উৎসবের কবর নিজেই খুঁড়ল রাজনাথ! ছেলের কাছে ঠকে চোখের জল ধরে রাখতে পারলো না সে!

সত্য কখনো চাপা থাকে না। আর জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিকের নায়িকা জ্যাস এর থেকে অপরাধ লুকিয়ে রাখা একেবারেই অসম্ভব বিষয়। ধারাবাহিকটি এই মুহূর্তে অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। যত দিন যাচ্ছে বাড়ছে দর্শকদের উত্তেজনা। এবার শুধু সত্যিটা সবার সামনে প্রকাশ পাওয়ার পালা। গত সপ্তাহের নিরিখে বেঙ্গল টপার এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা ক্রমবর্ধমান।
বর্তমানে গল্প অনুযায়ী, উৎসবের সমস্ত কারসাজি ধরা পড়ে গিয়েছে জগদ্ধাত্রীর কাছে। প্রায় ৯০ শতাংশ রহস্যের কিনারা করে ফেলেছে সে। আজ কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলেই সবার সামনে আত্মপ্রকাশ করবে জগদ্ধাত্রী আর কৌশিকী। আর সেই দিনটাই অপেক্ষা করে রয়েছে প্রত্যেকে। ইতিমধ্যেই জগদ্ধাত্রী স্বয়ম্ভুর সৎ মা অর্থাৎ বৈদেহি মুখার্জীকে ফোন করে উৎসবের কেলেঙ্কারির কথা জানিয়ে দিয়েছে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, স্বয়ম্ভু রাজনাথকে বারবার প্রশ্ন করতে থাকে, তিনি তার একাউন্ট থেকে ১০ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন কিনা। কিন্তু রাজনাথ প্রত্যেকবার তার এই প্রশ্ন এড়িয়ে যায়। জগদ্ধাত্রী কানেক্টেড থাকে স্বয়ম্ভুর সাথে। সে স্বয়ম্ভুকে বলে, “বারবার একই প্রশ্ন করতে থাকো যাতে উনি বিরক্ত হয়ে উত্তর দিয়ে দেন।” স্বয়ম্ভু সেটাই করে আর বলে, তার কাছে কিন্তু অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট আছে। যদি তার সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করা হয় তাহলে স্বয়ম্ভু আর জোর করে রাজনাথকে ডিপার্টমেন্টে নিয়ে যাবে না।
এরপরও সত্যি রাজনাথ বিরক্ত হয়ে স্বয়ম্ভুকে বলে, সে ১০ লক্ষ টাকা তুলেছিল। আর সেই টাকা সে তার ছেলে উৎসবকে দিয়েছিল। এরমধ্যে সে কোনো অপরাধ দেখতে পাচ্ছে না। স্বয়ম্ভু সবটা শুনে বলে, তার এই স্বীকারোক্তিটারই দরকার ছিল। রাজনাথ অবাক হয়ে যায়। স্বীকারোক্তি নেওয়ার জন্য তো মাইক্রোফোন লাগে, রেকর্ডার লাগে সেগুলো কোথায়? স্বয়ম্ভু তখন তার বস অর্থাৎ জ্যাসের সাথে কথা বলিয়ে দেয় রাজনাথের। জগদ্ধাত্রী নিজের পরিচয় গোপন করে রাজনাথকে বলে, “যে ছেলের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করছেন সেই ছেলে আপনার পিছনে আপনাকে ফাঁসানোর জন্য ঠিক কি কি করে বেড়াচ্ছে সে খোঁজ রাখেন? যে ছেলেকে একটু ভালোবাসা দিতে পারলেন না সেই ছেলেই আপনাকে দেখছে। আপনার ছেলে উৎসব ওই ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে জগদ্ধাত্রীকে কিডন্যাপ করিয়েছে তার খোঁজ রেখেছেন?”
কথাটা শোনা মাত্রই রাজনাথ উৎসবের কাছে গিয়ে উৎসবকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলে। ফোনে জগদ্ধাত্রী তাকে যে প্রশ্নটা করেছে সেই একই প্রশ্ন সে উৎসবকে করে। কিন্তু উৎসব নির্বাক। এরপর নিজের ঘরে এসে সে মেহেন্দির সঙ্গে কথা বলতে থাকে। তারা ভাবতে থাকে, এই সমস্ত কথা পুলিশ কিভাবে জানল? শুধু তাই নয় কাঁকনের হোস্টেলে থাকার বিষয়টাও বেশ রহস্যজনক লাগে তাদের। এদিকে সাধুদা জগদ্ধাত্রীর উপর চাপ দিতে থাকে রাজনাথকে গ্রেপ্তার করার জন্য। কারণ অনেকদিন হয়ে গেল এই কেসের কোন সুরাহা হচ্ছেনা। এরকম চলতে থাকলে ডিপার্টমেন্টের নাম খারাপ হচ্ছে। যদি খুব বেশিদিন এর কোন সুরাহা না হয় তাহলে বাগচী এই কেসের দায়িত্ব পাবে। জগদ্ধাত্রী তখন সাধুর কাছ থেকে এক সপ্তাহের সময় চেয়ে নেয়। তার কাছে সবটাই পরিষ্কার একটা জিনিস বাদ দিয়ে। আর সেটা হল কৌশিকী মুখার্জীকে গুলিটা কে করেছিল।

