাবাহিকটি দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিল। প্রত্যেকদিন নতুন নতুন রহস্যের কিনারা করে ৮ থেকে ৮০ সমস্ত বয়সের দর্শকদের প্রিয় হয়ে উঠছে জগদ্ধাত্রী।
বর্তমানে গল্প অনুযায়ী, একে একে প্রত্যেকের অন্ধকার রূপটা জানতে পেরে গিয়েছে জগদ্ধাত্রী। রাজনাথকে ফাঁসানোর সম্পূর্ণ চেষ্টা করেছিল উৎসব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা হয়ে ওঠেনি। কৌশিকী আর জগদ্ধাত্রী দুজনের মিলিত প্রচেষ্টায় আসল সত্যিটা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। সবই প্রায় পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে তাদের সামনে। একটা রহস্যের কিনারা করার পালা। কৌশিকী মুখার্জীকে দ্বিতীয় গুলিটা কে করেছিল!
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, গোপালকে ধরে ফেলেছে জগদ্ধাত্রী। সে হলো দিব্যা সেন এর ড্রাইভার। কিন্তু গোপাল কিছুতেই মুখ খুলতে চায় না। জগদ্ধাত্রী তাকে ভীষণ মারধর করে। কিন্তু তারপরেও সে চুপ করে থাকে। গোপাল বলে, যদি সে মুখ খোলে তাহলে তাকে শেষ করে দেবে দিব্যা সেন। জগদ্ধাত্রী বলে কেউ তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। সেই দায়িত্ব পুলিশের। তার কিছুক্ষণ পর গোপাল সব সত্যি জগদ্ধাত্রীকে বলে দেয়। গোপাল যা যা বলে সেটা শুনে অবাক হয়ে যায় জগদ্ধাত্রী কারণ সেটা তার মাথাতেও আসেনি।
জগদ্ধাত্রী জিজ্ঞাসা করে, সেদিন গাড়িতে আর কে কে ছিল? গোপাল বলে গাড়িতে ছিল তুষার তলা পাত্র। ব্যাস শোনা মাত্রই সবটা পরিষ্কার হয়ে যায় জগদ্ধাত্রী সামনে। তারমানে এইসব কিছুর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ওই লোকটাও। এই বিষয়টা একেবারে এড়িয়ে গিয়েছিল জগদ্ধাত্রী। এবার অংকটা মেলানো অনেক সোজা হয়ে গেল তার কাছে। সাথে সাথে দিব্যা সেনকে ফোন করে সে। ফোন করে দিব্যাকে বলে, “সেদিন আপনার গাড়িতে ছিল তুষার তলা পাত্র। তাইতো দিব্যা সেন?” এরপর জগদ্ধাত্রী দিব্যার ফোনটা ট্রাক করার ব্যবস্থা করতে বলে। এদিকে দিব্যা সেন বুঝে যায় কেউ একজন তার পিছন থেকে কল কাটি নাড়ছে। কিন্তু সেই মানুষটাকে সেটাই বুঝতে পারছে না দিব্যা। সে তাড়াতাড়ি দেবুকে ফোন করে একটি নাম্বার দেয় আর বলে এই নাম্বারটা কার সেটার খোঁজ লাগাতে হবে।
দেবু তাড়াতাড়ি সেই নাম্বারটা বাগচীকে দেয়। নাম্বারটা ট্রেস করার আগেই সেখানে চলে আসে সাধু দা। সে বাগচীকে বলে, “তোমাকে আমি শেষবারের জন্য বিশ্বাস করতে চাই বাগচী। মানুষ অনেক ভুল করে তাকে একবার ক্ষমা করা যায় দুইবার ক্ষমা করা যায় তিনবার ক্ষমা করা যায় কিন্তু তারপর আর করা যায় না। তাই বলছি আর কোন ভুল করোনা। ফোন করে জানিয়ে দাও নাম্বারটা খুঁজে পাওয়া যায়নি।” বিষয়টা অবাক লাগে তার কিন্তু সে সাধুর কথা মতো সেটাই করে। এরপর দিব্যা সেন বৈদেহিকে ফোন করে বলে, “আমি আপনার সাথে দেখা করতে চাই। আমি যদি ফেঁসে যাই আমি কিন্তু আপনাকেও ঝুলিয়ে দেব। কেউ একজন জেনে গিয়েছে সেদিন গাড়িতে গিয়েছিল। অন্ধকারে ঢিল মারলেই কিন্তু সত্যিটা বেরিয়ে আসবে এবার। আমায় যদি কেউ ধরে আমি কিন্তু বলে দেবো আমি আপনাকে সেদিনকে ছুটতে ছুটতেই অন্ধকার থেকে বের হতে দেখেছি।” দিব্যার কথা শুনে ভয় পেয়ে যায় বৈদেহি।

