হাসপাতালেও জারি রোহিত ফুলকির প্রেম, সবাইকে লুকিয়ে রোহিতের জন্য সুপ বানিয়ে আনলো ফুলকি!

এই মুহূর্তে জি বাংলায় (Zee Bangla) সম্প্রচারিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ধারাবাহিক হচ্ছে ‘ফুলকি’ (Phulki)। প্রত্যেক সপ্তাহের টিআরপি তালিকায় এই ধারাবাহিকের নম্বর হয় একেবারে নজরকাড়া। ধারাবাহিকের নায়িকার অভিনয় সম্প্রচারের পর থেকেই মন কেড়ে নিয়েছে ভক্তদের। এখানে নায়ক নায়িকার বয়সের ব্যবধান অনেকটা বেশি হলেও দুজনকে একসাথে দেখতে খুব পছন্দ করেন দর্শকরা। সম্প্রতি এক বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে তারা আর এই সবটাই হয়েছে নায়িকা ফুলকির জন্য।

বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, রুদ্রর কথা শুনে ফুলকিকে ভুল বোঝে রোহিত। যদিও এটা সে এর আগে একাধিকবার করেছে তবুও এই বারটা তাদের দুজনের জীবনেই অন্ধকার নামিয়ে আনে। ফুলকিকে শাস্তি দিতে জঙ্গলের এক ভাঙাচোরা বাড়িতে গিয়ে ওঠে রোহিত। আর সেখানে দুজন মিলে বিপদে পড়ে যায়। একটা গোটা দিন জল নেই খাওয়া নেই তার মধ্যে একাধিক জায়গায় যখম। ওই মুহূর্তে ফুলকি কিন্তু রোহিতের হাত ছাড়েনি। গোটা বিপর্যয়ের পরিস্থিতিটা তারা দুজন মিলে একসাথে লড়াই করে সামলে ওঠে। এরপর রেসকিউ টিম তাদের উদ্ধার করে হসপিটালে ভর্তি করে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, আগে আগে রহি তার ফুলকিকে দেখতে আসছে তার বাড়ির লোকজন। রোহিতের মা মাস্টার মশাই প্রত্যেকে যাওয়ার পর সেখানে আসে ঈশিতা। সে চেয়েছিল রুদ্রকে নিয়ে যে বিষয়গুলো রোহিতের মনে তৈরি হচ্ছে সেগুলো কাটিয়ে দেওয়ার। কিন্তু তমাল এসে সব টা গন্ডগোল করে দেয়। ফলে কার্যসিদ্ধি না করেই সেখান থেকে চলে যেতে হয় তাকে। ফুলকি এই মতলবের কথা বুঝতে পেরেছিল, মনে হচ্ছিল এইসব কিছুর পেছনে আছে জামাইবাবু। কিন্তু কোন শক্তপোক্ত প্রমাণের অভাবে সবার সামনে বেফাঁস কথাটা বলতে চায়নি সে।

এরপর রোহিতের বৌদি তাকে জিজ্ঞাসা করে, এমন একটা কান্ড সে কেন ঘটালো? জায়গাটা বিপদে পরিপূর্ণ জেনেও কেন ফুলকিকে নিয়ে সেখানে গেল রোহিত? রোহিতের কিছু বলার আগেই ফুলকি বলে ওঠে, “আসলে আমার খুব দেখতে ইচ্ছা করছিল ওই জঙ্গলটা। আর তার মাঝে ওই বাড়িটা দেখে আমার ওর ছাদে যেতে ইচ্ছা করছিল। আমি জোর করেছিলাম। আমি এতটাই ছটফট করছিলাম যে ওখানে যে বিপদ লেখা আছে এটা আমাদের চোখে পড়েনি।” এইভাবে আরো একবার অসম্মানের হাত থেকে রোহিতকে বাঁচিয়ে দেয় ফুলকি। রোহিত আবারও বুঝতে পারে সে কত বড় ভুল করেছে রুদ্রর কথা শুনে।

এরপর রাত হতেই তাদের দুজনকে খাবার দিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু খাবারটা খেতে তোদের দুজনের কারোরই ভালো লাগেনা। ফুলকি বুঝতে পারে রোহিতের খেতে কষ্ট হচ্ছে। তাই লুকিয়ে লুকিয়ে হাসপাতালের ক্যান্টিনে গিয়ে রোহিতের জন্য সুপ বানিয়ে নিয়ে আসে। এইসব দেখে রোহিত তো একেবারে অবাক। মেয়েটা যে এত কিছু করতে পারে সেটা ধারণা ছিল না তার। এরপর রোহিতের সেবা করার জন্য ফুলকি হাসপাতালে থেকে যায়।

Back to top button